তিল (বৈজ্ঞানিক নাম: Sesamum indicum) কাল, লাল, শ্বেত ও ধূসর বর্ণভেদে চারি প্রকার। কোনো কোনো স্থানে এর গাছ এক হাতের অধিক বড় হয় না। আবার কোন কোন স্থানে দুই হাত পরিমাণ উচ্চ হয়। সচরাচর এর ফুল শ্বেতবর্ণ। আর এক প্রকার তিলের ফুল লালবর্ণ হয়। সাদা তিলের পাতা অতিশয় চওড়া ও সবুজ বর্ণ। কৃষ্ণতিল অপেক্ষা সাদা তিল খেতে মিষ্টি এবং তাতে তেলের ভাগ বেশী আছে।[১]
আড়াই ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। সম্ভবত তিল থেকেই তেল শব্দটি প্রচলিত হয়েছে। আমরা সাধারণত দু রকমের তিলই দেখি। কিন্তু তিল আছে তিন রকমের কালো, সাদা আর লাল। তিল পুষ্টিকর। তিন রকমের তিলের মধ্যে আয়ুর্বেদে কালো তিলকেই শ্রেষ্ঠ বলা হয়েছে। সব তিলের মধ্যে কালো তিলই শ্রেষ্ঠ এইভাবে মন্তব্য করে আয়ুর্বেদে আহার ও ওষুধের দিক থেকে কালো তিলকেই সর্বাগ্রে স্থান দেওয়া হয়েছে। এর পরেই স্থান হলো সাদা তিলের এবং সবচেয়ে শেষে লাল তিলের স্থান। এই তিল বিশেষ দেখতেও পাওয়া যায় না।[২]
বিস্তৃতি:
ভারতের অন্তর্গত সিন্ধুদেশ, বোম্বাই, মাদ্রাজ, হায়দ্রাবাদ, পাঞ্জাব, রাজপূতানা, অযোধ্যা, আসাম, বঙ্গদেশ, বেরার, বহ্মদেশ প্রভৃতি স্থানে প্রচুর পরিমাণে তিলের চাষ হয়।
চাষাবাদ:
বৃষ্টি হলে তিলের জমিতে একবার চাষ ও মই দিয়ে দুই চারদিন পরে আবার চাষ ও দুইবার মই দিতে হয়। পুনরায় আবার দুইটি চাষ ও মই দিয়া মাটি বেশ গুড়া হলে বিঘা প্রতি ৩০-৪০ মণ গোবর সার দিয়ে জমিতে রস থাকতে থাকতে তিলের বীজ বপন করতে হয়। তিলের জমি বেশ উচু হওয়া আবশ্যক। পলিযুক্ত জমিতে বা পাথুরিয়া জমিতে তিলের গাছ বেশ ভাল হয়। তিলের জমির মাটিতে চুণ প্রভৃতি থাকিলে বেশ ভাল হয়।
মাঘ মাস তিলের বীজ বোনার প্রকৃত সময়। চৈত্র মাস তিল কাটবার সময়। তিল কেটে একত্রে গাদা দিয়া ৪ থেকে ৫ দিন রাখতে হয় এবং লাঠি দ্বারা ঠেঙ্গাতে হয় তাহলে তিল পাওয়া যায়। আউশ বা কৃষ্ণতিল আগষ্ট কিংবা সেপ্টেম্বর মাসে বপন করিতে হয় এবং জানুয়ারী মাসে পেকে থাকে। আউশ তিলের সাথে কলাই অথবা তুলা বীজ মিশ্রিত করিলে উভয় ফসলই এক জমিতে পাওয়া যায়। তিলের জমিতে চাষ ও মাটি প্রস্তুত করার প্রণালী-আমন তিলের ন্যায়। ঢাকা জেলায় মাঘ মাসের মধ্যভাগে বুনতে হয়। তিলগুলি চৈত্র মাসে কাটতে হয়।[১]
ঔষধার্থে ব্যবহার:
তিল থেকে বহু ধরনের ঔষধি উপকারিতা পাওয়া যায়। বেঁটে আঠার মতো করে মাখন মিশিয়ে অর্শস্থানে দিলে রক্তপাত বন্ধ হয়। তিলের তৈল বাত রোগের জন্য উপকারী। তিলর তেলে মাথা শীতল রাখে। বাটা তিল দগ্ধ স্থানে ও টাকে দিলে ভাল হয়। প্রাতঃকালে তিলের ফুল হতে শিশির বা জল খাইলে বা চক্ষে দিলে চক্ষুরোগ আরাম হয়। পাতার রস ৬৭ দিন খেলে রক্ত আমাশয় আরাম হয়। তিল চূর্ণ ১০ গ্রেণ প্রত্যহ ২৪ বার ব্যবহার করিলে বাধক রোগ আরাম হয়।
আয়ুর্বেদ মতে, তিল রসে তীক্ষ্ণ, তিক্ত, মধুর ও কষায়। তিল বিপাকে তীক্ষ্ণ, স্বাদু, গরম, কফ, পিত্তকারক, বলপ্রদ, চুলের পক্ষে ভাল, স্পর্শে শীতল, ত্বকের পক্ষে উপকারী, স্তন্যবর্ধক (স্তনদুগ্ধ), খিদে বাড়িয়ে দেয়, বুদ্ধি বৃদ্ধি করে, দাঁতের পক্ষে উৎকৃষ্ট, মলবন্ধন করে, অল্প মূত্র বৃদ্ধি করায়, ব্রণ ও বায়ু নাশ করে।
তিলের বিভিন্ন অসুখে ব্যবহার:
১. পোড়া ঘায়ে: পানি ছাড়া তিলকে বেটে পোড়া ঘা-এর ওপর প্রলেপ দিলে ঘা খুব তাড়াতাড়ি সেরে যাবে। প্রতিদিন পোড়া জায়গায় একবার করে প্রলেপ দিতে হবে এবং শেষে পরিষ্কার ফালি কাপড়ের সাহায্যে হাল্কা করে বেঁধে দিতে হবে। এক সপ্তাহ নিয়মিত প্রলেপ দিলে ঘা অবশ্যই শুকিয়ে যাবে[১] পুড়ে যাওয়া অংশে শুধু গরম করা তিলের তেল লাগালেও চমৎকার ফল পাওয়া যায়। আবার চুনের জল থিতিয়ে নিয়ে তিলের তেল মিশিয়ে লাগালে আগুনে পোড় ঘা সেরে যায়। শরীরের পুড়ে যাওয়া জায়গায় তিল পিষে নিয়ে, জলে ধোওয়া ঘি ও কর্পূর মিশিয়ে প্রলেপ দিলে সুফল পাওয়া যায়।[৩]
২. ঘা বা ক্ষতে: যদি টাটকা ক্ষত বা ঘা না সারে তাহলে তিল পিষে নিয়ে মধু আর ঘি মিশিয়ে লাগালে অনেক ওষুধ বা মলমের চেয়ে বেশি কাজ দেয়।
৩. রক্ত আমাশয়ে: তিল পাতার টাটকা রস ১৫/২০ মি.লি. দিনে তিনবার খেলে রক্ত আমাশয় ভালো হয়ে যায়। এছাড়াও পেষা কালো তিল এক ভাগ, চিনি দু ভাগ, এবং ছাগলের দুধ চার ভাগ একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে রক্ত-আমাশা সারে।
৪. রক্তস্রাব সারাতে: তিল, যব, চিনি চূর্ণ করে মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে যাঁদের বাচ্চা হবে অর্থাৎ সগর্ভা এবং যাঁদের বাচ্চা হয়েছে অথাৎ প্রসূতা বা প্রসূতির রক্তস্রাব বন্ধ হয়। যদি মেয়েদের ঋতুস্রাব ঠিক মতো না হয় এবং খুব ব্যথা-বেদনা হয় তাহলে তিল তেল খাওয়া উচিত। দু চা চামচ তিল পিষে নিয়ে এক গ্লাস জলে ফুটিয়ে নিন। এক চতুর্থাংশ জল দিয়ে গুলে সেই জলটুকু পান করলে মাসিক ঠিক মতো হবে।
৫. রক্ত পড়ায়: অল্প তিল আর চিনি একসঙ্গে পিষে বা কুটে নিয়ে মধু মিশিয়ে চাটালে বাচ্চাদের মল থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়।
৬. পেট ব্যথায়: হিং, কালো নুন মিশিয়ে গরম করা তিল তেল পেটে মালিশ করলে বা সেঁক দিলে পেটের ব্যথা সারে এবং গ্যাস কমে যায়।
৭. অর্শ রোগে: তিল পিষে নিয়ে মাখনের সঙ্গে মিশিয়ে খেলে অর্শে রক্তপড়া ও অর্শের কষ্ট কমে। সকালবেলা এক মুঠো তিল চিবিয়ে খেলে অর্শের উপশম হয়। এছাড়াও তিল, নাগকেসর (কবিরাজি দোকানে পাওয়া যায়) আর চিনির চূর্ণ একসঙ্গে মিশিয়ে খেলে অর্শে উপকার পাওয়া যায়।
৮. রাতে বিছানায় প্রস্রাবে: যে সব শিশু রাতে বিছানায় প্রস্রাব করে তাদের কালো তিল আর তার সঙ্গে এক টুকরো মুলো খাওয়ালে ওই বদ-অভ্যাস দূর হয়।
৯. শরীরের পুষ্টি রক্ষার জন্য: প্রতিদিন ৮০ গ্রাম তিল বেঁটে সেটা প্রতিদিন সকালে একবার করে খেতে হবে। এরপর পাঁচ মিনিট বাদে এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানি খেলে একদিকে শরীরের পুষ্টির অভাব দূর হবে।বলা হয়ে থাকে তিলে চুনের মাত্রা বেশি আছে সেইজন্যে বাচ্চাদের জন্যে উপকারী। প্রতিদিন বাচ্চাদের তিলের নাড়ু বা তিল পাপড়ি খাওয়ালে বাচ্চারা হৃষ্টপুষ্ট হয়। কালো তিল চিবিয়ে খেয়ে তার পরে একটু জল খেলে দাঁত মজবুত হয়, শরীর হৃষ্টপুষ্ট এবং রক্তস্রাব করা অর্শে সুফল পাওয়া যায়।
১০. শরীরের জ্বালা-পোড়ায়: যদি শরীরের কোনো অংশ খুব জ্বালা করতে থাকে তাহলে তিল দুধ দিয়ে পিষে প্রলেপ লাগালে দাহ বা জ্বালা দূর হয়।
১০. দাঁত রক্ষা ও দাঁত ব্যথার জন্য: প্রতিদিন এক মুঠো পরিমাণ বা ৮০ গ্রাম তিল বেঁটে সেটা প্রতিদিন সকালে একবার করে খেতে হবে। এরপর পাঁচ মিনিট বাদে এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানি খেলে দাঁত খুব শক্ত হয়। সকালবেলা এক মুঠো তিল চিবিয়ে খেলে দাঁত এতো মজবুত হয়ে যায় যে বৃদ্ধ বয়েস পর্যন্ত নড়ে যায় না, ব্যথা করে না, পড়েও যায় না। দাঁত ব্যথা করলে হিং বা কালোজিরে পিষে নিয়ে তিল তেল মিশিয়ে তেল গরম করে কুলকুচো করলে আরাম পাওয়া যায়। এই তেল তুলোয় লাগিয়ে মুখে রাখাও যেতে পারে।
১১. সন্তান ধারণে অক্ষমতায়: বহু ক্ষেত্রে দেখা যায় মহিলারা গর্ভে সন্তান ধারণ করার ক্ষেত্রে নানান অসুবিধার সম্মুখীন হয়ে থাকে। তিলের গুঁড়া এক গ্রাম করে দিনে তিনবার খেলে গর্ভধারণের অসুবিধাগুলো থাকে না। তবে বেশ কিছুদিন ধরে নিয়ম মেনে খেয়ে যেতে হবে। তবে তিলের মাত্রা অর্থাৎ পরিমাণ বেশি হলে উপকারের পরিবর্তে অপকার বেশি হবে। তখন গর্ভনাশের আশঙ্কা থাকে।
১২. বাত রোগে: লোহার কড়াই চুলায় বসিয়ে গরম হবার পর তাতে ৫০ গ্রাম কাল তিল দিয়ে ভেজে নিতে হবে। এরপর ভাজা তিলকে জ্বাল দেয়া ৩০ মিলিলিটার দুধে ভিজিয়ে । (ভেজানো থাকবে পনের মিনিট) সে তিলকে ঐ দুধ দিয়ে বাটতে হবে। ভালোভাবে বাটা হলে বাতে আক্রান্ত অঙ্গে (যেখানটা ফুলে গেছে এবং জোরে টিপলে লাগছে) তিল বাটা পুরু করে প্রলেপ দিলে ফুলা, যন্ত্রণা কমে যাবে। কেবল বাত নয়, ফোঁড়া এবং বিষফোঁড়া, কিছুক্ষেত্রে যন্ত্রণাদায়ক ব্রণে বাটা তিলের প্রলেপ দিলে উপকার হয়।[২]
১৩. পাকা চুল কালো করতে: তিলের শিকড়ে চুল কালো রং করার ক্ষমতা রয়েছে। কাঁচা শিকড় বেটে সেটা গোসল করতে যাবার দুই-তিন ঘণ্টা আগে মাথায় মাখলে পাকা চুল ধীরে ধীরে কালো হবে।[২]
তিল-প্রয়োগে সারে অনেক অসুখ:
নিয়মিত তিলের প্রয়ােগ করলে লাভ হয়। তিল প্রয়ােগের পদ্ধতি হলো প্রতিদিন ভােরবেলা এক টেবিল চামচ কালাে তিল অল্প অল্প করে মুখে দিয়ে মিহি করে চিবিয়ে যখন একেবারে রসের মতাে হয়ে যাবে তখন গিলে ফেলুন। এইভাবে সব তিল চিবিয়ে খাওয়া হয়ে গেলে ঠাণ্ডা জল খান। এই তিল খাওয়ার পর তিন ঘণ্টা পর্যন্ত আর কিছু খাবেন না। এই ভাবে তিল খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যদি তেলের মালিশও করা যায় তাহলে যিনি খুব রােগা তিনি মােটা হয়ে যাবেন আর যিনি খুব বেশি মােটা তাঁর অত্যধিক মেদ কমে গিয়ে সঠিক আকার হবে।
বায়ু ও কফের কায়ণে যাঁর শরীরের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে গেছে তারও তিলের প্রয়ােগের দ্বারা শারীরিক বৃদ্ধি আবার শুরু হয়ে যায়। খিদে পায়, দাত যদি দুর্বল হয় তাহলে মজবুত হয়ে যায়। যার অকালে চুল পেকে গেছে তিনিও তিল প্রয়ােগের দ্বারা লাভবান হবেন। শরীর কান্তিমান ও তেজস্বী হয় সব ইন্দ্রিয়ের শক্তি বেড়ে যায়। যে সব মেয়েদের চুল উঠে যাচ্ছে তাঁদের চুল পড়া বন্ধ হয়, চুল ঘন কালাে হয়। ঋতুস্রাব পরিস্কার হয়। যদি এক টেবিল চামচ পরিমাণ বেশি মনে হয় তাহলে আধ টেবিল চামচ করে সকালে ও সন্ধেবেলা যে রকম সহ্য হয় সেই রকম ভাবে ‘তিল প্রয়ােগ’ করে দেখুন। বলা হয়ে থাকে যাঁরা এক বছর ধরে প্রতিদিন নিয়মিত ‘তিল প্রয়ােগ’ করছেন তাঁদের যৌবন স্থির হয়ে যায়, বৃদ্ধেরাও যেন নব যৌবন ফিরে পান এবং মৃত্যু পর্যন্ত সক্ষম এবং সুন্দর থাকেন।[৩]
তথ্যসূত্রঃ
১. ডা: শ্রীযামিণী রঞ্জন মজুমদার: খাদ্যশস্য, মি: বি ছত্তার, কলকাতা, দ্বিতীয় সংস্করণ ১৩৫১, পৃষ্ঠা, ৭৮-৮২।
২. আঃ খালেক মোল্লা সম্পাদিত; লোকমান হেকিমের কবিরাজী চিকিৎসা; মণিহার বুক ডিপো, ঢাকা, আক্টোবর ২০০৯; পৃষ্ঠা ৭২-৭৩।
৩. সাধনা মুখোপাধ্যায়: সুস্থ থাকতে খাওয়া দাওয়ায় শাকসবজি মশলাপাতি, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, নতুন সংস্করণ ২০০৯-২০১০, পৃষ্ঠা,৪৬-৪৯।
- তিলের তেল-এর দশটি উপকারিতা
- কুতি কালাই বর্ষজীবী বিরুত ডাল জাতীয় শস্য
- যব নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের ভেষজ গুণসম্পন্ন খাদ্যশস্য
- মুগ ডাল সহজ, সস্তা ও পুষ্টিকর খাদ্যশস্য
- ভুট্টার আটটি ব্যবহার ও খাদ্যগুণের বিস্তারিত বিবরণ
- সাল্টু বা এমোনিয়াম সালফেট এবং ইউরিয়া সার ব্যবহৃত হচ্ছে খাদ্য নরম করতে
- অড়হর ডাল খাওয়ার কয়েকটি ঔষধি গুণ ও উপকারিতা
- কাউন বা কাওন পৃথিবীর সর্বত্র চাষাবাদকৃত খাদ্যশস্য
- জোয়ার বা জওয়ার বিশ্বব্যাপী চাষাবাদকৃত খাদ্যশস্য
- গম বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভেষজ খাদ্যশস্য
- গম খাওয়ার উপকারিতা ও আটারবহুবিধ ব্যবহার
- যব খাওয়ার ১২টি উপকারিতা, রেসিপি ও নিয়ম
- ভুট্টা বিশ্বের উষ্ণ ও নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের শস্য
- ছোলা জনপ্রিয় ডাল জাতীয় খাদ্যশস্য
- মসুর ডাল খাদ্যশস্যটির কুড়িটি উপকারিতা ও ঔষধি গুণাগুণ
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”, “ফুলকির জন্য অপেক্ষা”। যুগ্মভাবে সম্পাদিত বই “শাহেরা খাতুন স্মারক গ্রন্থ” এবং যুগ্মভাবে রচিত বই “নেত্রকোণা জেলা চরিতকোষ”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।