সাতিপাতা উষ্ণাঞ্চলের ভেষজ বিরুৎ

ভূমিকা: সাতিপাতা ( বৈজ্ঞানিক নাম: Molineria recurvata) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের ঝোপে জঙ্গলে দেখা যায়। সাতিপাতা-এর বর্ণনা: দৃঢ় বীরুৎ, মূলাকার কান্ড কন্দাল। পত্র অত্যন্ত পরিবর্তশীল, ৩০-৯০ × ৭-১৫ সেমি, বল্লমাকার কুঞ্চিত, রোমশবিহীন বা অঙ্কীয় পৃষ্ঠ রোমশ ও শিরাল, বক্র, বৃন্ত খাঁজ যুক্ত, ৩০-৯০ সেমি লম্বা, নিম্নাংশ রোমশ, উপরের অংশ রোমশ বিহীন। ভৌমপুষ্পদন্ড … Read more

লজ্জাবতী বাংলাদেশের ঝোপে জন্মানো ভেষজ লতা

ভূমিকা: লজ্জাবতী ( বৈজ্ঞানিক নাম: Mimosa pudica) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের ঝোপে জঙ্গলে দেখা যায়। লজ্জাবতী-এর বর্ণনা: খর্বাকৃতির, ছড়ানো এবং শয়ান বর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী বীরুৎ, ১ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কখনও উপগুল্মীয় বীরুৎ, ঋজু অথবা হামাগুড়ি দিয়ে বেড়ে ওঠে, কখনও কখনও পর্ব থেকে মূল গজায়। শাখা-প্রশাখা কমবেশী কোমল কিন্তু পুরনো কান্ড কাষ্ঠল, গ্রন্থিল … Read more

বড় লজ্জাবতী গ্রীষ্ম মণ্ডলীয় অঞ্চলের লতা

ভূমিকা: বড় লজ্জাবতী ( বৈজ্ঞানিক নাম: Mimosa diplotricha) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের ঝোপে জঙ্গলে দেখা যায়। বড় লজ্জাবতী-এর বর্ণনা: দূরপসারী অথবা হামাগুড়ি দিয়ে বেড়ে ওঠে এমন কাষ্ঠল আরোহী, ১-২ মিটার উঁচু। কান্ড চতুষ্কোণী, কণ্টকিত, কন্টকগুলো ৪ সারিতে সজ্জিত, ৩-৪ মিমি লম্বা এবং নিচের দিকে বাঁকা। পাতা পক্ষল যৌগিক এবং ৩৫ সেমি লম্বা … Read more

মধুপুর জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশের প্রাচীনতম জাতীয় উদ্যানগুলির মধ্যে একটি

মধুপুর জংগল

মধুপুর জাতীয় উদ্যান (বাংলা: Madhupur National Park) বাংলাদেশের একটি প্রধান এবং প্রাচীনতম জাতীয় উদ্যানগুলির মধ্যে একটি। এটি ৮,৪৩৬ হেক্টর বা ২০,৮৫০ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। ১৯৬২ সালে পাকিস্তান সরকার এই বনকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে, কিন্তু ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) সংশোধনী আইন ১৯৪৭ অনুসারে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করা হয়। উদ্যানটি দেশের … Read more

বড়কুচ পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: বড়কুচ ( বৈজ্ঞানিক নাম: Micromelum minutum) হচ্ছে এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি। এই প্রজাতিটি বাংলাদেশের ঝোপে জঙ্গলে দেখা যায়। বড়কুচ-এর বর্ণনা : ছোট থেকে মধ্যম আকৃতির, কন্টকহীন বৃক্ষ, ২০ মিটার পর্যন্ত উঁচু, ছোট শাখা এবং কুঁড়ি ঘনভাবে খাটো- রোমশ। পত্র একান্তর, সচূড়পক্ষল, ৩০ সেমি পর্যন্ত লম্বা, পত্রক ৯-১৫টি, একান্তর, ডিম্বাকার-বল্লমাকার থেকে ডিম্বাকার, ৩-১২ × ১.৫-৬.০ সেমি, … Read more

মানুষের বিবর্তন ও ইতিহাস: আদিম পরিচয় থেকে আধুনিক সভ্যতার প্রভাব

আফ্রিকার কঙ্গোতে ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সজ্জিত একজন নারী ও পুরুষ হাসিমুখে ফসল ভর্তি ঝুড়ি নিয়ে ঘরে ফিরছেন।

মানুষ (বৈজ্ঞানিক নাম: Homo sapiens, যার অর্থ ‘জ্ঞানী মানুষ’) হচ্ছে প্রাইমেট জগতের সবচেয়ে বিস্তৃত প্রজাতি এবং ‘হোমো’ গণের একমাত্র অনন্য প্রতিনিধি। আধুনিক জীববিজ্ঞানের জনক ক্যারোলাস লিনিয়াস ১৭৫৮ সালে প্রথম এই শ্রেণীবিন্যাসগত নামকরণ করেন। যদিও শারীরিক গঠনের দিক থেকে মানুষ অন্যান্য প্রাইমেটদের অত্যন্ত সদৃশ, তবুও সেই সময়ে সাধারণ জীবজগতের কাঠামোর মধ্যে মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা ছিল একটি সাহসী তাত্ত্বিক পদক্ষেপ। লিনিয়াসের প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল মানুষের … Read more

error: Content is protected !!