বরুণ জলাভূমির পাশে জন্মানো পরিচিত ও সহজলভ্য আলংকরিক বৃক্ষ

বরুণ

নদীর তীরবর্তী অঞ্চল, চিরহরিৎ এবং মিশ্র পর্ণমোচী অরণ্য। ফুল ও ফল ধারণ জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর মাসে। বীজ বা মূলীয় সাকার দ্বারা বংশ বিস্তার। আরো পড়ুন

গোলাপ ফুলের জাতগুলো চাষের জন্য কলম চারা তৈরি ও পরিচর্যা পদ্ধতি

বাঁধা গোলাপ

বর্তমানে উদ্যানবিদগণের আপ্রাণ ও আন্তরিক গবেষণার ফলে উন্নত জাতের বহুরকমের নূতন নূতন গোলাপ আবিষ্কৃত হইয়াছে এবং এইগুলি এখন আমাদের দেশের গোলাপ-প্রেমিকরা উদ্যানে চাষ করে বাগানের সৌন্দর্য ও শোভা বৃদ্ধি করছেন। প্রসঙ্গতঃ টি, নয়সেটি, বোরবো এবং ইহাদের অনেক সঙ্কর প্রজাতির নাম উল্লেখ করা যেতে পারে। এরা আমাদের দেশের আবহাওয়া ও মাটিতে সুন্দরভাবে জন্ম নিতে পারে ও সুন্দর বড় আকারের সুগন্ধী ফুল দিতে পারে। পৃথিবীর নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলসমূহই গোলাপের আদি জন্মস্থান। আমাদের দেশে কতদিন পূর্বে গোলাপের চাষ আরম্ভ হয়েছে, তার সঠিক ইতিহাস নিরূপণ করা প্রায় অসম্ভব । এ দেশে বর্তমানে অসংখ্য উৎকৃষ্ট ও উন্নত জাতের সুগন্ধি গোলাপের আবাদ চলছে। আরো পড়ুন

রাজ নাগেশ্বর পাহাড়ি অঞ্চলের ভেষজ গুণ সম্পন্ন আলংকারিক উদ্ভিদ

রাজ নাগেশ্বর মধ্যম আকৃতির, সুদর্শন চিরহরিৎ বৃক্ষ। গাছটি প্রায় ১৮ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। বাকল লালাভ বাদামী রঙের ও মসৃণ। প্রায় ৬ মিমি পুরু এই বাকলে তরু অবস্থায় ক্ষীর লাল গঁদ যুক্ত হয়। তরুণ বিটপ অস্পষ্ট কোণাকার। পাতা সরল, প্রতিমুখ বা আবর্ত, দৈর্ঘ্য ১৫-২১ সেমি ও প্রস্থ ৫-৬ সেমি, দীর্ঘায়ত থেকে ভল্লাকার, সূক্ষ্মাগ্র, দৃঢ় চর্মবৎ। আরো পড়ুন

মিনজিরি দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ার দ্রুত বর্ধনশীল বাগানে চাষযোগ্য আলংকারিক বৃক্ষ

মিনজিরি

ভূমিকা: মিনজিরি (বৈজ্ঞানিক নাম: Senna siamea , ইংরেজি: Thailand Cassia, Kassod Tree) ফেবাসিস পরিবারের,  Senna গণের একটি এক প্রকারের বৃক্ষ। শরৎকালে মাঝারি আকারের এই বৃক্ষে থোকা থোকা হলুদ ফুলে ভরে যায়।  গাছটি ভঙ্গুর প্রকৃতির। বাগানের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য লাগানো হয়।[১] বৈজ্ঞানিক নাম: Senna siamea (Lamk.) Irwin & Barneby, Mem. N.Y. Bot. Gard. 35: 98 (1982). সমনাম: … Read more

দেবকাঞ্চন দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ার উদ্যানে চাষযোগ্য ভেষজ গুণ সম্পন্ন আলংকারিক ফুল

দেবকাঞ্চন

ভূমিকা: দেবকাঞ্চন (বৈজ্ঞানিক নাম: Bauhinia purpurea , ইংরেজি: Purple Bauhinia, Butterfly Tree,  amel’s Foot Tree, Purple Orchid Tree, Geranium Tree, Tree Bean) ফেবাসিস পরিবারের,  ফানেরা গণের একটি এক প্রকারের বৃক্ষ। রক্তকাঞ্চনের চেয়ে এই গাছের আকার বড়। এটি ভারতীয় প্রজাতি। মাঝারি আকৃতির পত্রমোচক, প্রায় গোলাকৃতির এই গাছের বেগুনী রঙের ফুল ফোটে।[১] বৈজ্ঞানিক নাম: Bauhinia purpurea L., … Read more

ঝুমকা লতা গ্রীষ্মাঞ্চলের ভেষজ গুণে ভরা ও শোভাবর্ধক বিরুৎ

ঝুমকা লতা

সম্ভবত দক্ষিণ আমেরিকা থেকে উৎপন্ন, বর্তমানে ইহার চাষ হয় এবং প্রায়শই অধিকাংশ গ্রীষ্ম প্রধান দেশে দেশ্যভূত। বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলে ইহা বুনো পরিবেশে পাওয়া যায়। আরো পড়ুন

কুঞ্জলতা বা তরুলতা বা গেইটফুল বাগান ও টবে চাষযোগ্য লতা

কুঞ্জলতা

তরুলতা বা কুঞ্জলতা, গেইটফুল  (বৈজ্ঞানিক নাম: Ipomoea quamoclit, ইংরেজি নাম: Cypress Vine, Cardinal Vine, Star Glory) হচ্ছে কুয়ামোক্লিট পরিবারে Ipomoea গণের সপুষ্পক লতা। আরো পড়ুন

রক্তকাঞ্চন এশিয়ার সুন্দর, মিষ্টি গন্ধযুক্ত ও ভেষজ গুণে ভরা ফুল গাছ

রক্তকাঞ্চন

রক্ত কাঞ্চন মাঝারি আকৃতির পর্ণমোচী বৃক্ষ। এর দেহকান্ড খাটো, বাকল মসৃণ, অনুদৈর্ঘ্য ফাটলযুক্ত তরুণ কান্ড কোমল রোমশ। পাতা সরল, একান্তর, সবৃন্তক, বৃন্ত ২.০-৩.৮ সেমি। লম্বা, ফলক ৪.৫-১৫.০ সেমি লম্বা, দৈর্ঘ্য প্রস্থ সমান বা প্রস্থ অপেক্ষা বড়, মধ্যভাগ কাটা, শীর্ষ থেকে নিচের দিকে খন্ড স্থূলা, মূলীয় অংশ অতিশয় হৃদপিন্ডাকৃতি, অর্ধচর্মবৎ, বিশেষ করে অঙ্কীয় পৃষ্ঠের শিরাসমূহ তরুণ অস্থায় ধূসর চকচকে ও রোমশ পুষ্পবিন্যাস রেসিম। পুষ্পবিন্যাস শীর্ষীয় বা অক্ষীয় স্বল্প পুষ্প বিশিষ্ট রেসিম। আরো পড়ুন

শিউলির চাষ, পরিচর্যা ও ফুল সংগ্রহের নানাবিধ পদ্ধতি

শিউলি

সুগন্ধি ফুলের মধ্যে শিউলি জাতীয় ফুলগুলি অন্যতম। সুমিষ্ট গন্ধের জন্য এই জাতীয় ফুলের আদর বেশি। শিউলি ফুলের পাপড়ি হতে সুগন্ধি তৈল নিষ্কাশন করে বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রীতে ব্যবহার করা হয়। এছাড়া নানা রোগ সারাতে এই গাছের বিভিন্ন অংশ ব্যবহার করা হয়। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে শিউলি ফুলের চাষ খুব লাভজনক। অবাধ সূর্যালোক পায় এমন উঁচু পলি-দো-আঁশ মাটি শিউলি ফুলের চাষের জন্য সর্বোৎকৃষ্ট। যথাসময়ে সারপ্রয়োগ, জলসেচন ও গাছ ছাঁটাই -এর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রাখিলে লাভজনকভাবে এই ফুল উৎপাদন করা যায় । আরো পড়ুন

গন্ধরাজ মৌসুমি ঋতুর ফুলের মধ্যে জনপ্রিয়: এর চাষ, পরিচর্যা ও ফুল সংগ্রহ পদ্ধতি

গন্ধরাজ

সুগন্ধি ফুলের মধ্যে গন্ধরাজ জাতীয় ফুলগুলি অন্যতম। ইহাদের মৃদুমন্দ সুমিষ্ট গন্ধের জন্য এই জাতীয় ফুলের কদর বেশি। গন্ধরাজ ফুলের পাপড়ি হতে সুগন্ধি তৈল নিষ্কাশন করে বিভিন্ন প্রসাধনী সামগ্রীতে ব্যবহার করা হয়। সেই জন্য, বাণিজ্যিক ভিত্তিতে গন্ধরাজ ফুলের চাষ খুব লাভজনক। এক হেক্টর জমিতে গন্ধরাজ ফুল চাষের জন্য খরচ পড়ে প্রায় ১০,০০০ টাকা, কিন্তু নিট আয় হয় প্রায় ২০ হাজারের মতো। গন্ধরাজ ফুলের বিভিন্ন প্রজাতির চাষ করা হয়। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!