আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > প্রাণ > উদ্ভিদ > লতা > পটল লতার পনেরোটি ভেষজ গুণ ও প্রযোগ পদ্ধতি

পটল লতার পনেরোটি ভেষজ গুণ ও প্রযোগ পদ্ধতি

ভূমিকা: পটল বা পটোল লতা গাছটির বোটানিক্যাল নাম Trichosanthes dioica Roxb, এটি কিউকারবিটাসি পরিবারের একটি লতানো গাছ। পটোলকে বলা হয় তিনটি ত্রিদোষের প্রতিকারক। এটি দেহের তিন ধরণের সমস্যার সমাধানে আয়ুর্বেদে ব্যবহার করা হয়। বায়ু, পিত্ত ও কফ এই অসুখে ব্যবহৃত হয়।[১] 

আমরা যে পটোল খাই তা সাধারণত দু ধরনের— তেতো পটোল ও বাজারের যে পটোল পাওয়া যায় সেই পটোল বা মিষ্টি পটোল। পিত্ত থেকে যে জ্বর হয়, সাধারণ জ্বর পিলের অসুখ, উদরোগ, বাত, হাত পা ফুলে ওঠা ইত্যাদি অসুখে পটোল খেলে উপকার পাওয়া যায়। এই সব অসুখে পটোল খেলে পেট পরিষ্কার হয়ে গিয়ে পাচনশক্তি অর্থাৎ হজম শক্তির উন্নতি হয়। জনডিস বা পাণ্ডুরোগে পটোল পথ্য। কৃমিরোগের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। শরীরের বল ও কামশক্তি বর্ধক। চোখের পক্ষেও ভাল।[২]

উপযোগিতা

চরকে এই বনৌষধিটির ব্যবহার করার ক্ষেত্র রক্তপিত্তে (Haemoptysis), শোথে, মদ্যপানের জন্য বিভিন্ন পিত্তবিকৃতিজনিত রোগে, সর্বপ্রকার বিষদোষে, পিত্তশ্লেষ্মাজনিত জ্বরে। তবে এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকের ব্যবস্থা মতো ব্যবহার করাই শ্রেয়।

আরো পড়ুন: পটল উষ্ণমন্ডলীয় অঞ্চলের বর্ষজীবী আরোহী বীরুৎ

অম্লপিত্ত রোগে পটল: বাঙালি সমাজে আরও একটি কথা প্রচলিত আছে যে, ‘মুড়ি আর ভুড়ি সব রোগের গুড়ি’, অর্থাৎ রোগের উৎস মাথা ও পেট। আমার ধারণা শেষোক্ত স্থানটি প্রায় রোগেরই মূল ক্ষেত্র। আহার্য গ্রহণের পর পিত্তক্ষরণের অসমতা সৃষ্টিতে অম্লপিত্ত রোগের উদ্ভব হয়। অসম বা অতিরিক্ত আহার্য দ্রব্য গ্রহণ জন্যও এই অসমতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই অম্লপিত্ত রোগকে আমরা চলতি কথায় ‘অম্ল রোগ’ বলে থাকি। পালিভাষায় ‘অম্বিল’ এবং মারাঠী ভাষাতেও ‘অম্বি’ রোগগ্রস্ত ব্যক্তির আহার্য থেকে আহৃত রসে সৃষ্ট রক্তাদি ধাতুর (রস, রক্ত, মাংস, মেদ, অস্থি, মজ্জা, শুক্র ইত্যাদি) পোষণের দ্বারা দেহধর্ম প্রতিপালিত হয়। সুতরাং মূলে গলদ থাকায় যেকোনো প্রকার Constitutional রোগ আসাটা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক এবং বহু রোগ আসেও; সেই জন্যই সর্বাগ্রে প্রয়োজন এই অম্ল রোগকে প্রশমিত করা। পলতা সে ক্ষেত্রে বিশেষ উপযোগী।

আরো পড়ুন:  ফুটি বা বাঙ্গি বা বাঙ্গী বা বাঙির কয়েকটি বহুমুখী ঔষধি গুনাগুণ

ব্যবহারবিধি

কাঁচা ডাঁটা ও পাতা আন্দাজ ৪ থেকে ৫ গ্রাম থেতো করে গরম জলে (আধকাপ) ভিজিয়ে বা সিদ্ধ করে আধ কাপ রেখে সকালে খালি পেটে খেতে হয়। দান্ত পরিষ্কার না থাকলে  সঙ্গে একটি হরিতকীর শাঁস (বীজ বাদ) দেওয়া ভাল কোনো কোনো প্রাচীন বৈদ্য এই পলতার সঙ্গে ২ থেকে ১ গ্রাম ধনেও (যেটা আমরা তরকারীতে বেটে দিই) দিয়ে থাকেন। পলতা শুকিয়ে গেলেও চলবে, তবে পাতা ৩ থেকে ৪টি ও ডাঁটা ৫ থেকে ৬ ইঞ্চির বেশি নয়।

যাঁরা কোনো দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত, তাদের পূর্ব ইতিহাস নিলে দেখা যায়, দুই তিন টুকরো শুকনা আমলকীও রাত্রে ১ গ্লাস গরম জলে ভিজিয়ে রেখে পরদিন মধ্যাহ্নে আহারের সময় জল হিসেবে ঐ জলটা খেতে হয়। এক্ষেত্রে কাচের গ্লাস ব্যবহারই শ্রেয়। এইভাবে পটল ও আমলকী ভিজানো জল খেলে এ রোগ নিশ্চিত প্রশমিত হবে।

যাঁরা কোনো দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত, তাদের পূর্ব ইতিহাস নিলে দেখা যায়, তাদের অধিকাংশেরই এই অম্লপিত্ত রোগের জের ছিল। সুতরাং কোনো কঠিন রোগের হাত থেকে অব্যাহতি পেতে গেলে এই অম্লরোগকে প্রতিহত করা বিশেষ প্রয়োজন; এমনকি যাঁরা ব্লাডপ্রেসারে ভুগছেন, এগুলি ব্যবহার করলে তাঁদেরও কিছু উপশম হবে।

আয়ুর্বেদিক ব্যবহার:

১. শিশুর দুধ তোলায়: পাতার আকসী বা আকর্ষণী (যেগুলির দ্বারা ধরে সে লতিয়ে ওঠে) ২ বা ৩টি দুধের সঙ্গে বেটে শিশুকে প্রত্যহ ১ বার সকালের দিকে খাওয়াতে হবে, তবে স্তন্যদুগ্ধ হলে ভালো হয়।

বসন্তের মামড়ি শুকিয়ে গিয়েও পড়ছে না, আর পড়ে গেলেও কালো দাগ থাকছে সেখানে পটোল পুড়িয়ে তার রস গায়ে মাখালে মামড়িগুলি পড়েও যাবে, কালো দাগও থাকবে না।

২. ফোঁড়ায়:  না পাকা না কাঁচা অবস্থা, যাকে বলা হয় দরকচা, এক্ষেত্রে পোড়া পটোলের শাঁস ন্যাকড়ায় লাগিয়ে ফোঁড়ার উপর বসিয়ে দিলে ওটা পেকে ফেটে যাবে। পটোল খেলে ত্বকের রোগেও লাভ হয়। তেতো পটোল ও তেতো নিমের পাতার ক্বাথ ফোঁড়ায় লাগিয়ে ধুয়ে নিলে ফোড়া তাড়াতাড়ি সেরে যায়।

৩. জ্বর ও অন্যান্য অসুখে: হাতে-পায়ে জ্বালা, মাথায় যন্ত্রণা, গা বমি অথবা বমি করার ইচ্ছা এক্ষেত্রে খোসা ছাড়ানো পটোল চুলা বা উনুনে সেকে সেটা রস করে ২ থেকে ৫ ফোঁটা মধু, মিশিয়ে খাওয়ালে এ সব উপদ্রবই থেমে যাবে।

আবার ছোট ছোট টুকরো করে কেটে নিংড়ে তেতো রস বের করে নিয়ে করলার মতো তরকারি রান্না করা যায়। এইভাবে রান্না করা তরকারি খেলে জ্বর সেরে যায় অর্থাৎ তেতো পটোল জ্বরনাশক। তেতো পটোলের পলতা পাতারও এই গুণ আছে। পলতা পাতা জ্বর সারায়।

তেতো পটোলের সঙ্গে বচ ও চিরতা (কবিরাজি দোকানে পাওয়া যায়) মিশিয়ে ঘন ঝোল তৈরি করে সব রকম জ্বরে খাওয়ানো যেতে পারে। জ্বরের সঙ্গে যদি কোষ্ঠকাঠিন্য হয় তাহলে এই ক্বাথ খেলে বেশি উপকার হবে। কোষ্ঠ সাফ হয়ে যাবে এবং জ্বর সারবে।

সাধারণ পটোলের পলতা পাতা ও ডাঁটার শুকনো আদা গুঁড়ো দিয়ে ক্বাথ তৈরি করে মধু মিশিয়ে সকাল সন্ধে খেলে, কফের জন্যে যে জ্বর হয় তা সারে। বুকের জমা কফ সরল হয়ে বেরিয়ে যায়। আমাশার আম সৃষ্টি বন্ধ হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ে শরীর হালকা হয়ে যায়।

. নখ ছিঁড়ে গেলে: নখ ছিঁড়ে চলে গিয়েছে, বিষিয়ে আঙ্গুল হাড়ার মতো অবস্থা এক্ষেত্রে খোসাসহ পটোল সেকে খানিকটা কেটে বীজশূন্য করে আঙ্গুলটা পরে রাখুন। ব্যাথা সেরে যাবে।

৫. মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে: যাঁদের মুখের ভিতর হেজে গিয়ে দুর্গন্ধ হয় সেক্ষেত্রে পটোল পোড়র রস ও মধু অথবা তিল তেল মিশিয়ে কবল ধারণ করতে হবে অর্থাৎ মুখে খানিকক্ষণ পুরে রেখে ফেলে দিতে হবে। এটাতে ঐ অসুবিধে চলে যাবে।

. হজম শক্তি বাড়াতে: পটোলের তরকারি খেলে হজম করবার ক্ষমতা বেড়ে যায়। সাধারণ পটোল সহজে হজম হয় এবং অন্য খাবার হজমে সাহায্য করে। হার্টের পক্ষে ভাল, লঘুপাক, খিদে বাড়ায়, শরীর স্নিগ্ধ করে অথচ গরম। কাশি, রক্তবিকার, শ্লেষ্ম বাত ও পিত্ত, জ্বর ও কৃমি সারিয়ে তোলে।

এছাড়াও তেতো পটোলের ক্বাথ উদররোগী, প্লীহার রোগ এবং অন্যান্য উদররোগে খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়।

৭. কাশি ও অন্যান্য অসুখে: কাশি ও রক্তের দোষ অর্থাৎ রক্তবিকার সারে পটোল। তেতো পটোল গরম হলেও রক্তপিত্ত অর্থাৎ পিত্তের রোগ, বায়ু, কফ, কাশি, চুলকুনি, কুষ্ঠরোগ, রক্তবিকার অর্থাৎ রক্তের দোষ, জ্বর ও শরীর জ্বালা করা সারায়। এইসব রোগে তেতো পটোলের শাঁস শুকিয়ে গুঁড়া করে একটু এলাচ দালচিনি ও লবঙ্গের গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে। লতার ডাঁটাও কফনাশক।

নিম পাতা ও পলতার জুস (স্যুপ) পিত্ত থেকে যে শ্লেষ্মা হয় সেই রোগের পক্ষে খুব উপকারী।

. সাধারণ অসুস্থতায়: অসুস্থ ব্যক্তিদের পক্ষে পটোলের ঝোল, জুস বা স্যুপ তরকারি, পোড়া বা ভাতে পথ্য হিসেবে খুবই উপকারী। বিশেষ করে শুদ্ধ ঘি দিয়ে সাঁতলানো পটোলের তরকারি খুবই পুষ্টিকর। পলতা পাতা ও পলতার ডগা কোনো শক্ত অসুখের পরে খেলে দুর্বলতা দূর হয়। পলতা পাতা শরীরে বল বৃদ্ধি করে।

. পিত্তজ্বরে: তেতো পটোলের ক্বাথ তৈরি করে মধু মিশিয়ে খেলে পিত্তজ্বর সারে, তৃষ্ণা নিবারণ হয় আর শরীর জ্বালা করায় আরাম পাওয়া যায়। তেতো পটোলের শিকড় সেদ্ধ করে সেই জল চিনি মিশিয়ে খাওয়ালেও পিত্তজ্বরে উপকার হয়। তেতো পটোল আর ধনের ক্বাথও পিত্তজ্বরের ওষুধ হিসেবে খাওয়ানো হয়। জ্বরগ্রস্ত রোগীর শরীরে তেতো পলতা পাতার রস মালিশও করা যেতে পারে।

১০. বমি করাতে ও বিষে: নিম পাতা ও তেতো পটোল বেটে ঠাণ্ডা জলে গুলে খাওয়ালে বমি হয়ে যায় এবং এই বমির সঙ্গেই পিত্ত-বিকারের রোগীর সমস্ত বিকার দূর হয়ে যায়। তেতো পটোল পিষে সেই রস খাওয়ালে বমি হয়ে পেটের জমে থাকা বিষ বাইরে বেরিয়ে যায়।

তেতো পটোলের ক্বাথ খেলে শরীরের বিষ নেমে যায়। তেতো পটোল সব ধরনের বিষ নিবারণ করে।

১১. কৃমি রোগে: ১০ গ্রাম ওজনের তেতো পলতা, ১০ গ্রাম ধনে এক রাত এক কাপ জলে ভিজিয়ে রাখুন। সকালবেলা এই জল ছেকে নিয়ে মধু মিশিয়ে দিনে তিনবার খেলে সমস্ত কৃমি নাশ হবে। পলতা পাতা কৃমি নাশ করে।

১২. টাক মাথায়: এর রস মাথায় লাগালে টাক পড়া বন্ধ হয় ও মাথায় নতুন চুল গজায়। তেতো পটোলের পলতা পাতার রস টাকের পক্ষে উপকারী। পলতা পাতার রস মাথায় ঘষলে নতুন চুল গজায়।

১৩. পিত্তদোষে: পলতা পাতা পিত্তের রোগ সারায়। সাধারণ পটোল কফ বাত ও পিত্তের দোষ নাশ করে। তেতো পটোলের পাতা ঘিয়ে ভেজে খেলে রক্তপিত্ত (পিত্ত বিকারের ফলে দূষিত রক্ত) রোগ সারে।

পিত্তের জন্যে যদি জ্বর হয় তাহলে পলতা পাতা ও যবের ক্বাথ তৈরি করে তা ঠাণ্ডা হলে মধু মিশিয়ে খাওয়ালে রোগীর তৃষ্ণা দূর হয় ও শরীরের জ্বালা কমে যায়।

১৪. জোলাপে: কাঁচা পটোলের রস খেলে মৃদু জোলাপের কাজ হয়। শরীর শীতল থাকে। অনেক চিকিৎসকের মতে পটোলের মূল বা শিকড় কড়া ধরনের জোলাপের কাজ করে। পটোল লতার মূল জোলাপ দেওয়ার কাজে লাগে।

১৫. শোথ রোগে: শোথ রোগে (জল জমার জন্যে শরীর ফোলা রোগে- Dropsy) উপকারী।

কবিরাজি মতে পটোলের গুণ ও পলতা পাতার গুণ: সাধারণ ভাবে পটোল সম্পর্কে বলা যায় এর স্বাদ কটু তিক্ত ও মধুর। কবিরাজি ভাষায় গুণাবলী হল উষ্ণবীর্য, পাচক, হৃদ্য, বৃষ্য (বীর্যবর্ধক), লঘুপাক, অগ্নিবর্ধক, স্নিগ্ধ, সারক, রুচিকর, বাতহর, শুক্রবর্ধক, কণ্ড (চুলকুনি), কুষ্ঠ, ব্রণ, বিসর্প (চর্মরোগ এক ধরনের), জ্বর, দাহ, কৃমি, কফ, পিত্ত, রক্তদোষ, চক্ষুরোগের পক্ষে উপকারী ও ত্রিদোষ (বাত, পিত্ত, কফ) নাশক। পলতার গুণ হল কবিরাজী মতে পিত্তনাশক, অগ্নিবর্ধক (খিদে বাড়ায়), পাচক (খাবার হজম করায় তাড়াতাড়ি), লঘু, বৃষ্য (বীর্য বর্ধক), উষ্ণবীর্য (উত্তেজক), জ্বর, শোথ, কাশ, কৃমি ও বিষদোষ নাশক। পটোলের ডাঁটা শ্লেষ্মা দূর করে। তেতো পটোলের শাক উপকারী। পটোলের সুপ বা জুস বাতনাশক।

হাকিমি বা ইউনানি মতে: হাকিমি বা ইউনানি মতে পটোল খিদে বাড়ায়। হৃৎপিণ্ড ও পাকস্থলী সবল করে। কাশি, রক্তের দোষ, কফ ও পিত্তের দোষ ও জ্বর সারায়। ফোড়া, ফুস্কুড়ি সারিয়ে তোলে ও পেটের কৃমি নাশ করে। অর্শ ভাল করে, রতিবর্ধক ও কফের জন্যে শরীরে যে বিকারের সৃষ্টি হয় তা দূর করে। পলতা পাতার পাঁচন খেলে জ্বর সারে। পটোল গাছের মূল তিক্ত এবং বিরেচক অর্থাৎ জোলাপের কাজ করে। পটোলের ফুল ত্রিদোষ অথাৎ বাত কফ ও পিত্ত নাশক।

পটোলের মূলের বৈশিষ্ট্য: এই গাছের গুণের প্রসঙ্গে গ্রাম্য ছড়ায় শোনা যায় ‘বনে ছিলি পটোল রে! তোকে ঘরে আনলো কে। পায়ে পড়ি পটোল রে! কাছা খুলতে দে’। কথাটা আসলে পটোলের মূলের বিরেচক ক্রিয়াশালিতার আতিশয্য বর্ণনা। এই গাছের মূলগুলি স্বাদে তিক্ত ও মাংসল; শুকিয়ে গেলে ৩ মাসের পরে আর কার্যকর থাকে না, ঘুণে খেয়ে যায়। তবে তাকে বেশি দিন অবিকৃত রাখতে গেলে বাষ্পস্বেদ বা ভাপা দেওয়ার পর তাকে শুকিয়ে রাখতে হবে।

পটোলের রাসায়নিক গঠন:

(a) Saponin. (b) Hydrocarbons viz. pentriacontane. (c) Sterols viz. betasitosterol, gamasitosterol. (d) Glycoside. (e) Small amount of essential oil and (f) Traces of tannins.

সতর্কীকরণ: ঘরে প্রস্তুতকৃত যে কোনো ভেষজ ওষুধ নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করুন।

তথ্যসূত্রঃ

১. আয়ুর্বেদাচার্য শিবকালী ভট্টাচার্য, চিরঞ্জীব বনৌষধি খন্ড ১, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, প্রথম প্রকাশ ১৩৮৩, পৃষ্ঠা, ৩৫-৩৬।

২. সাধনা মুখোপাধ্যায়: সুস্থ থাকতে খাওয়া দাওয়ায় শাকসবজি মশলাপাতি, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, নতুন সংস্করণ ২০০৯-২০১০, পৃষ্ঠা,৮১-৮৪।

বি. দ্র: ব্যবহৃত ছবি উইকিমিডিয়া কমন্স থেকে নেওয়া হয়েছে। আলোকচিত্রীর নাম: Engr.Raju

Dolon Prova
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত প্রথম কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।

One thought on “পটল লতার পনেরোটি ভেষজ গুণ ও প্রযোগ পদ্ধতি

Leave a Reply

Top
You cannot copy content of this page