মারুয়া বা রাগি বহুবর্ষজীবী ভেষজ তৃণ

ভূমিকা: মারুয়া বা রাগি (বৈজ্ঞানিক নাম: Eleusine coracana) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ তৃণ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। মারুয়া বা রাগি-এর বর্ণনা: মারুয়া এক বা বহুবর্ষজীবী তৃণ। এদের কাণ্ড খাড়া বা উর্ধ্বগ, ৩০- ১০০ সেমি উঁচু, কোমল, সরল, রোমশবিহীন, মসৃণ, চাপা, পর্ব রোমশবিহীন। পত্রফলক রৈখিক, ১০-৮০ × ০.৩-১.০ সেমি, চ্যাপ্টা, সূক্ষাগ্র, গোড়া গোলাকার বা তাম্বুলাকার, … Read more

দেশি সির্খী দক্ষিণ এশিয়ার গুল্ম

ভূমিকা: দেশি সির্খী (বৈজ্ঞানিক নাম: Maesa indica) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। দেশি সির্খী-এর বর্ণনা: এটি গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ, বাকল গাঢ় ধূসর, রেজ (blaze) সবুজাভ। গাছের পাতা ৬-১৮ × ২.৫-৭.৫ সেমি, উপবৃত্তাকার- ভল্লাকার বা উপবৃত্তাকার-দীর্ঘায়ত, স্থুল দন্তর, অর্ধচর্মবৎ, মসৃণ, পার্শ্বশিরা অস্পষ্ট, মধ্যশিরার উভয়পাশে ৭-১৫টি, পত্রবৃন্ত ১.২-২.৫ সেমি লম্বা, খাঁজবিশিষ্ট। … Read more

শাল গাছ দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

একে সংস্কৃতে শাল, বাংলায় শাল, শাল গাছ, শাল কাঠ; হিন্দীতে শাল, দামার, সাখ, সাল; উড়িষ্যার অঞ্চল বিশেষে সব্ব, সেকওয়া; বোম্বাই অঞ্চলে রালধনা বলে। ইংরেজীতে এটিকে The Sal tree বলা হয়। এর বোটানিক্যাল নাম Shorea robusta Gaertn. f., পরিবার Dipterocarpaceae. শাল গাছ-এর বিবরণ: শাল গাছ সরল ও খুব লম্বা, এতে শাখা-প্রশাখা খুব কম হয়। ছোট গাছের … Read more

ছোট বান্দা দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম

ভূমিকা: ছোট বান্দা (বৈজ্ঞানিক নাম: Macrosolen cochinchinensis) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম । এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়।   ছোট বান্দা-এর বর্ণনা : অধিক শাখাযুক্ত পরজীবীয় গুল্ম, সম্পূর্ণ মসৃণ, পর্ব স্ফীত, উদ্ভিদের গোড়া পোষকের সংযোগস্থলে স্ফীত, অস্থানিক মূল পোষক বরাবর অবিরাম। পত্র ৪-১২ × ১.২- ৫.০ সেমি, উপবৃত্তাকার, উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার বা ডিম্বাকার, কচি পত্র বল্লমাকার, প্রশস্তভাবে … Read more

ঢেঁড়সের পুষ্টিমান-এর বিবরণ

ঢেঁড়সের পুষ্টিমান: ঢেঁড়সের প্রতি ১০০ গ্রামে আহারোপযোগী  ভিটামিন-এ ১৬৭০ মাইক্রোগ্রাম এবং ক্যালসিয়াম আছে ১১৬ মিলিগ্রাম। অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের মধ্যে আমিষ ১.৮ গ্রাম, শর্করা ৮.৭ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, লৌহ ১.৫ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-বি ০.২০ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-সি ১০ মিলিগ্রাম এবং খাদ্যশক্তি ও রয়েছে ৪৩ কিলোক্যালরি। মানবদেহে ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামের অভাব দেখা দিলে যতই শক্তিদায়ক খাবার খাওয়া হোক … Read more

দুধকলমি লতা বাংলাদেশের ভেষজ প্রজাতি

ভূমিকা: এটিকে বাংলায় তেউড়ী, তহরী, দুধকলমি, দুধিয়া কলমী; সংস্কৃতে ত্রিবৎ, হিন্দীতে পিটোহারী বলে। এর বোটানিক্যাল নাম Operculina turpethum (Linn.) Silva Manso. এর নানা ভেষজ গুণ আছে। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ মূল ও মূলের ছাল এবং ফুল। দুধকলমি-এর বিবরণ: ভূমি-প্রসারণী লতা, লতার কাণ্ডটি তিনটি শিরাবিশিষ্ট, তবে তার কোন কোন জায়গা গোলও দেখা যায়। এটি পশ্চিম বাংলার সর্বত্র … Read more

ছোট জাগরা বাংলাদেশের পাহাড়ীঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: ছোট জাগরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Macaranga peltata) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বৃক্ষ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। ছোট জাগরা-এর বর্ণনা: এটি ছোট চিরহরিৎ বৃক্ষ। প্রায় ১৫ মিটার উচু, ছোটশাখা দৃঢ়। রোমশ বিহীন, তরুণ অংশ মরচে রোমাবৃত। পত্র সোপপত্রিক, উপপত্র ৯-১২ মিমি লম্বা, ভল্লাকার, দীর্ঘাগ্র, আশুপাতী, সূক্ষ, রোমশ, বৃন্ত ৪-১৭ সেমি লম্বা, পরিপক্ক অবস্থায় প্রায় রোমশ … Read more

দেশি জাগরা দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: দেশি জাগরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Macaranga indica) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বৃক্ষ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। দেশি জাগরা -এর বর্ণনা : মাঝারি আকারের বৃক্ষ, প্রায় ২০ মিটার উঁচু, ছোট শাখা রোমশ বিহীন, শক্ত বা তরুণ অংশ মরচে ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত। পত্র ডিম্বাকৃতি গোলাকার, ১০-৩০ × ৭- প্রত ২২ সেমি, উপপত্র ১৩ × ৫ … Read more

ভল্লা পাতা জাগরা এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: ভল্লা পাতা জাগরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Macaranga denticulata) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বৃক্ষ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। ভল্লা পাতা জাগরা-এর বর্ণনা : এটি ছোট থেকে মাঝারি আকারের চিরহরিৎ বৃক্ষ। এদের শীর্ষদেশ বিস্তৃত, কান্ড বাঁশির ছেদার ন্যায় খাঁজ কাটা, তরুণ বিটপ, পত্র ও মঞ্জরী ক্ষুদ্রঘন কোমল মরচে রোমাবৃত, বাকল ভস্মতুল্য ধূসর, মসৃণ। পত্র ভল্লাকার, আশুপাতী, … Read more

বড় লতা ঢেকিয়া দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ফার্ন

ভূমিকা: বড় লতা ঢেকিয়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Lygodium giganteum) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বিরুৎ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। বড় লতা ঢেকিয়া- এর বর্ণনা: একটি পাকানো ফার্ন। গ্রন্থিকন্দ স্বল্প-লতানো। পাতা ২.৫-৪.৫ সেমি লম্বা, ৩০-৫০ সেমি চওড়া, পত্রকঅক্ষ আড়াআড়ি ১.৫-২.৫ মিমি, পৃষ্ঠীয় তল রোমশ, পত্রকের প্রতি অর্ধেক ১৮-২০ সেমি লম্বা, ১৫-২০ সেমি চওড়া, ত্রিকোণাকার, ত্রি-পক্ষল। প্রধান পত্রকঅক্ষ … Read more

error: Content is protected !!