সিধাড়ু এশিয়ার প্রজাপতি

[otw_shortcode_info_box border_type=”bordered” border_color_class=”otw-red-border” border_style=”bordered” shadow=”shadow-inner”]বৈজ্ঞানিক নাম: Cupha erymanthis (Drury) প্রতিনাম: Papilio erymanthes Drury, 1770; Papilio lotis Sulzer, 1776; Argynnis erymanthes Godart, 1819; Cupha erymanthes Distant, 1882. ইংরেজী নাম: The Rustic. স্থানীয় নাম: সিধাড়ু প্রজাপতি। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Animalia অবিন্যাসিত: Euarthropoda শ্রেণী: Insecta বর্গ: Lepidoptera পরিবার: Nymphalidae গণ: Cupha প্রজাতি: Cupha erymanthis [/otw_shortcode_info_box]

ভূমিকা: বাংলাদেশের প্রজাপতির তালিকায় থাকা সিধাড়ু হচ্ছে নিমফালিডি পরিবারের সিরোচোরো গণের একটি প্রজাপতি।

বিবরণ: সিধাড়ু প্রজাপতির প্রসারিত ডানার মাপ ৫৭-৬৫ মিমি। পুরুষ এবং স্ত্রীর উপরের দিক বাদামী ফিকে হলুদ সেলের মধ্যে দুটি অনিয়মিত গাঢ় দাগ রয়েছে, সেলের শেষে দুটি গাঢ় সর্পিলাকার রেখা রয়েছে, একটি প্রশস্ত, বেশ সর্পিলাকার stramineous ফ্যাসসিয়া সেলের ঠিক পেছনে থাকে, যা ভেতরের দিকে কালচে রঙের প্রান্ত বিশিষ্ট, ফ্যাসসিয়ার পেছনে মেটে রঙের কালচে stramineous দাগ থাকে ১ম এবং ২য় মধ্যবর্তী উপশিরার মাঝে; ফ্যাসিয়ার মধ্যে ২টি গাঢ় বাদামী দাগ রয়েছে এবং একটি বড় চতুর্ভুজাকৃতির দাগ রযেছে এদের উপরে। পেছনের ডানায় একটি সরু, কালো, সোজা, ভাঙা, সমান্তরাল ফ্যাসিয়া রয়েছে যা বাইরের দিকে ফিকে হলুদ প্রান্ত বিশিষ্ট, পুনরায় একটি বাইরের discal সারিবদ্ধ দাগ দিয়ে সফলভাবে গঠিত, ২টি প্রায় প্রান্তীয় রেখা, ভাঙ্গা ফ্যাসসিয়া এবং একটি প্রান্তীয় ফ্যাসসিয়া সবই কালচে। নিচের দিক উপরের মতোই তবে ফ্যাকাশে মলিন।

স্বভাব এবং বাসস্থান: এই প্রজাতির লার্ভার খাদ্য উদ্ভিদ হচ্ছে Flcourtia ramontchi, F. montana, F. sepiaria and Glochidion eriocarpum.

বিস্তৃতি: বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষের (আগস্ট ২০১০) ২১ তম খণ্ডে এটির বিস্তৃতি বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, আন্দামান এবং নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, কুমাওন, নেপাল, সিকিম, নাগা পর্বত, মায়ানমার, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এবং চীন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। (Bingham, 1905)

তথ্যসূত্র:

১. শফিক এইচ চৌধুরী, (আগস্ট ২০০৯)। “আর্থোপোডা: ইনসেক্টা-৩”। আহমাদ, মোনাওয়ার; কবির, হুমায়ুন, সৈয়দ মোহাম্মদ; আহমদ, আবু তৈয়ব আবু। বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ ২১ (১ সংস্করণ)। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি। পৃষ্ঠা ৭৫। আইএসবিএন 984-30000-0286-0

আরো পড়ুন:  কালো শিরা ফুলকি দাঁড়া বাংলাদেশ, ভারত মায়ানমারের প্রজাপতি

Leave a Comment

error: Content is protected !!