মটরশুঁটি চাষ পদ্ধতি, বৈজ্ঞানিক বৈশিষ্ট্য ও এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব

মটর

বৈজ্ঞানিক নাম: Pisum sativum সমনাম: Lathyrus oleraceus Lam., Pisum arvense L., Pisum biflorum Raf.,Pisum elatius M.Bieb., Pisum humile Boiss. & Noe, Pisum vulgare Jundz.,   ইংরেজি নাম:  pea. স্থানীয় নাম: মটর।
জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae. বিভাগ: Magnoliophyta. বর্গ: Fabales. পরিবার: Fabaceae. গণ: Pisum.  প্রজাতি: Pisum sativum

ভূমিকা: মটর (বৈজ্ঞানিক নাম: Pisum sativum ইংরেজি নাম: Mung beans) হচ্ছে ফেবাসি পরিবারের Pisum গণের একবর্ষজীবী সপুষ্পক বিরুৎ। মটরশুঁটি চাষ করা হয় ডাল হিসাবে খাওয়ার জন্য।

বিবরণ:

মটরশুঁটি মূলত একটি ক্ষণজীবী আরোহী এবং বর্ষজীবী বীরুৎ শ্রেণীর গাছ। এর মানে হলো, উদ্ভিদটি এক বছরের মধ্যে তার জীবনচক্র সম্পন্ন করে এবং অন্য কোনো অবলম্বনকে আঁকড়ে ধরে ওপরের দিকে বেঁচে থাকে। এর কান্ড অত্যন্ত নরম ও মসৃণ প্রকৃতির হয়ে থাকে, যা একে সহজে ভেঙে না গিয়ে নমনীয়ভাবে বেড়ে উঠতে সাহায্য করে। এর পাতাগুলো পক্ষল যৌগিক এবং পাতার শেষ প্রান্তে শাখান্বিত আকর্ষী (Tendrils) থাকে। এই আকর্ষীগুলোর সাহায্যে গাছটি যেকোনো লাঠি বা মাচাকে আঁকড়ে ধরে ওপরে ওঠে। প্রতিটি পাতায় সাধারণত ২ থেকে ৮টি পত্রক থাকে। এগুলো দেখতে ডিম্বাকার বা উপবৃত্তাকার হয়ে থাকে। পত্রকের কিনারাগুলো কখনো অখন্ড (সোজা), আবার কখনো কিছুটা ঢেউ খেলানো বা খাঁজকাটা হয়। এই উদ্ভিদে উপপত্রগুলো বেশ বড়, দেখতে পাতার মতোই এবং ডিম্বাকার। উপপত্রের নিচের অর্ধাংশ কিছুটা অণুদন্তর (ক্ষুদ্র দাঁতের মতো খাঁজযুক্ত) এবং এগুলো মূল পত্রকের চেয়ে আকারে বড় হয়। তবে এতে কোনো উপপত্রিকা থাকে না। এর ফুলগুলো কাক্ষিক অবস্থানে এককভাবে অথবা ২-৩টি ফুল একসাথে মিলে রেসিম (Raceme) পুষ্পমঞ্জরী তৈরি করে। ফুলের গোড়ায় থাকা মঞ্জরীপত্রটি আকারে অত্যন্ত ছোট বা খর্বাকার হয়। ফুলের বৃতির খন্ডগুলো সমান নয়, অর্থাৎ অসমান আকৃতির। এর দলমন্ডল বা পাপড়ির রঙ সাধারণত সাদা, গোলাপী বা বেগুনি হয়ে থাকে। এর আদর্শ পাপড়িটি বিডিম্বাকার বা প্রায় গোলাকার। পক্ষ পাপড়িটি কাস্তের মতো বাঁকা, আয়তাকার এবং ভেতরের কীল পাপড়ির চেয়ে আকারে বড় হয়। ভেতরের কীল অংশটি ভেতরের দিকে বাঁকা এবং ভোতা (স্থূলাগ্র) প্রকৃতির হয়ে থাকে। এর পুংকেশর দীর্ঘদ্বয়ী (Diadelphous)। এর ধ্বজকীয় পুংদন্ডগুলো পুংকেশরীয় নলের খাঁজের ওপর মুক্ত অবস্থায় থাকে এবং পরাগধানীগুলো সব সমান আকৃতির হয়। উদ্ভিদের গর্ভদন্ডটি দেখতে কাস্তের মতো চেপ্টা। এর ভেতরের দেওয়ালে ছোট ছোট কণ্টক বা কাঁটার মতো অংশ থাকে। এর গর্ভমুণ্ডটি আকারে বেশ ক্ষুদ্র এবং একদম প্রান্তভাগে অবস্থান করে।

এর ফলকে বোটানির ভাষায় ‘পড’ বা শুঁটি বলা হয়। ফলটি কখনো স্ফীত (ফোলা) আবার কখনো চাপা হতে পারে। এর বোঁটা বা বৃন্ত বেশ খর্বাকার বা ছোট হয়। ফলগুলো সোজা অথবা কিছুটা বাঁকা হতে পারে। প্রতিটি ফলে ২ থেকে শুরু করে ২০টি পর্যন্ত বীজ থাকতে পারে। ফলটি ২টি ভাল্ব বিশিষ্ট এবং পরিপক্ক হলে এটি নিজে থেকেই ফেটে যায় (বিদারী)। ভেতরের বীজগুলো গোলকাকার বা কোণীয় হতে পারে। বীজের উপরিভাগ কখনো একদম মসৃণ ও সমতল, আবার কখনো কুঞ্চিত বা কুঁকড়ানো প্রকৃতির হয়ে থাকে।[১] মটরশুঁটি দ্বিদল বীজ। এই গাছের ডালে ডালে শুটির মধ্যে মটরের দানা হয়। এটা লতা জাতীয় গাছ। মটরকে সাধারণতঃ দুইভাগে বিভক্ত করা যায়, যথাবিলাতী ও দেশী। বিলাতী মটরশুঁটি আকারে বড়, এবং দেশী মটরশুঁটি আকারে ছোট হয়। ছোট দেশী মটরকে কোথাও কোথাও পায়রা মটরও বলে। আর এক রকম বড় মটরও আছে সেটাকে কাবুলী মটর বলে। কাবুলী মটরকে দেখিতে সাদা ও আকৃতি বড়। ইহার ডাল আকৃতিতে বড়, দেখিতে ছোলার ডাইলের মতো। [৩]

মটর চাষাবাদ:

আমাদের দেশে শীতকালীন প্রধান সবজি ও ডাল জাতীয় শস্যের মধ্যে মটরশুঁটি অন্যতম। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি পুষ্টিগুণে ভরপুর। তবে ভালো ফলন পেতে হলে সঠিক নিয়মে চাষাবাদ, সঠিক পরিমাণ বীজ ব্যবহার এবং সঠিক সময়ে বীজ বপন করা জরুরি। আজকের নিবন্ধে আমরা মটর বা মটরশুঁটি চাষের নিখুঁত ও বিস্তারিত পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব।

১. উপযুক্ত মাটি নির্বাচন মটরশুঁটি চাষের জন্য মাটির গুণাগুণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

  • মাটির ধরণ: সারযুক্ত দোআঁশ বা পলি-পড়া মাটি মটর চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
  • জল নিষ্কাশন: জমিতে পানি জমে থাকা মটর গাছের জন্য ক্ষতিকর। তাই বর্ষার পর জমি থেকে জল নেমে গেলে এবং মাটি জো (বপনের উপযোগী রসাল অবস্থা) আসলে চাষের প্রস্তুতি নিতে হবে।

২. জমি প্রস্তুতকরণ ও চাষ পদ্ধতি উঁচু জমিতে মটরশুঁটি চাষ করতে হলে জমি ভালোভাবে তৈরি করে নিতে হবে

  • চাষ ও মই: উঁচু জমিতে সাধারণত ৩ বার আড়াআড়ি চাষ দিতে হয়। চাষ দেওয়ার পর মই দিয়ে মাটির বড় ঢেলাগুলো ভেঙে সমান করে নিতে হবে।
  • বীজ বোনার পর যত্ন: জমিতে বীজ ছিটানোর পর বা সারিতে বোনার পর পুনরায় আরও একবার মই দিতে হবে। এতে বীজগুলো মাটির নিচে সঠিকভাবে ঢাকা পড়ে এবং পাখিদের হাত থেকে রক্ষা পায।

৩. জাতভেদে বীজের সঠিক পরিমাণ (বিঘা প্রতি) ভালো ফলনের জন্য জমিতে পরিমিত পরিমাণে বীজ বপন করা আবশ্যক। দানার আকার অনুযায়ী বীজের পরিমাণ কম-বেশি হয়ে থাকে:

  • কাবুলী মটর (বড় দানা): আপনি যদি বড় দানার কাবুলী মটরের চাষ করতে চান, তবে বিঘা প্রতি ৭ সের বীজের প্রয়োজন হবে।
  • পায়রা মটর (ছোট দানা): ছোট দানার পায়রা মটরের ক্ষেত্রে বীজের আকার ছোট হওয়ায় পরিমাপে কিছুটা কম লাগে। এক্ষেত্রে বিঘা প্রতি ৫ সের বীজ বপন করতে হয়।

৪. স্থানভেদে বীজ বপনের সঠিক সময় মটর মূলত একটি শীতকালীন শস্য। তবে জমির উচ্চতা ও ভৌগোলিক স্থানভেদে এর বপন সময়ে কিছুটা পার্থক্য দেখা যায়:

  • উঁচু জমির ক্ষেত্রে: সাধারণত আশ্বিন থেকে কার্তিক (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) মাসের মধ্যে উঁচু জমিতে বীজ বুনে ফেলতে হয়।
  • নিচু জমির ক্ষেত্রে: নিচু জমি থেকে জল নামতে কিছুটা সময় লাগে। তাই এসব জমিতে কার্তিক থেকে অগ্রহায়ণ (অক্টোবর-নভেম্বর) মাস পর্যন্ত মটরের বীজ বোনা যায়।

৫. ফুল ও ফল ধারণ এবং পাকার সময়কাল মটর গাছের জীবনচক্র এবং ফলনের সময়কাল নিচে দেওয়া হলো:

জীবনকাল: মটর গাছ একটি একবর্ষজীবী উদ্ভিদ। প্রতি বছর ফল ধারণের পর এবং ফলন সংগ্রহ করা হয়ে গেলে গাছটি স্বাভাবিকভাবেই মারা যায়।[২]

ফুল ও ফল ধারণ: আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে সাধারণত নভেম্বর থেকে মার্চ মাসের মধ্যে মটর গাছে ফুল ও ফল ধরে। বাংলা মাস হিসেবে সাধারণত পৌষ ও মাঘ মাসে গাছে প্রচুর পরিমাণে শুঁটি দেখা যায়।

ফল পাকার সময়: চৈত্র (মার্চ-এপ্রিল) মাসের দিকে মটরের ফল সম্পূর্ণ পেকে ওঠে। এই সময়ে গাছের লতা ও পাতা ধীরে ধীরে শুকাতে শুরু করে। [১]

বিস্তৃতি:

প্রাচীন পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন অনুসারে নিওলিথিক যুগের সিরিয়া, তুরস্ক, এবং জর্ডান এ মটরশুঁটির খোঁজ পাওয়া যায়। এছাড়া শীতপ্রধান দেশে ও নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই মটরের জন্মে।

মটর খাওয়ার ভেষজ গুণ:

মটরশুঁটি রুচিকর ও ভেষজ গুণ সম্পন্ন খাবার। আয়ুর্বেদ মতে, মটর ডাল লঘু, শরীর শীতল করে, মলরোধক ও রুচিকর। মটর শাকের ভাজা মলকারক, হজমের পক্ষে হালকা এবং ত্রিদোষ (কফ, পিত্ত বাত) নাশক। [২] মানবজীবনে এবং কৃষিক্ষেত্রে ডাল বা শস্য জাতীয় উদ্ভিদের ভূমিকা অপরিসীম। মটরশুঁটি তেমনই একটি বহুমুখী উদ্ভিদ, যার প্রতিটি অংশেরই রয়েছে আলাদা অর্থনৈতিক ও জাতিতাত্ত্বিক ব্যবহার। তবে পুষ্টিগুণে ভরপুর এই উদ্ভিদের যেমন চমৎকার কিছু ঔষধি গুণ রয়েছে, তেমনি এর কিছু বিশেষ ক্ষতিকর দিকও রয়েছে। চলুন মটরশুঁটির নানাবিধ ব্যবহার ও এর প্রভাব সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। মটরশুঁটি আমাদের খাদ্য তালিকায় অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপাদান।

১. খাদ্যগত ব্যবহার নিচে দেওয়া হলো:

  • সবজি হিসেবে ব্যবহার: মটরশুঁটির টাটকা এবং কচি সবুজ বীজগুলো অত্যন্ত সুস্বাদু। আমাদের দেশে বিভিন্ন তরকারি, পোলাও বা সালাদে এটি সবজি হিসেবে প্রচুর পরিমাণে রান্না করে খাওয়া হয়।
  • শুকনো দানার ব্যবহার: মটরশুঁটি যখন সম্পূর্ণ পরিপক্ক হয়ে যায়, তখন এর শুষ্ক বা শুকনো বীজগুলো ডাল বা অন্যান্য খাদ্য তৈরিতে উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

২. পশুপালন ও কৃষিকাজে অবদান: কৃষিবিজ্ঞানী পার্সগ্লোভ (Purseglove, 1968)-এর মতে, মটর গাছ কেবল মানুষের খাদ্যই নয়, বরং কৃষির অন্যান্য ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে:

  • উন্নত গো-খাদ্য: মটর সংগ্রহের পর সম্পূর্ণ উদ্ভিদ এবং এর খোসা বা ভূষি গবাদি পশুর জন্য অত্যন্ত পুষ্টিকর গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  • জৈব ও সবুজ সার: মটর গাছের খড় এবং এর কাঁচা লতা-পাতা জমিতে চাষ দিয়ে অত্যন্ত উন্নত মানের ‘সবুজ সার’ তৈরি করা যায়, যা মাটির উর্বরতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

৩. স্বাস্থ্যগত উপকারিতা ও ঔষধি গুণাগুণ: আয়ুর্বেদ ও ভেষজ শাস্ত্রে মটর বীজের বেশ কিছু চমৎকার ঔষধি গুণের কথা উল্লেখ রয়েছে। যেমন:

  • রক্ত পরিশোধন: মটরশুঁটির বীজ নিয়মিত খেলে তা শরীরের রক্ত পরিশোধন করতে বা রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
  • শরীর গঠন ও শীতলকারক: এর বীজ মানবদেহের জন্য শীতলকারক হিসেবে কাজ করে এবং শরীরকে সুস্থ ও স্থূল বা সুগঠিত করতে সাহায্য করে।

৪. জাতিতাত্ত্বিক ব্যবহার (Ethnographical Use): লোকজ বা জাতিতাত্ত্বিক ঐতিহ্যে মটর গাছের ব্যবহার বেশ পুরোনো। গ্রামীণ বা লোকাল সংস্কৃতির মানুষ প্রাচীনকাল থেকেই এই গাছের কচি পল্লব বা ডগা সংগ্রহ করে তা সবুজ শাক বা সবজি হিসেবে রান্না করে খেয়ে আসছেন। এটি একদিকে যেমন পুষ্টিকর, অন্যদিকে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ভাতের সাথে বাড়তি পুষ্টির জোগান দেয়।

৫. মটর বীজের বিশেষ ক্ষতিকর দিক ও হরমোনের ওপর প্রভাব: বিজ্ঞানীদের গবেষণায় মটরশুঁটির বীজে এমন কিছু উপাদানের সন্ধান মিলেছে, যা মানুষের প্রজনন হরমোনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। এই সংবেদনশীল ক্ষতিকর দিকগুলো নিচে আলোচনা করা হলো:

  • বীজের তেলের প্রভাব: মটরশুঁটির বীজ থেকে উৎপাদিত তেলে এমন কিছু বিশেষ গুণাবলী বা রাসায়নিক উপাদান থাকে, যা বন্ধ্যাত্ব তৈরি করতে পারে এবং যৌনতা প্রতিরোধী হরমোন হিসেবে কাজ করে।
  • নারীদের ওপর প্রভাব: এই তেলের নিয়মিত বা অতিরিক্ত প্রভাব নারীদের স্বাভাবিক প্রজনন ক্ষমতায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং মহিলাদের বন্ধ্যাত্ব ঘটানোর জন্য দায়ী হতে পারে।
  • পুরুষদের ওপর প্রভাব: পুরুষদের শরীরে থাকা পুং যৌন হরমোনের (Male Sex Hormones) স্বাভাবিক কার্যকারিতার বিরুদ্ধে এই তেল কাজ করে। অর্থাৎ, এটি পুং হরমোনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে।[১]

তথ্যসূত্রঃ

১. বি এম রিজিয়া খাতুন, (আগস্ট ২০১০)। “অ্যানজিওস্পার্মস ডাইকটিলিডনস”  আহমেদ, জিয়া উদ্দিন; হাসান, মো আবুল; বেগম, জেড এন তাহমিদা; খন্দকার মনিরুজ্জামান। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ। ৮ম (১ সংস্করণ)। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। পৃষ্ঠা ১৫৬-১৫৭, আইএসবিএন 984-30000-0286-0

২. ডা: শ্রীযামিণী রঞ্জন মজুমদার: খাদ্যশস্য, মি: বি ছত্তার, কলকাতা, দ্বিতীয় সংস্করণ ১৩৫১, পৃষ্ঠা, ৬৭-৬৮।

৩. সাধনা মুখোপাধ্যায়: সুস্থ থাকতে খাওয়া দাওয়ায় শাকসবজি মশলাপাতি, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, নতুন সংস্করণ ২০০৯-২০১০, পৃষ্ঠা,৬৯-৭০।

Leave a Comment

error: Content is protected !!