চমসা পাথরকুচি এশিয়ায় জন্মানো বাহারী বিরুৎ

চমসা পাথরকুচি

বৈজ্ঞানিক নাম: Kalanchoe heterophylla (Roxb.) Wight & Arn., Prodr.: 360 (1834). সমনাম: Cotyledon heterophylla Roxb. (1832), Kalanchoe spathulata Wall. (1832). ইংরেজি নাম: জানা নেই। স্থানীয় নাম: হলুদ পাথরকুচি।
জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত: Edicots বর্গ: Saxifragales পরিবার: Crassulaceae গণ: Bryophyllum গণ: Kalanchoe প্রজাতি: Kalanchoe heterophylla.

ভূমিকা: চমসা পাথরকুচি ( বৈজ্ঞানিক নাম: Kalanchoe heterophylla) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ ও বাহারি প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য লাগানো হয়।

চমসা পাথরকুচি-এর বর্ণনা:

রসালো, ঋজু, দৃঢ়, বীরুৎ, প্রায় ৬০ সেমি লম্বা। পত্র সরল, প্রতিমুখ-তির্যক, অনুপপত্রী, রসালো, রোমশ বিহীন, চমসাকার থেকে দীর্ঘায়ত, গোলদন্তর, শীর্ষ গোলাকার। পুষ্পবিন্যাস প্যানিকুলেট সাইম। পুষ্প ঋজু, সবৃন্তক, উভয়লিঙ্গ, বহুপ্রতিসম, চতুরাংশক। বৃতাংশ ৪টি, মূলীয় অংশে যুক্ত, খন্ড সূক্ষ্ম্যগ্র, স্থায়ী। পাপড়ি ৪টি, মূলীয় অংশ যুক্ত হয়ে দলনালি গঠন করে, খন্ড ৪টি, বিস্তৃত, উপবৃত্তাকার, ক্রুশাকার, হলুদ, পুংকেশর ৮টি, ২ সারিতে বিন্যস্ত, দলমন্ডলের গলনালিতে সন্নিবিষ্ট, দললগ্ন, পরাগধানী পাদলগ্ন, ২-কোষী। গর্ভপত্র ৪টি, মুক্ত গর্ভপত্রী, গর্ভাশয় লম্বা, গর্ভদন্ড ও গর্ভমুক্ত ১টি করে। ফল ফলিকল। ক্রোমোসোম সংখ্যা: 2n = ৬৮.

আবাসস্থল ও বংশ বিস্তার:

শুষ্কাঞ্চল, বাগানে আবাদ করা হয়। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল নভেম্বর থেকে মার্চ মাস। শাখা কলমে বংশ বিস্তার হয়।

বিস্তৃতি: এশিয়ার বহুদেশ জন্মে। বাংলাদেশে উদ্যানে রোপণ করা হয়।

ব্যবহার: বাহারি উদ্ভিদরূপে উদ্যানে চাষাবাদ করা হয়।

অন্যান্য তথ্য:

বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষের  ৭ম খণ্ডে (আগস্ট ২০১০) চমসা পাথরকুচি প্রজাতিটির সম্পর্কে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশে প্রজাতিটির আবাস্থল সংকটাপন্ন তবে এটি আশংকা মুক্ত হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশে চমসা পাথরকুচি সংরক্ষণের জন্য কোন পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।  প্রজাতিটি সম্পর্কে প্রস্তাব করা হয়েছে যে এই প্রজাতিটির সংরক্ষণের প্রয়োজন নেই।

তথ্যসূত্র:

১. এম এ হাসান, (আগস্ট ২০১০)। “অ্যানজিওস্পার্মস ডাইকটিলিডনস”  আহমেদ, জিয়া উদ্দিন; হাসান, মো আবুল; বেগম, জেড এন তাহমিদা; খন্দকার মনিরুজ্জামান। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ। ৭ম (১ সংস্করণ)। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। পৃষ্ঠা ২৯৯ আইএসবিএন 984-30000-0286-0

Leave a Comment

error: Content is protected !!