বন অতসি বা ঝুনঝুনা বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

বীজ কখনো কফির পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। গাজান পদ্ধতি প্রস্তুতিতেও ব্যবহৃত। চা, রাবার এবং নারিকেল গাছের আচ্ছাদিত উদ্ভিদ হিসাবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে।আরো পড়ুন

বড় ঝুনঝুনা বাংলাদেশের বিপন্ন ভেষজ বিরুৎ

খাড়া, বর্ষজীবী বীরুৎ, ১.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা। কান্ড এবং শাখাপ্রশাখা বেলনাকার, ছড়ানো লম্বা রোমশ। পত্র ৩-পত্রক, পত্রক ঝিল্লিময়, বিডিম্বাকার থেকে উপবৃত্তাকার-বিডিম্বাকার, ২-৩ সেমি লম্বা। আরো পড়ুন

দুব্বিশাক বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

লম্বভাবে অবস্থিত বীরুৎ, কাণ্ড সরেখ বা মাকড়সার জালসদৃশ, সরল বা শাখা বিন্যাসিত, ৭০-৭৫ সেমি এর অধিক লম্বা। পত্র উপবৃত্তাকার-বিবল্লমাকার, সবৃন্তক বা অর্ধবৃন্তক; আরো পড়ুন

বউলাগোটা বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

বউলাগোটা অতি গুরুত্বপূর্ণ সর্বার্থসাধক বৃক্ষ, এই বৃক্ষ থেকে খাদ্য, বস্ত্র, ওষুধ ও কাষ্ঠ পাওয়া যায়। ফল ও বীজের শাস খাদ্যরূপে গ্রহণ করা হয়, শাঁস দাদ নিরাময়ে খুব উপকারীআরো পড়ুন

তিতাপাট উষ্ণমন্ডলীয় দেশে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

পরিত্যক্ত এলাকায় আগাছার মাঝে জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ সময় আগষ্ট-ফেব্রুয়ারি। বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে। সমগ্র উপমহাদেশে, কিন্তু সম্ভবত উষ্ণমন্ডলীয় এশিয়ার স্বদেশী। ইহা উষ্ণমন্ডলীয় আফ্রিকা, ভারত, শ্রীলংকা এবং অস্ট্রেলিয়ায়ও পাওয়া যায়। বাংলাদেশের সমগ্র জেলায় বিস্তৃত।আরো পড়ুন

পাহাড়ি জাতা কানশিরা দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ বিরুৎ

পাহাড়ি জাতা কানশিরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Commelina paludosa) বাংলাদেশের সব জেলাতেই জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। গহীন অরণ্য, রাস্তার পার্শ্বের ভিজা সেঁতসেঁতে মাটি, জলাশয়ের তীরে এই প্রজাতি জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল অক্টোবর থেকে মার্চ। শাখা কলম ও বীজ দ্বারা বংশ বিস্তার।আরো পড়ুন

সোজা জাতা কানশিরা শোভাবর্ধক ও ভেষজ বিরুৎ

পাতা ও কান্ড সবজিরূপে ব্যবহারযোগ্য, বাহারি উদ্ভিদরূপে টবে রোপন করা যায়। এটির পাতা ক্ষতের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এর ক্বাথ শরীরের বাহ্যিক ত্বকে প্রয়োগ করা হয়।আরো পড়ুন

চিত্রপত্রী বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

বর্ষজীবী বীরুৎ, শাখা প্রশাখা বিস্তৃত, কান্ড লতানো বা আরোহী, প্রায় ৪০ সেমি বা ততোধিক লম্বা, পর্বে মূল জন্মে, পত্র ২.৫-৬.০ x ১.০-২.৫ সেমি, দীর্ঘায়ত বল্লমাকার দীর্ঘাগ্র, পত্রাবরণ লক্ষ্যনীয় রূপে কান্ড আবৃত, মসৃণ, সিলিয়াযুক্ত প্রান্ত পুষ্প পাতার প্রতিমুখ চমসা সদৃশ।আরো পড়ুন

গৈছুই দক্ষিণ পুর্ব এশিয়ার অরণ্যে জন্মানো উদ্ভিদ

ভূমিকা: গৈছুই (বৈজ্ঞানিক নাম: Combretum latifolium) বাংলাদেশের সব পাহাড়িঞ্চলে জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। গৈছুই-এর বর্ণনা: বৃহৎ ছড়ানো গুল্ম বা কাষ্ঠল আরোহী, তরুণ শাখা শল্কপত্র যুক্ত, পুরাতন শাখা মসৃণ। পত্র কাগজবৎ, প্রতিমুখ, প্রশস্ত উপবৃত্তাকার থেকে ডিম্বাকৃতি-উপবৃত্তাকার, ৮-১৮ X ৫.০-১০.৫ সেমি, শীর্ষ দীর্ঘাগ্র, মূলীয় অংশ কীলকাকার, স্থূলা বা গোলাকার, শিরা ৫-৮ জোড়া, প্রশস্ত ফাঁক যুক্ত, … Read more

সাদা গুইচা চিরহরিৎ অরণ্যে জন্মানো ভেষজ উদ্ভিদ

কাষ্ঠল আরোহী বা বৃহৎ ও ছড়ানো গুল্ম। শাখা মসৃণ, ধূসর বাদামী, পুরাতন শাখা মসৃণ, তরুণ অংশ মরচে রোমশ পরবর্তীতে মসৃণ। পত্র কাগজবৎ, বাদামী, উপরের অংশ উজ্জ্বল দীর্ঘায়ত উপবৃত্তাকার বা ডিম্বাকৃতি দীর্ঘায়ত, মসৃণ, ৫.০-১৭.৫ x ২.৫-৭.০ সেমি, শীর্ষ দীর্ঘা, মূলীয় অংশ গোলাকার বা সামান্য কীলকাকার,আরো পড়ুন

error: Content is protected !!