ভূমিকা: বানগারুস (বৈজ্ঞানিক নাম: Bungarus) এলাপিডি পরিবারের দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সাপের একটি গণ। এদেরকে বাংলায় শঙ্খিনী, কেউটে ও গোখরো (ইংরেজি: kraits) বলেও ডাকা হয়। । বাংলাদেশের সাপের তালিকায় বাংলাদেশে রয়েছে এই গণের প্রজাতি পাঁচটি যথা ১. পাতি কাল কেউটে, Common Krait, Bungarus caeruleus, ২. ডোরা কাল কেউটে, Banded Krait, Bungarus fasciatus, ৩. ছোট কাল কেউটে, Lesser Black Krait, Bungarus lividus, ৪. কালা কাল কেউটে, Black Krait, Bungarus niger, এবং. ওয়ালের কাল কেউটে, Wall’s Krait, Bungarus walli.
বানগারুস গণের প্রজাতিগুলোর ম্যাক্সিলারি অস্থি সামনের দিকে বর্ধিত নয়, প্যালাটাইন-এর পিছনে অবস্থিত। ২-৮টি বিষদাঁত থাকে। লােরিয়াল অনুপস্থিত, পিউপিল গােলাকার। আঁইশ মসৃণ, ১৩-১৯ সারিতে সাজানাে থাকে। নি-পুচ্ছের আঁইশ ১টি বা জোড়া থাকে (Smith, 1943)। শিরদাড় বরাবর আঁইশ বড়, দেহের পার্শ্বদেশের আঁইশের তুলনায় বড় (ব্যতিক্রম B. lividus)। এই গােত্রের সকল সাপ তীব্র বিষধর।
পৃথিবীতে এই গণে ১৫টি প্রজাতি এবং বাংলাদেশে এই গণে ৫টি প্রজাতি আছে। বাংলাদেশে প্রাপ্ত এই গণের প্রজাতি পাঁচটি হচ্ছে ১. পাতি কাল কেউটে, ২. ডোরা কাল কেউটে, ৩. ছোট কাল কেউটে, ৪. কালা কাল কেউটে এবং. ওয়ালের কাল কেউটে।
ছবির ইতিহাস: এই গণের প্রজাতি কাল কেউটের ছবি চিত্রে ব্যবহৃত হয়েছে।
তথ্যসূত্র:
১. জিয়া উদ্দিন আহমেদ (প্রধান সম্পা.), বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ: উভচর প্রাণী ও সরীসৃপ, খণ্ড: ২৫ (ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ২০০৯), পৃ. ১৬৫।
অনুপ সাদি বাংলাদেশের একজন লেখক, কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও চিন্তাবিদ। তাঁর প্রথম কবিতার বই পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১৭টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর সমাজতন্ত্র ও মার্কসবাদ গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। তিনি ১৬ জুন, ১৯৭৭ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পোখরা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন এবং পোখরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন।