উলট চন্ডাল বিরুৎ-এর দশটি ভেষজ গুণাগুণ

উলট-চন্ডাল

উলট চন্ডাল একটি বর্ষজীবী লতানো বীরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এটি একটি অতি পরিচিত ঔষধি উদ্ভিদ। এর পাতা সরল, একান্তর, ওভেট-লেন্সিওলেট, বৃন্তহীন, পাতার শীর্ষ ক্রমশ আকর্ষীর মত লম্বা এবং পেঁচানো, শিরাবিন্যাস সমান্তরাল।আরো পড়ুন

ক্যালেণ্ডলা মৌসুমী বীরুৎ-এর ভেষজ গুণাগুণ

ক্যালেণ্ডুলা

ক্যালেণ্ডলা উদ্ভিদের ব্যবহার্য অংশ হলো তাজা ফুল এবং তাজা পাতা। ক্যালেণ্ডলা উদ্ভিদের প্রাপ্তিস্থান হচ্ছে দক্ষিণ ইউরোপের দেশসহ শীত প্রধান অঞ্চল। বাংলাদেশে শীতকালে প্রায় সকল বাগানেই এটিকে ফুলের জন্য লাগানো হয়ে থাকে। আরো পড়ুন

গাঁদা উদ্ভিদের পাতা ও ফুলের ঔষধি গুণাগুণ

গাঁদা

গাঁদাফুল বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত ফুলের প্রজাতি এবং এর ঔষধি ব্যবহারও ব্যাপক। এই উদ্ভিদের সাধারণ বর্ণনা হলো; এটি বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত ফুলগাছ। দেশের প্রায় সবগুলি অফিসের ফুলের বাগানে এবং অধিকাংশ বাড়িতে এটি দেখা যায়। আরো পড়ুন

সর্দি ও কাশি কেনো হয় এবং ঘরোয়া উপায়ে এথেকে প্রতিকারের উপায়

সর্দি কাশি যদি দীর্ঘদিন থাকে তাহলে অবশ্যয় ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিৎ। এছাড়া ঋতু পরিবর্তনের কারণে সর্দি কাশি হলে ভেষজ পদ্ধতিতে ঘরোয়া উপায়ে আরোগ্য লাভ করা সম্ভব। যেমন কাশি হলে অনেকেই তুলশি পাতার রস মধু দিয়ে খাওয়ায়। আরো পড়ুন

শিমুল গাছ-এর বিবরণ ও ষোলটি ভেষজ গুণাগুণ

শিমুল অতি বৃহৎ পত্রঝরা বৃক্ষ। গাছের গায়ে মোটা মোটা কাটা থাকে। বাকল ধূসর বর্ণের। পাতা করতলাকার যৌগিক, বোটার মাথায় একত্রে ৫টি ফলকযুক্ত। পত্রফলক বৃন্তযুক্ত এবং ৪-৮ ইঞ্চি লম্বা।আরো পড়ুন

শিমুল আলু বা কাসাভার চাষ পদ্ধতি ও আটা প্রস্তুত প্রণালী

শিমুল আলু

শিমুল আলু বা কসাভা গাছ রেড়া গাছের ন্যায় লম্বা, পাতা শিমূল গাছের পাতার ন্যায়। পাতার উপরিভাগ গাঢ় সবুজবর্ণ, নীচের দিক ফিকে সবুজ বর্ণের। একই ডাঁটায় স্ত্রী ও পুং ফুল জন্মে থাকে। স্ত্রী পুষ্প অপেক্ষা পুরুষ পুষ্প আকারে ক্ষুদ্র আরো পড়ুন

চীনাবাদাম পুষ্টিগুণসম্পন্ন সহজলভ্য ভেষজ বিরুৎ

চীনাবাদাম (Arachis hypogea) সর্বপ্রথম আমেরিকা মহাদেশে চাষ হত। তথা হতে পৃথিবীর অপরাপর স্থানে এর চাষ প্রবর্তিত হয়। সম্ভবতঃ প্রায় ৭০ বৎসর পূর্বে বাদাম চিনদেশ হতে এই দেশে আসে বলে একে চিনাবাদাম বলা হয়।আরো পড়ুন

কালমেঘ-এর ভেষজ গুণাগুণ ও ঘরোয়াভাবে প্রয়োগ পদ্ধতির বর্ণনা

কালমেঘ ভেষজ উদ্ভিদ

কালমেঘের সাধারণ গুণ হলো- এটি তিক্তরস, অগ্নিপীপক, রুচিকর, রেচক, বলকারক, কৃমিনাশক, জ্বরাতিসবার নাশক। ইহা কোষ্ঠ, রক্তদোষ, আমদোষ ও বিষদোষে উপকারী। কালমেঘের ব্যবহার্য অংশ হচ্ছে- সমগ্র গাছ। গাছের প্রায় সব অংশই ব্যবহার করা যায়;আরো পড়ুন

তিসি তেল ও আঁশ উৎপাদনকারী উপকারি গুল্ম

তিসি গাছ ৩০ থেকে ৮০ সেঃ মিঃ পর্যন্ত উঁচু হয়। এই প্রজাতির ফুল নীল, সাদা বা হালকা গোলাপী বর্ণের হয়। এটি অতি প্রাচীনকাল হতে ভারতবর্ষে ব্যবহৃত ও চাষ হয়ে আসছে। মনুসংহিতা আইন আকবরী প্রভৃতি গ্রন্থেও তিসির বর্ণনা দেখতে পাওয়া যায়।আরো পড়ুন

তিল গাছ ও বীজের ভেষজ বিবরণ ও পরিচয়

তিল (বৈজ্ঞানিক নাম: Sesamum indicum) কাল, লাল, শ্বেত ও ধূসর বর্ণভেদে চারি প্রকার। কোনো কোনো স্থানে এর গাছ এক হাতের অধিক বড় হয় না। আবার কোন কোন স্থানে দুই হাত পরিমাণ উচ্চ হয়। সচরাচর এর ফুল শ্বেতবর্ণ। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!