দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে কৃষি প্রধান দেশ

দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র আফ্রিকা মহাদেশের প্রত্যন্ত দক্ষিণে অবস্থিত। এটি আয়তন (১২ লক্ষাধিক বর্গকিলোমিটার) ও জনসংখ্যা (৩ কোটি) উভয়তই একটি বৃহৎ পুঁজিবাদী দেশ। দেশের রাজধানী প্রিটোরিয়ার জনসংখ্যা ৬ লক্ষ। প্রাক্তন ব্রিটিশ উপনিবেশের ভিত্তিতে প্রজাতন্ত্রটি গঠিত। আরো পড়ুন

অস্ট্রেলিয়া খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ সাম্রাজ্যবাদী শিল্পন্নোত দেশ

অস্ট্রেলীয় কমনওয়েলথের অধিকাংশই দক্ষিণ গোলার্ধের উষ্ণ ও উপউষ্ণমণ্ডলে অবস্থিত। আয়তনের দিক থেকে দেশটি কানাডার প্রায় সমান হলেও এর জনসংখ্যা কানাডার চেয়ে কম। শিল্পোৎপাদনের পরিমাণ হিসাবে পুঁজিবাদী বিশ্বে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম সারির দশটি দেশের অন্যতম। আরো পড়ুন

কানাডা পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী শোষণমূলক লুটেরা গণবিরোধী প্রজাতন্ত্র

কানাডা ও অস্ট্রেলীয় কমনওয়েলথর অন্তর্ভুক্ত। হাজার হাজার কিলোমিটারের ব্যবধান সত্ত্বেও উত্তর গোলার্ধের কানাডা এবং দক্ষিণ গোলার্ধের অস্ট্রেলীয় কমনওয়েলথ ইতিহাস, অর্থনীতি ও সংস্কৃতির দিক থেকে বহুলাংশে অভিন্ন। কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া এই উভয় দেশই প্রাক্তন ব্রিটিশ উপনিবেশ এবং বহিরাগত ইউরোপীয়রাই এগুলির উন্নতি ও জনসংখ্যা গঠন করেছে। আজও দেশদুটি ব্রিটেনের প্রাক্তন উপনিবেশ নিয়ে গঠিত কমনওয়েলথের সদস্য। আরো পড়ুন

জাপান এশিয়ার উন্নত পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসী শোষণমূলক গণনিপিড়ক রাষ্ট্র

জাপান প্রাচ্যের উন্নততর পুঁজিবাদী দেশ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়ের ফলে জাপানের অর্থনীতি বহু বছর পিছিয়ে পড়ে এবং পুঁজিবাদী বিশ্বের উৎপাদনে তার অংশভাগ প্রায় চার গুণ হ্রাস পায়। অতঃপর জাপানের অর্থনীতিতে ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয় এবং শিল্পোৎপাদনের হারে সে সকল পুঁজিবাদী দেশকে অতিক্রম করে যায়। ১৯৬৯ সালে মোট জাতীয় উৎপাদের পরিমাণের দিক থেকে সে পুঁজিবাদী বিশ্বে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে এবং শুধু পশ্চিম জার্মানিকেই নয়, সুইডেন, ব্রিটেন, ফ্রান্স এবং ইতালিকেও হটিয়ে দেয়। আরো পড়ুন

গ্রিস দক্ষিণপূর্ব ইউরোপে অবস্থিত পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যবাদী গণনিপীড়ক শোষণমূলক রাষ্ট্র

বলকান উপদ্বীপের দক্ষিণে ও অদূরবর্তী দ্বীপগুলিতে অবস্থিত গ্রীস আয়তনের (প্রায় ১ লক্ষ ৩২ হাজার বর্গকিলোমিটার) দিক থেকে পর্তুগালের চেয়ে বৃহত্তর হলেও জনসংখ্যা (৯০ লক্ষ) ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের মানের হিসাবে এর চেয়ে নিম্নপর্যায়ে অবস্থিত। গ্রীস মাক্ষিক, কয়লা, লিগনাইট, অ্যাজবেসটস, নিকেল, টিন, দস্তা, ক্রোমিয়াম, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ আকরিকের সমৃদ্ধ খনির অধিকারী। উষ্ণ ভূমধ্যসাগরধৌত দেশের উপ-উষ্ণমণ্ডলীয় জলবায়ু, কৃষির নিবিড় চাষভিত্তিক শাখা উন্নয়নের বিশেষ অনুকূল। আরো পড়ুন

পর্তুগাল শিল্পসমৃদ্ধ ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী দেশ

আইবেরীয় উপদ্বীপের আটলান্টিক তীরবর্তী পশ্চিম ভাগে অবস্থিত পোর্তুগাল অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র দেশ। তার আয়তন ১০ হাজারের বর্গকিলোমিটারের সামান্য বেশি, জনসংখ্যা প্রায় এক কোটি। অর্ধশতক ধরে এটি প্রতিক্রিয়াশীল বুর্জোয়া চক্র, বড় জমিদার ও সামরিক আমলাতান্ত্রিক চক্র দ্বারা সমর্থিত ফাশিস্ট একনায়কত্বের শাসন সহ্য করেছে। ১৯৭৪ সালে জনসাধারণের সমর্থনে সৈন্যবাহিনীর আন্দোলন ফাশিস্ট শাসক গোষ্ঠীকে উৎখাত করে। পর্তুগালের বিপ্লব দেশে রাষ্ট্রীয় একচেটিয়ার বিলোপ ঘটিয়েছে, একচেটিয়া পুঁজির উপর প্রবল আঘাত হেনেছে, কল-কারখানা মেহনতিদের নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং কৃষিসংস্কারের সচনা করেছে। আরো পড়ুন

স্পেন শিল্প ও কৃষিসমৃদ্ধ ইউরোপের সাম্রাজ্যবাদী দেশ

দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপের চার-পঞ্চমাংশের বেশি এলাকাই স্পেনের অন্তর্ভুক্ত। এই বিশাল দেশটি লোহা, তামা, সীসা, দস্তা, টাংস্টেন, ইউরেনিয়াম ও অন্যান্য আকরিকসমৃদ্ধ। তার পারদ মজুদের পরিমাণ পুজিবাদী বিশ্বের মধ্যে বহত্তম। আরো পড়ুন

অস্ট্রিয়া উন্নত শিল্পসমৃদ্ধ ইউরোপের ক্ষুদ্র পার্বত্য দেশ

অস্ট্রিয়া প্রতিবেশী সুইজারল্যান্ডের মতোই একটি ক্ষুদ্র পার্বত্য দেশ। এটি পুর্ব আলপসের অন্তর্গত এবং ডানিয়ুব নদীর উচ্চ অববাহিকায় অবস্থিত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির পতনের ফলে জার্মানির অঙ্গ-রাজ্য থেকে অস্ট্রিয়া মুক্তিলাভ করে এবং তার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ঘটে। ১৯৫৫ সাল থেকেই অস্ট্রিয়া স্থায়ী নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করছে এবং এটি তার জাতীয় অর্থনীতি ও সংস্কৃতির বিকাশ নিশ্চিত করেছে। আরো পড়ুন

সুইজারল্যান্ড ইউরোপীয় উন্নত শিল্প নির্ভর পুঁজিবাদী দেশ

সুইজারল্যান্ড স্থায়ী নিরপেক্ষ দেশ ঘোষিত হওয়ার পর দেড় শতাধিক বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। এই নীতিপালন আলপস পর্বতবর্তী এই দেশের অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের পক্ষে বহুলাংশে সহায়ক ছিল। ট্রান্স-আলপসীয় রেলপথ ও সড়ক এবং রাইন নদীর মাধ্যমে সুইজারল্যাণ্ড পশ্চিম ইউরোপীয় দেশগুলির সঙ্গে যুক্ত। আরো পড়ুন

লুক্সেমবুর্গ ইউরোপের ইস্পাত উৎপাদনকারী শিল্পোন্নত ক্ষুদ্র দেশ

লুক্সেমবুর্গ একটি ক্ষুদ্র মধ্য ইউরোপীয় দেশ। এর আয়তন ২৬০০ বর্গকিলোমিটার, জনসংখ্যা ৩ লক্ষ ৬০ হাজার এবং তন্মধ্যে ৮০ হাজারই রাজধানী লুক্সেমবুর্গের বাসিন্দা। লুক্সেমবুর্গ ইউরো অঞ্চল ভুক্ত একটি দেশ; তাই এখানকার প্রচলিত মুদ্রা নাম হলো ইউরো। । তবে এই দেশের মাথাপিছু জাতীয় আয়ের হিসেবে এটি পৃথিবীর অন্যতম ধনী একটি দেশ: লুক্সেমবুর্গের মাথাপিছু আয় বাৎসরিক প্রায় ৮৮ হাজার মার্কিন ডলার। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!