পপি ফুলের মোসুমী চাষ, পরিচর্যা ও সংরক্ষণের পদ্ধতি

পপি

পপি অতীব সুন্দর শীতকালীন ফুল যে ফুলে মধু নেই। পপি মানে পোস্ত ফুল। মৌমাছি এই ফুলের আকর্ষণে ছুটে আসে এবং ফুলের অসংখ্য পরাগ গ্রহণ করে। পরাগায়নে সাহায্য করে থাকে। পপি ফুলের সৌন্দর্যে আলোকিত হয়ে ওঠে। সমতল অঞ্চলে অক্টোবর মাসে ও পার্বত্য অঞ্চলে মার্চ মাসে পপির বীজ স্থায়ী জমিতে বপন করতে হয়। কারণ চারা তৈরি করে তুলে লাগানোর সময় চারা মারা যেতে পারে। হালকা বেলে এবং দো-আঁশ মাটি পপি চাষের উপযোগী। আরো পড়ুন

শীত ও গ্রীষ্ম মৌসুমের কষ্ট সহিষ্ণু আলংকারিক ফুল কসমস-এর চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

কসমস

কসমস শীত ও গ্রীষ্ম উভয় মৌসুমেই চাষ করা যায়, তবে শীত ঋতুতেই ভালো ফুল হয়। এই ফুলের গাছ খুব কষ্ট সহিষ্ণু এবং আর্দ্রতাযুক্ত মাঝারি ধরনের বেলে-দো-আঁশ বা বেলে মাটিতে ভালো জন্মে। সমতল ভূমির অঞ্চলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে এবং পার্বত্য অঞ্চলে আগস্ট ও মার্চ মাসে এর বীজ বপন করা হয়। এই ফুল কেয়ারী বা জমিতে এবং টপে চাষ করা যায়। আরো পড়ুন

শীত মৌসুমে বাহারি রঙের কারনেশন ফুলের বাণিজ্যিক চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

কারনেশন

আকারে, রঙয়ে, বর্ণে গোলাপের পরই কারনেশনের স্থান। ফুলগুলো দেখতে অনেকটা গোলাপ ফুলের মতো। এদের লবঙ্গের মতো গন্ধ আছে। লম্বা ডাটা থাকাতে এ ফুলটি ফুলদানিতে সাজানোর জন্য খুব উপযোগী। কারনেশনের বিভিন্ন জাত রয়েছে। এর মধ্যে মার্গারেট, পার্পিচুয়াল ও বর্ডার কারনেশন এ তিনটি জাতের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আরো পড়ুন

শীত মৌসুমের জনপ্রিয় ফুল গাঁদার বাণিজ্যিক চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

গাঁদা

গাঁদা একটি শীতকালীন মৌসুমি ফুল। গাছ থেকে উঠানোর পর এ ফুল দীর্ঘ সময় ধরে সজীব থাকে। বিধায় কাটা ফুল হিসেবে এর চাহিদা প্রচুর। এ ফুলের অনেক ভেষজ গুণাবলী রয়েছে। শরীরের কাটা ছিড়ায় পাতার রস রক্ত বন্ধ করে এবং ক্ষত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে। গাঁদার আদি নিবাস হলো মেক্সিকোতে। ইউরোপ হয়ে এটি আমাদের দেশে এসেছে। আরো পড়ুন

শীত মৌসুমের ফুল ডায়ান্থাস বা পিকের চাষাবাদ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

ডায়ান্থাস

ডায়ান্থাস নামে এই সুন্দর ফুলটি বহুবর্ষজীবী হলেও শীতের মৌসুমী ফুল হিসেবেই আমাদের দেশে এর চাষ হয়ে থাকে। ডায়ান্থাস বা পিক ফুল দেখতে অনেকটা কারনেশনের মতো। চাষ পদ্ধতি সহজ, আমাদের দেশের আবহাওয়ায় সচ্ছিদ্র উর্বর দো-আঁশ মাটি এর চাষে বেশ উপযোগী। আরো পড়ুন

জিনিয়া ফুলের বানিজ্যিকভাবে চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

জিনিয়া

মৌসুমী ফুলের মধ্যে জিনিয়া সকলের নিকটই পরিচিত। দো-আঁশ বা বেলে দোআঁশ উর্বর উচু ও রোদযুক্ত জমিতে বা টবে জিনিয়ার চাষ করা যায়। জিনিয়ারকে চাষ সুবিধা বিচারে শীতকালীন ফুল ধরা হলেও উভয় ঋতুতেই এর চাষ হয়ে থাকে। বর্ষাকালে অধিক বৃষ্টিতে পাতা কুকড়ে যায় এবং ফুল ছোট হয়। কিন্তু শীতকালে এ সমস্যা থাকেনা। কোনো জায়গায় একবার জিনিয়ার চাষ করা হলে এমনিতে সেখানে পরবর্তীতে বীজ পড়ে চারা উৎপন্ন হয়ে থাকে। সমতল ও পার্বত্য অঞ্চলে জুন মাসের মাঝামাঝি এবং টবে বা গামলায় অক্টোবর মাসে বীজ বপন করতে হয়। আরো পড়ুন

বহুবর্ষজীবী একুইলেজিয়া ফুলের বাণিজ্যিকভাবে চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

একুইলেজিয়া

শীতকালের মৌসুমী ফুলের মধ্যে বিচিত্র বর্ণের সুন্দর ফুল ও আকর্ষণীয় পাতার জন্য ইহার কদর অনেক বেশি। বহুবর্ষজীবী হলেও মৌসুমী ফুল হিসেবে বাগানে রোপন করা হয় । গাছের উচ্চতা ৬০-১০০ সেঃ মিঃ হয়ে থাকে, বেশ কষ্টসহিষ্ণু এবং বর্ডারে লাগানোর উপযোগী। হালকা উর্বর দো-আঁশ মাটি একুইলেজিয়া ফুল চাষের বিশেষ উপযোগী। আরো পড়ুন

শীতকালীন মৌসুমী ফুল তারাফুল বা স্টার ফ্লাওয়ারের চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

এস্টার-বা-তারাফুল

তারাফুল আমাদের দেশে শীতকালে চাষোপযোগী একটি সুন্দর ফুল। তারাফুল দেখতে ছোট ও গোলাকার অনেকটা তারার মতো এবং নানা রঙ ও গড়নের হতে দেখা যায়। এই ফুলের বোটা লম্বা ও অনেকদিন প্রস্ফুটিত অবস্থায় থাকে বিধায় গৃহে ফুলদানী সাজাতে ভালো। সৌখিন ও ব্যবসায়ী উভয় ভাবেই চাষ হয়। টব ও জমি উভয় স্থানেই চাষ সম্ভব। আরো পড়ুন

শীতকালীন মৌসুমী ফুল এন্টিরিনামের বাণিজ্যিকভাবে চাষ ও পরিচর্যা পদ্ধতি

এন্টিরিনাম বহুবর্ষজীবী হলেও শীতকালীন মৌসুমী ফুল হিসেবে চাষ করা হয়। সমতল অঞ্চলে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর এবং পাহাড়ী অঞ্চলে ফেব্রুয়ারী ও মার্চ মাসে চাষ করা হয়। উচু দো-আঁশ উর্বর মাটি যেখানে জলাবদ্ধতার সম্ভাবনা নেই এমন জায়গা এফুল চাষের উপযোগী। আরো পড়ুন

বাণিজ্যিক পদ্ধতিতে শীতকালীন ফুল চন্দ্রমল্লিকার চাষ ও পরিচর্যা

তিনরঙা চন্দ্রমল্লিকা

শীতকালীন মৌসুমী ফুলের মধ্যে চন্দ্রমল্লিকা এদেশে বেশ সুপরিচিত ও সমাদৃত। বাগানের জন্যে অত্যন্ত উপযোগী এই ফুল জমিতে, টবে কিম্বা ছাদে সর্বত্রই চাষ করা যায়। চন্দ্রমল্লিকা সাধারণত: শীতকালে অগ্রহায়ণ মাস থেকে পৌষ মাস পর্যন্ত ফুটে থাকে। এই ফুলের আদিবাস সম্ভবত: জাপান ও চীনদেশ। চন্দ্রমল্লিকাকে লক্ষ্য করে জাপানীরা প্রতি বছর একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকেন। শীতকালে অগ্রহায়ণ মাস হতে পৌষ মাস চন্দ্রমল্লিকার গাছে ফুল ফোটে। খ্রিস্ট মাসের সময় এই ফুল ফোটে বিধায় ইহাকে ক্রিসেন্সিয়াস বলা হয়। এই ফুল টব ও জমি উভয় স্থানেই চাষ করা যায়। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!