টক আতা বা সাওয়ারসপ: ক্যানসার প্রতিরোধী এক জাদুকরী ফলের গল্প
গাছটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আমেরিকায় দেশজ কিন্তু এখন ইহা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রায় সকল দেশেই জন্মাতে পারে। বাংলাদেশে ইহা বসত বাড়ীর বাগনে জন্মানো হয়। আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
গাছটি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় আমেরিকায় দেশজ কিন্তু এখন ইহা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় প্রায় সকল দেশেই জন্মাতে পারে। বাংলাদেশে ইহা বসত বাড়ীর বাগনে জন্মানো হয়। আরো পড়ুন
খাড়া, সুগন্ধি বর্ষজীবী বীরুৎ, ২ মিটার পর্যন্ত উঁচু, প্রচুর শাখান্বিত, নিম্নে কাষ্ঠল। কাণ্ড সূক্ষ্মাগ্রভাবে চতুষ্কোণাকৃতি, খাঁজযুক্ত, ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত, পর্বমধ্য প্রায় ৫ সেমি লম্বা।আরো পড়ুন
একটি স্থলজ ফার্ন। তরুণ অবস্থায় পত্রদন্ড সরস, মাংসল। পাতা দ্বি-পক্ষল, বড়, গোড়ায় স্ফীত নয়, ফলক প্রায় ৪০-৬০ সেমি লম্বা। গৌণ পত্রদন্ড গাঢ় বাদামী, গোল, নরম, পাতলা, গোড়ায় স্ফীত নয়। আরো পড়ুন
গ্রন্থিকন্দের নিষ্কাশিত ক্বাথ গর্ভপাত এর পর রক্ত বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সবুজ সীম এর সাথে সিদ্ধ করা গ্রন্থিক বেরিবেরি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। রক্তক্ষরণে, বিশেষ করে বিষক্রিয়ার কারণে রক্তক্ষরণে। রোগীর চিকিৎসায় গ্রন্থিকন্দ পান এবং আদার সাথে চিবানো হয়। আরো পড়ুন
কালমেঘ (বৈজ্ঞানিক নাম: Andrographis paniculata) একটি বর্ষজীবী উদ্ভিদ। এর সাধারণ গুণ হলো- এটি তিক্তরস, অগ্নিপীপক, রুচিকর, রেচক, বলকারক, কৃমিনাশক, জ্বরাতিসবার নাশক।আরো পড়ুন
আনারস (বৈজ্ঞানিক নাম: Ananas comosus, ইংরেজি নাম: পাইন এ্যাপল)হচ্ছে সপুষ্পক বিরুৎ। এটি মূলত বিরুৎ বিশিষ্ট্য। এই গণের প্রজাতিটির ফল রসালো। আরো পড়ুন
কাষ্ঠল আরোহী, কচি কান্ড এবং পত্রবৃন্ত শুষ্ক অবস্থায় ফ্যাকাশে সবুজাভ থেকে খড়ের বর্ণ, সরেখ, মসৃণ, বাকল পুরু, উল্লম্ব খাঁজবিশিষ্ট বা কুঁচকানো। পাতা পাতলা চর্মবৎ, ডিম্বাকার থেকে প্রশস্ত ডিম্বাকার, ১০-২৩ x ৮-২০ সেমি, শীর্ষ দীর্ঘাগ্র, নিম্নপ্রান্ত হৃৎপিণ্ডাকার থেকে কর্তিতা, কিনারা সিলিয়াযুক্ত;আরো পড়ুন
ভারত, চীন এবং মায়ানমার। বাংলাদেশে এই প্রজাতিটি পার্বত্য জেলা বান্দরবানের বিভিন্ন অংশে বিশেষ করে চিম্বুক পাহাড়ে পাওয়া যায়। আদিবাসীরা ইহার কচি পাতা শাক হিসেবে এবং কান্ড জ্বালানী হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।আরো পড়ুন
ইহার জলীয় নির্যাস গ্রাম-নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়া Aeromonas hydrophilia এর বিরুদ্ধে কার্যকর। উদ্ভিদটি বলকারক, ক্ষত নিরাময়ক হিসাবে কাজ করে। এছাড়াও, স্কার্ভি নিরাময়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ক্ষত দ্রুত নিরাময়ে ইহার পাতা গরম করে লাগিয়ে দেয়া হয় (Sinha, 1996)।আরো পড়ুন
অরণ্য ও বাগানের বড় গাছের ছায়াযুক্ত সেঁতসেঁতে স্থানে জন্মে। ওল কচু বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়। বংশ বিস্তার হয় অপত্য গুঁড়িকন্দের সাহায্যে সহজেই প্রজনন চলে। ফুল ও ফল ধারণ মে-নভেম্বর।আরো পড়ুন