সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলা থেকে উপজেলা প্রশাসনের সক্রিয় সহযোগিতায় আরও একটি বিরল প্রজাতির পরিযায়ী শকুন উদ্ধার করার ঘটনা ঘটে।
- আকস্মিক পতন ও স্থানীয়দের উদ্ধার: ২ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখ (বুধবার) দুপুরে তাড়াশ উপজেলার সগুনা ইউনিয়নের চরকুশাবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা নজিবুর রহমানের বাড়ির আঙিনায় হঠাৎ করে বিরল প্রজাতির এই শকুনটি অসুস্থ অবস্থায় উড়তে না পেরে পড়ে যায়। এ সময় বাড়ির মালিক নজিবুর রহমান শকুনটিকে ধরে নিরাপদ আশ্রয়ে রাখেন, দড়ি বা রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন এবং সেটিকে খাবার খেতে দেন।
- এলাকায় চাঞ্চল্য ও উদ্ধার অভিযান: বিরল এই বিশালাকার শকুনটির খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে লোকজন সেটি দেখতে সেখানে ব্যাপক ভিড় জমায়। বিষয়টি জানতে পেরে তাড়াশ উপজেলা প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নেয়। ৩ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় তাড়াশ উপজেলা প্রশাসনের সক্রিয় সহযোগিতায় এবং উপজেলা বন কর্মকর্তা মোসলেম উদ্দিন-এর দিকনির্দেশনায় রাজশাহী বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের মাঠকর্মীরা নজিবুর রহমানের বাড়িতে গিয়ে শকুনটি উদ্ধার করেন।
- বর্তমান চিকিৎসা: বন বিভাগের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন যে, উদ্ধারকৃত পাখিটি মূলত একটি বিলুপ্তপ্রায় হিমালয়ী গৃধিনী প্রজাতির শকুন। উদ্ধারের পর সেটিকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য রাজশাহীস্থ বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। সেখানে যথাযথ চিকিৎসা ও নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে শকুনটিকে সুস্থ করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।