বাঁকানো লতা ঢেকিয়া এশিয়ার ভেষজ লতা

ভূমিকা: বাঁকানো লতা ঢেকিয়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Lygodium flexuosum) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ লতা। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। বাঁকানো লতা ঢেকিয়া-এর বর্ণনা: গ্রন্থিকন্দ স্বল্প-লতানো এবং মূল অথবা রোম দ্বারা ঘনভাবে আবৃত। পত্রদন্ড দুইটি খুব কাছাকাছি, গ্রন্থিকন্দের শীর্ষ গাঢ় বাদামী হতে প্রায় কালো রোম দ্বারা আবৃত। তরুণ পাতা এক অথবা দুইবার দ্ব্যগ্র শাখান্বিত, প্রতিটি শাখা একটি … Read more

লতা পানি লং গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলে জন্মানো বিরুৎ

ভূমিকা: লতা পানি লং (বৈজ্ঞানিক নাম: Ludwigia prostrata) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বিরুৎ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। লতা পানি লং-এর বর্ণনা : লতা পানি লং মসৃণ থেকে অর্ধমসৃণ, বর্ষজীবী শাখান্বিত বীরুৎ। ০.১-০.৬ মিটার লম্বা। কান্ড অধিকাংশক্ষেত্রে লালচে আভাবিশিষ্ট। পাতা সরল, একান্তর, ১.০-১.৫ × ০.৮-২.০ সেমি, উপবৃত্তাকার থেকে সরু উপবৃত্তাকার, তীক্ষ্ণাগ্র, মসৃণ এবং শিরা বরাবর … Read more

ধান লং এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বীরুৎ

ভূমিকা: ধান লং (বৈজ্ঞানিক নাম: Ludwigia perennis) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বিরুৎ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। ধান লং-এর বর্ণনা: এই প্রজাতি দেখতে খাড়া বা অশাখ বর্ষজীবী বীরুৎ। উচ্চতায় ১ মিটার পর্যন্ত উচু, কচি অংশ অর্ধ মসৃণ থেকে কিঞ্চিৎ অণুরোমাবৃত। পাতা সরল, ২.৫ থেকে ১০.২ সেমি দৈর্ঘ্য ও ০.৩-১.৭ সেমি প্রস্থ, সরু উপবৃত্তাকার থেকে ভল্লাকার, … Read more

পানি লং গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

ভূমিকা: পানি লং (বৈজ্ঞানিক নাম: Ludwigia hyssopifolia) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বিরুৎ। এই প্রজাতিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে জন্মায়। পানি লং-এর বর্ণনা: এটি শাখান্বিত খাড়া বীরুৎ প্রজাতি। এই প্রজাতির পাদদেশ কাষ্ঠল, লম্বা শাখাসহ ৩ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কখনও ছোট আকারের গুল্ম এবং অনুসর্পী, কান্ড কোণীয় এবং সরু পাখনাবিশিষ্ট। পাতা সরল, একান্তর, ১.০-৮.৫ ০ ০.২-২.৭ সেমি, রৈখিকাকার … Read more

সাদা পানি ঘাস বর্ষজীবী ভেষজ উদ্ভিদ

ভূমিকা: সাদা পানি ঘাস (বৈজ্ঞানিক নাম: Lindernia antipoda) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। এই প্রজাতিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে জন্মায়। সাদা পানি ঘাস-এর বিবরণ: সাদা পানি ঘাস একটি বহুবর্ষজীবী ভেষজ উদ্ভিদ। যার কাণ্ড খাড়া বা অবনমিত এবং সাধারণত নীচে শিকড়ের গ্রন্থি থাকে। ২০-৩০ সেমি লম্বা, গোড়ায় শাখা-প্রশাখাযুক্ত, লোমহীন। পাতাগুলি উপবৃত্তাকার থেকে উল্টানো-বর্ণাকৃতির বা ডিম্বাকার, ১-২.৫ সেমি … Read more

মাইট্যা কেশরী একটি ভেষজ উদ্ভিদ

মাইট্যা কেশরী

ভূমিকা: মাইট্যা কেশরী (বৈজ্ঞানিক নাম: Limnophila repens) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। এই প্রজাতিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে জন্মায়। মাইট্যা কেশরী-এর বিবরণ: মাইট্যা কেশরী একটি ভেষজ উদ্ভিদ, যা ৪৫ সেমি পর্যন্ত লম্বা। কান্ড, ফুলের ডাঁটা, পুষ্প মঞ্জুরি লোমশ বা খুব কমই লোমহীন। কান্ড খাড়া, মূলত লতানো, সরল বা শাখাযুক্ত। পাতা বিপরীত, কান্ডহীন, সরু উপবৃত্তাকার, রৈখিক-ভল্লোকাকার, অথবা … Read more

কোরুদ পাম জাতীয় ভেষজ উদ্ভিদ

ভূমিকা: কোরুদ (বৈজ্ঞানিক নাম: Licuala peltata) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ পাম জাতীয় উদ্ভিদ। এই প্রজাতিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে জন্মায়। কোরুদ-এর বিবরণ: কোরুদ একটি চিরহরিৎ তাল গাছের মতো দেখতে। যা সাধারণত একক কান্ডযুক্ত। যদিও মাঝে মাঝে গোড়া থেকে একাধিক কান্ড গজাতে পারে। এর সরু গুঁড়ি আছে। যার উচ্চতা ১.৫ থেকে ৮ মিটার পর্যন্ত হতে পারে, ব্যাসে … Read more

বন পেঁয়াজ ভেষজ কন্দ বিরুৎ

ভূমিকা: বন পেঁয়াজ (বৈজ্ঞানিক নাম: Eleutherine palmifolia) হচ্ছে  এক প্রকারের কন্দ জাতীয় ভেষজ বিরুৎ। এই প্রজাতিটি পূর্ব এশিয়ার দেশে জন্মায়। বন পেঁয়াজ-এর বিবরণ বন পেঁয়াজ একটি একবর্ষজীবী ভেষজ বিরুৎ। এই প্রজাতি উচ্চতায় ৩০ থেকে ৪০ সেমি পর্যন্ত হয়। এদের পাতা সবুজ, একক, ফিতা এর মতো সুচালো এবং প্রান্ত সমতল বা অখাঁজকাটা। এতে ক্ষুদ্র সাদা ফুল … Read more

চোরপাতা দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ গুল্ম

ভূমিকা: চোরপাতা (বৈজ্ঞানিক নাম: Dendrocnide sinuata) হচ্ছে  এক প্রকারের ঝোপালো ভেষজ গুল্ম। এই প্রজাতিটি পূর্ব এশিয়ার দেশে জন্মায়। চোরপাতা-এর বিবরণ: চোরপাতা হল বড়ো গুল্ম থেকে ছোটো গাছ। যার শাখাপ্রশাখা গোলাকার, সাদা এবং নরম হুল-জাতীয় চুলে আবৃত। পাতা ২০ x ১০ সেমি পর্যন্ত হয়, উপবৃত্তাকার থেকে দীর্ঘায়িত বল্লমাকার, উভয় প্রান্ত সূচালো, প্রান্তসীমা অখণ্ড বা গোলাকার দন্তযুক্ত, … Read more

সাদা সার্বিষী বা সাদা কদমঘাস বহুবর্ষজীবী ঘাস

ভূমিকা: সাদা সার্বিষী বা সাদা কদমঘাস (বৈজ্ঞানিক নাম: Kyllinga nemoralis) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম। এই প্রজাতিটি পূর্ব এশিয়ার দেশে জন্মায়। সাদা সার্বিষী-এর বিবরণ সাদা নির্বিষী বা সাদা কদমঘাস হল একটি বহুবর্ষজীবী এবং সুতার মতো লতানো সেজ, যা দীর্ঘ লতানো রাইজোমের মাধ্যমে বিস্তৃত হয়। এটি ছায়াময় তৃণভূমি, পাথরের ফাটল এবং রাস্তার ধারে পাওয়া যায়। এর … Read more

error: Content is protected !!