কুকুরমুতা বা তাম্রচূড়া-এর গুণাগুণ ও উপকারিতার বর্ণনা

ইহা স্বাদে তিক্ত, ক্রিমিনাশক ও জ্বরনাশক। মল উষ্ণ, ঝাঁঝালো ও তিক্তরসান্বিত, বেদনানাশক, রক্তদষ্টিতে ও শ্বাসজনিতরোগে হিতকর ও মূত্রকারক। ঔষধাৰ্থ প্রয়োগ হয় পাতার রস মরিচ সহযোগে রক্তার্শে খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়, তাছাড়া এর রস রক্তরোধক হিসেবেও কাজ করে। মরিচসহ মূল সেবনে কলেরা রোগের নিবৃত্তি হয়ে থাকে। আরো পড়ুন

তরমুজ ও বীজের সাতটি ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

ফলের রস মধুর, শীতগুণসম্পন্ন, শক্তিদায়ক, মেদোকারক, কামোদ্দীপক, পিত্ত বৃদ্ধিকারক ও গুরুপাক। ঔষধার্থ প্রয়োগ হয় আয়ুর্বেদমতে পাতা তিক্তরস ও রক্তবর্ধক। কাঁচা ফল পাড়ুরোগে হিতকর। পাকা অবস্থায় এর রস স্বাদ, কফ-বাত প্রশমক, শেষ্মানিঃসারক, মূত্রকারক, ক্ষুধাবর্ধক, তৃষ্ণানিবারক ও রক্তের পক্ষে হিতকর।আরো পড়ুন

চিচিঙ্গা লতার ছয়টি ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

এটি রসবহস্রোতে কাজ করে। ইহা শীতল, ক্রিমিনাশক, বিরেচক ও বলকারক। এর ফল বিরেচনে ও ক্রিমির উপদ্রব নিবারণে হিতকর। ফিলিপাইনে এটিকে বমনকারক ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়া এটি বলকারক, তৃষ্ণা ও পিত্তের প্রশমক। কেউ কেউ এর বীজ ও মূল উদরাময়েও প্রয়োগ করে থাকেন। আরো পড়ুন

শন বা বন শন এর আটটি ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

পাতা স্বাদে তিক্ত-মধুর, উষ্ণবীর্য, বমনকারক ও কফ-বাত প্রশমক। বীজ শীতগুণসম্পন্ন, ধারক ও গরুরপাক। ঔষধাথে প্রয়োগ করা হওয় পাতা বেদনানাশক; বিরেচক ও গর্ভপাতকারী।আরো পড়ুন

বনঢুলি বা দুপুরমনি ফুল ও মূলের ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

দুপুরমনি

উষ্ণ, গরপাক, ত্রিদোষের প্রশমক, জ্বরনাশক ও পিচ্ছিল। ফল গুরুপাক ও কোষ্ঠবদ্ধতাকারক। চরকের মতে এটা সাপের বিষে হিতকর। সাঁওতালরা এর মূল অনেকক্ষেত্রে ঔষধার্থ ব্যবহার করে থাকে। ব্যবহার্য অংশ হচ্ছে ফুল ও মূল।আরো পড়ুন

বরবটি বীজ-এর নানাবিধ উপকারিতা ও প্রযোগ

বর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ, কাণ্ড মসৃণ, এতে কোন আকর্ষ (আকড়ি বা শুঁড়) থাকলেও কোন গাছে বেড়ায় অথবা মাচায় প্রসারিত হয়। পাতার গড়ন দেখতে অনেকটা আলকুশী লতাগাছের (Mucuna prurita) পাতার মত ত্রিপত্র বিশিষ্ট। পাতার ডাঁটা ও মুলকাণ্ডের সংযোগ থেকে নতুন কাণ্ডশাখা বাহির হয়, উক্ত কাণ্ডশাখা ও মূলকাণ্ড থেকে ফল ও শুটী হয়। আরো পড়ুন

মিষ্টি আলু ও লতা-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

লতানে উদ্ভিদ, মাটিতে গড়িয়ে গড়িয়ে এগিয়ে চলে, এর গাঁট থেকে মাটিতে শিকড় প্রবেশ করে এবং সেই শিকড় থেকেই মাটির নিচে আলু জন্মে। পাতার গঠন অনেকটা কলমী শাকের (Ipomoea reptans) পাতার মত, তবে আকারে কিছুটা বড়। গাছের ডগা ও পাতা ভাঙ্গলে দুধের মত আঠা বেরোয়। আরো পড়ুন

গোট বেগুন গুল্ম-এর দশটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

এর গাছ সাধারণতঃ ৫/৬ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। ফুল সাদা রঙের, ফল হয় থোকা থোকা সবুজ রঙের, পাকলে হলদে। ফুল ও ফল বৎসরের প্রায় সব সময়ই হয়ে থাকে। এর বীজকে বেগুন বা বৃহতীর বীজ থেকে পৃথক করা অসম্ভব। গুণাগুণের দিক থেকে এটি অনেকটা বৃহতীর (Solanum indicum) সমতুল্য। এটিও Solanaceae ফ্যামিলীর অন্তর্ভুক্ত গাছ।আরো পড়ুন

নুনে শাক-এর সাতটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

বড় জামুই গুল্ম হিমালয়ের ৫০০০ ফুট উচু পর্যন্ত স্থানে এবং ভারতের সর্বত্র অল্পবিস্তর জন্মে। সাধারণতঃ পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র পতিত জমিতে, খালের ধারে হয়ে থাকে। বর্ষজীবী রসাল গুল্ম। কাণ্ড ১০ থেকে ১২ ইঞ্চি হয়, কাণ্ড থেকে সরু, ছোট ছোট শাখা বেরোয়। সমগ্র কাণ্ড ও শাখা-প্রশাখা লালচে। আরো পড়ুন

তামাক-এর বহুবিধ ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

পাতা কাঁচা ও শুকনো উভয়ই, কাণ্ড ও বীজ ব্যবহার হয়। তবে ব্যবহারের সময় কিছু জিনিস খেয়াল রাখতে হবে (ক) এক বৎসরের বেশী পুরানো তামাক কিছুটা হীনগুণ হয়। (খ) ঔষধার্থে প্রয়োগের দুই-তিন দিন পূর্বে তাকে ভাল করে ধুয়ে, রৌদ্রে শুকিয়ে নিতে হবে এবং সেইটাই ব্যবহার করতে হবে।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!