বেলী ফুলের চাষ , পরিচর্যা ও সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি

বেলী ফুল

সুগন্ধি ফুলের মধ্যে বেলী জাতীয় ফুলগুলি অন্যতম। ইহাদের মৃদুমন্দ সুমিষ্ট গন্ধের জন্য এই জাতীয় ফুলের আদর বেশি। বেলী ফুলের পাপড়ি হতে সুগন্ধি তৈল নিষ্কাশন করে বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রীতে ব্যবহার করা হয়। সেই জন্য, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বেলী ফুলের চাষ খুব লাভজনক। এক হেক্টর জমিতে বেলী ফুল চাষের জন্য খরচ পড়ে প্রায় ১০,০০০ টাকা, কিন্তু নিট আয় হয় প্রায় ২০ হাজারের মতো। অবাধ সূর্যালোক পায় এমন উঁচু পলি-দো-আঁশ মাটি বেলী ফুলের চাষের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট। যথাসময়ে সারপ্রয়োগ, জলসেচন ও গাছ ছাঁটাই -এর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রাখিলে লাভজনকভাবে এই ফুল উৎপাদন করা যায়। আরো পড়ুন

চামেলি ফুলের বিভিন্ন জাতের চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

চামেলী

সুগন্ধি ফুলের মধ্যে চামেলী জাতীয় ফুলগুলি অন্যতম। ইহাদের মৃদুমন্দ সুমিষ্ট গন্ধের জন্য এই জাতীয় ফুলের কদর বেশি । চামেলী ফুলের পাপড়ি হতে সুগন্ধি তৈল নিষ্কাশন করে বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রীতে ব্যবহার করা হয়। সেই জন্য, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চামেলী ফুলের চাষ খুব লাভজনক । এক হেক্টর জমিতে চামেলী ফুল চাষের জন্য খরচ পড়ে প্রায় ১০,০০০ টাকা, কিন্তু … Read more

মৌসুমী ঋতুর সুগন্ধি ফুলের জুঁইয়ের বিভিন্ন প্রজাতির চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

কুন্দ

সুগন্ধি ফুলের মধ্যে জুই জাতীয় ফুলগুলি অন্যতম। ইহাদের মৃদুমন্দ সুমিষ্ট গন্ধের জন্য এই জাতীয় ফুলের কদর বেশি। জুই ফুলের পাপড়ি হতে সুগন্ধি তৈল নিষ্কাশন করে বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রীতে ব্যবহার করা হয়। সেই জন্য, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে জুই ফুলের চাষ খুব লাভজনক। এক হেক্টর জমিতে জুই ফুল চাষের জন্য খরচ পড়ে প্রায় ১০,০০০ টাকা। কিন্তু এই খরচ করে আয় হয় প্রায় ২০ হাজারের মতো। আরো পড়ুন

রজনীগন্ধা ফুলের ব্যবসায়িক ভিত্তিতে চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

রজনীগন্ধা

রজনী গন্ধা প্রধানত সিঙ্গল ও ডাবল এ দুধরনের হয়। সিঙ্গল ফুলে ৬টি পাপড়ি এবং রঙ ধবধবে সাদা। ডবল ফুলে পাপড়ি অনেক হলেও ফুলের সংখ্যা কম এবং প্রায়ই পুরো ফুল ফোটে না। আরেক জাতের রজনীগন্ধা আছে যার পাপড়ির সংখ্যা সিঙ্গল আর ডবলের মাঝামাঝি, একে তাই ‘আধা ডবল’ বলা যায়। আরো পড়ুন

গ্লোব অ্যামারাস্থ বা বোতাম ফুল এর মৌসুমী চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

বোতাম-ফুল

গ্লোব অ্যামারাস্থ বা বোতাম ফুল গাছ ডাটা দোপাটির মতো দেখতে, পাতা সুবঞ্চিত ও প্রায় দীর্ঘ, চ্যাপ্টা ও রঙিন ফুলের শীতে ফুল ফোটে থাকে। এর আরেকটি নাম গমফারেনা। প্রায় সবরকম মাটিতে চাষ হয়। তবে হালকা উর্বর দো-আঁশ মাটিতে ফলন ভালো হয়ে থাকে। জমি এবং টবে চাষ করা যায় । সমতল অঞ্চলে মে-জুলাই এবং পার্বত্য অঞ্চলে মার্চ-এপ্রিল মাসে চাষ হয়। আরো পড়ুন

বাংলাদেশের শাক-বৈচিত্র্য: ৫৫টি পরিচিত ও বুনো শাকের পূর্ণাঙ্গ তালিকা

শাক

প্রকৃতির অকৃপণ দানে গড়ে ওঠা যেসব উদ্ভিদের লতা, পাতা, ফুল, মূল, বীজ কিংবা কন্দ আমরা খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করি, তাদেরই সাধারণ ভাষায় শাক বা পাতা সবজি বলা হয়। বাংলাদেশের উর্বর মাটিতে প্রায় শতাধিক প্রজাতির শাকের সন্ধান পাওয়া যায়, যা আমাদের জীববৈচিত্র্যের এক অনন্য সম্পদ। এই বিশাল ভাণ্ডারের একটি বড় অংশই বন-জঙ্গল, রাস্তার ধার কিংবা জলাশয়ে প্রাকৃতিকভাবে কোনো মানুষের ছোঁয়া … Read more

দোপাটি ফুল চাষের জন্য জমি প্রস্তুত ও পরিচর্যা পদ্ধতি

দোপাটি

দোপাটি ফুলের চাষ শীত, গ্রীষ্ম ও বর্ষা তিন ঋতুতে হতে দেখা যায়। তবে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে এর ফুল অধিকতর বড় ও সুন্দর হয়। হালকা উর্বর মাটি এবং প্রচুর জল দোপাটি চাষে সহায়ক। আঙ্গিনার জমিতে ও টবে দোপাটির চাষ হয়। আগষ্ট-সেপ্টেম্বর মাসে এর চাষ শুরু করার জন্যে বীজ বপন করা হয়। বাণিজ্যিক মূল্য এ ফুলের তেমন একটা নেই। আরো পড়ুন

কাঁকুড় বা কাঁকড়ি খাওয়ার উপকারিতা ও ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

কাঁকুড়

কাঁকুড় বা কাকুর বা কাঁকড়ি (বৈজ্ঞানিক নাম: Cucumis melo var. flexuosus) হচ্ছে শসা পরিবারের কিউকামুস গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ প্রজাতি। এটির ফল ভক্ষণযোগ্য। এদের বেশ কয়েকটি ঔষধি গুনাগুণ রয়েছে। আরও পড়ুন

গ্রীষ্ম ও শীতকালের জনপ্রিয় মোরগঝুঁটি বা মোরগ ফুলের চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

মোরগঝুঁটি

মোরগঝুঁটির (Celosia argentea) আরেক নাম সিলোসিয়া। এই ফুল ভেলভেটের মতো মোলায়েম ও মোরগের ঝুঁটির মতো দেখতে হয় বলে এই ফুলকে মোরগঝুঁটি বলা হয়। মোরগঝুঁটি প্রধানত: গ্রীষ্মকালীন ফুল তবে শীতকালেও চাষ হতে দেখা যায়। উর্বর দো-আঁশ মাটিতে গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে মোরগঝুঁটি চাষ করাই উত্তম। গাছ ২০-৫০ সেঃ মিঃ উচু হয়ে থাকে। আরো পড়ুন

মনোমুগ্ধকর বর্ষজীবী চিরজীবী ফুল প্যানসি বা পাঁচুর চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

প্যানসি বা পাঁচু (Pansy) একটি মনোমুগ্ধকর বহুবর্ষজীবী চিরজীবী ফুল হলেও আমাদের দেশে বর্ষজীবী শীতকালীন হিসেবে চাষাবাদ হয়ে থাকে। ফুল অনেকটা প্রজাপতির মতো দেখায় এবং এর রঙ হয় বেগুনি, নীল, হলুদ ও সাদা। সমতল অঞ্চলে অক্টোবর এবং পার্বত্য অঞ্চলে মার্চ মাসে বীজ বপন করতে হয়। সারযুক্ত দো-আঁশ মাটি এবং ঠাণ্ডা ও আর্দ্র আবহাওয়া এই ফুল চাষের বিশেষ উপযোগী। গাছের উচ্চতা ১৫-৩০ সেঃ মিঃ হয়ে থাকে। প্যানজি টবে ও কেয়ারীতে চাষযোগ্য। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!