হলুদ আমরুল শাক ভেষজ গুণ সম্পন্ন বাংলার উদ্ভিদ
বাংলাদেশ ও ভারতের অনেক প্রদেশে এই হলুদ আমরুল শাক বা আমরুল জন্মে। মূলত ফুলের রঙ হলুদ হয়, তবে গাছটির একটি বাদামী জাত বা ভ্যারাইটি আছে। এটি দেখতে সরু ও লতানো। আরো পড়ুন
বাংলাদেশ ও ভারতের অনেক প্রদেশে এই হলুদ আমরুল শাক বা আমরুল জন্মে। মূলত ফুলের রঙ হলুদ হয়, তবে গাছটির একটি বাদামী জাত বা ভ্যারাইটি আছে। এটি দেখতে সরু ও লতানো। আরো পড়ুন
লজ্জাবতী গুল্ম হলেও লতাটি মাটিতে গড়িয়ে গড়িয়ে বেড়ে ওঠে,এ লতার গায়ে অসম্ভব বাঁকা বাঁকা কাঁটা থাকে সেটা আবার নীচের দিকে হয়। সব থেকে মজার ব্যাপার হলো এই লতাগাছ যেখানে থাকে, আরো পড়ুন
শ্যাওড়া বা শেওড়া বা শাহাড়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Streblus asper) হচ্ছে মোরাসি পরিবারের স্ট্রেবলাস গণের একটি সপুষ্পক চিরসবুজ উদ্ভিদ। চলতি কথায় আমরা একে শাঁড়া গাছ বলে থাকি। এই গাছ আকারে ছোট ঝোপ জাতীয় ঘন পত্রপল্লব বিশিষ্ট চিরসবুজ গাছ। পাতা ডিম্বাকার, খসখসে ও গাঢ় সবুজ। এর ফল হলুদ। সারাদেশে এই গাছ দেখতে পাওয়া যায়। ভেষজ চিকিৎসায় গাছের ও মূলের ছাল, পাতা ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। আরো পড়ুন
শীতের শেষে মূলা গাছে ফুল, তারপর সরষের মতো শুঁটি ও বীজ হয়। এই বীজ পুনরায় চাষ হয়ে থাকে। মুলার ব্যবহারোপযোগী অংশ পাতা, মূল, ফুল ও বীজ। আরো পড়ুন
বকুল চিরহরিত বৃক্ষ, ৪০ থেকে ৫০ ফুন্ট পর্যন্ত উচু হয়। ছায়া তরু হিসেবে রাস্তার ধারেও যেমন লাগানো হয়, আবার মন্দির প্রাঙ্গণেও তাকে স্থান দেওয়া হয়, ছায়া ও ফুলের সুগন্ধ আছে বলে। আরো পড়ুন
আঙ্গুর শুকিয়ে কিসমিস বা মুনাক্কা হয়। সত্যি, কিন্তু সুপক্ক না হলে সেগুলিকে শুকানো যায় না, সেইজন্যই রোগের ক্ষেত্রে কিসমিস বা মুনাক্কার ব্যবহার করা হয়। আরো পড়ুন
কুশ (বৈজ্ঞানিক নাম Desmostachya bipinnata stapf.) হচ্ছে গ্রামিনি বা Gramineae পরিবারের এক ধরনের ঘাস। কিন্তু আমরা সচরাচর যেগুলি দেখতে পাই সেগুলি হচ্ছে কাশ (বৈজ্ঞানিক নাম: Saccharum spontaneum)। কুশ দেখতে হবে নিটোল গোল, তার পাতার গায়ে কোনো ধার নেই। এই কুশ ভারতের উষ্ণ ও শুষ্ক অঞ্চলে পাওয়া গেলেও বিহারের গয়া এবং দ্বারভাঙ্গা জেলার অঞ্চলবিশেষে কোশী নদীর … Read more
এনাকার্ডিয়াসি পরিবারের স্পনডিয়াস গণের ফলগাছসমূহকে সাধারণত আমড়া বলা হয়। বাংলাদেশে তিন প্রজাতির এবং ভারতে চার প্রজাতির আমড়া গাছ জন্মায়। আরো পড়ুন
এটি ক্ষুপ বা গুল্ম জাতীয় গাছ, ৩ থেকে ৪ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। এর পাতাগুলি দেখতে অনেকটা অশ্বতর প্রাণীর বা খচ্চরের কানের আকারের মতো হলেও ঝোপ-ঝাড় আরো পড়ুন
অশ্বগন্ধা হচ্ছে উইথানিয়া গণের একটি গুল্ম। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Withania Somnifera. প্রাচীন কালে এই অশ্বগন্ধা প্রয়োগ হতো যেখানে রসবহ, রক্তবহ ও শুক্রবহ স্রোতের দোষ রয়েছে, আরো পড়ুন