কালা বাটনা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

কালা বাটনা -এর বিবরণ: কালা বাটনা বড় আকৃতির ও ডালপালা বিশিষ্ট চিরসবুজ বৃক্ষ, উচ্চতায় ৩০-৩৫ মিটার পর্যন্ত হয়। গুঁড়ি কাণ্ড সরল, সোজা এবং গোলাকার। বাকল কালো ধূসর বর্ণের এবং বহিরাবরণ লম্বালম্বি ফাটলযুক্ত। এদের পাতা সরল, আয়তাকার, লম্বায় ১৫-৩০ সেন্টিমিটার, কিনারা মসৃণ এবং আগা সূচালো। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে স্পাইক ধরনের পুষ্পবিন্যাসে ফুল ধরে। একই গাছে পুংফুলের স্পাইক … Read more

কাঁটা বাটনা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

ভূমিকা: কাঁটা বাটনা (বৈজ্ঞানিক নাম: Castanopsis tribuloides) হচ্ছে  এক প্রকারের চিরসবুজ বৃক্ষ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। কাঁটা বাটনা-এর বিবরণ: মাঝারি আকৃতির ডালপালা বিশিষ্ট অতি দ্রুত বর্ধনশীল চিরসবুজ বৃক্ষ, উচ্চতায় ১৫-২০ মিটার এবং বুক সমান উচ্চতায় গুঁড়ি কান্ডের বেড় প্রায় ৭৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। ২। গুঁড়িকাণ্ড সরল, বেশ সোজা, গোলাকার এবং ১২ মিটার পর্যন্ত গুঁড়ি … Read more

বাঁশপাতি বা বাঁশপাতা বাংলাদেশে মহাবিপন্ন এবং বৈশ্বিকভাবে ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত বৃক্ষ

বাঁশপাতি বা বাঁশপাতা গাছ হচ্ছে পডোকারপাসি পরিবারের একটি নগ্নবীজি উদ্ভিদ। বাংলাদেশের একমাত্র নরম কাঠের বৃক্ষ। এটি উষ্ণমণ্ডলীয় এবং উপউষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের হালকা জলজ বনে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬৫০ থেকে ১৬০০ মিটার উচ্চতায় জন্মায়। এটির সত্যিকারের কোনো ফুল-ফল হয় না, বীজ নগ্নভাবে থাকে। আরো পড়ুন

নাইচিচা উদাল বাংলাদেশের রক্ষিত মহাবিপন্ন উদ্ভিদ

নাইচিচা উদাল-এর বিবরণ: নাইচিচা উদাল মাঝারি আকৃতির ডালপালায় বিস্তৃত পাতাঝরা বৃক্ষ, উচ্চতায় ১৫-২০ মিটার এবং গাছের বেড় ১ মিটার পর্যন্ত হয়। এদের গুঁড়ি কাণ্ড সরল, সোজা, গোলাকার এবং প্রায় ১০ মিটার পর্যন্ত গুঁড়ি কাণ্ড ডালপালা বিহীন। গুঁড়ি কান্ড একাধিক গভীর খাঁজ ও ভাঁজযুক্ত (fluted)। বাকল কালচে ধূসর বা ছাই বর্ণের, পুরু, মসৃণ ও আঁশযুক্ত। এই … Read more

ফাইশ্যা উদাল বাংলাদেশের রক্ষিত মহাবিপন্ন উদ্ভিদ

ফাইশ্যা উদাল-এর বিবরণ: ফাইশ্যা উদাল ছোট থেকে মাঝারি আকৃতির পাতাঝরা বৃক্ষ, উচ্চতায় ১০-১৫ মিটার পর্যন্ত হয়। এদের গুঁড়ি কান্ড সরল, সোজা, গোলাকার এবং ডালপালাগুলো চক্রাকারে বিস্তৃত। কান্ড ও ডালপালাতে ঝরে পড়া পাতার হৃদপিন্ডার চিহ্ন দেখা যায়। বাকল ধূসর বর্ণের, পুরু, মসৃণ এবং আঁশযুক্ত। এই গাছের ডালপালার আগায় পাতাগুলো গুচ্ছাকারে সজ্জিত। পাতার বোটা ২৫-৪০ সেন্টিমিটার লম্বাটে … Read more

ধূপ বাংলাদেশের রক্ষিত মহাবিপন্ন বৃক্ষ

ধূপ গাছের বিবরণ: ধূপ বড় আকৃতির এবং ডালপালায় বিস্তৃত সুগন্ধি বিশিষ্ট চিরসবুজ বৃক্ষ, উচ্চতায় ২৫-৩০ মিটার এবং গাছের বেড় ১৮০-২৪০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। গাছের গোড়াতে ঠেসমূল (buttress) দেখা যায়। এদের গুঁড়ি কাণ্ড সরল, সোজা ও নলাকার। বাকল পুরু, সবুজাভ ধূসর বর্ণ,আঁশ ও সুগন্ধিযুক্ত এবং বাকলের উপরিভাগ লম্বালম্বিভাবে ফাটল ও খাঁজযুক্ত। গুঁড়ি কাণ্ড কাটলে গাঢ় বাদামি … Read more

গামার গাছ বাংলাদেশ ও ক্রান্তীয় অঞ্চলের বৃক্ষ

গামার গাছ-এর পরিচিতি: গামার (বোটানিক্যাল নাম Gmelina arborea ) মাঝারি আকারের পত্রহরিৎ বৃক্ষ। ২০-২৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। পাতা বিপরীত। ওভেট, একোমিনেট। ৬-১০টি শাখা শিরাযুক্ত। পানের মতো আকৃতির পাতলা। পত্রবোঁটা ২-১২ সেমি লম্বা। বাকল সাদা বা উজ্জ্বল-ধূসর। বসন্ত কালে পাতাহীন ডালে ডালে দেখা যায় গাঢ় হলুদ বরণ ফুল। ফুলের অনেক মিষ্টি গন্ধ, ফুল ৩ থেকে … Read more

কামদেব বাংলাদেশের রক্ষিত মহাবিপন্ন বৃক্ষ

কামদেব-এর বিবরণ: কামদেব মাঝারি থেকে বড় আকৃতির চিরসবুজ বৃক্ষ, উচ্চতায় ৪৫ মিটার পর্যন্ত হয়। এদের গুঁড়ি বা কাণ্ড সরল, সোজা, সিলিন্ডাকৃতি এবং বাকল অমসৃণ, বাদামি বা কালো বর্ণের ও বহিরাবরণ লম্বালম্বি খাঁজযুক্ত। বাকল থেকে হলুদাভ কষ পাওয়া যায় যা এরোমেটিক গামে পরিণত হয়। এর ডালপালাগুলো চার-কোণা বিশিষ্ট। এই বৃক্ষের পাতা পুরু, লম্বায় ৬-১২ সেন্টিমিটার, কিনারা … Read more

কন্যারি বাংলাদেশ, ভারত মায়ানমারের বিপন্ন বৃক্ষ

পরিচিতি: কন্যারি ছোট থেকে মধ্যম আকৃতির পাতাঝরা বৃক্ষ, উচ্চতায় ৭-৯ মিটার পর্যন্ত হয়। গাছের গুঁড়ি কান্ড সরল সোজা এবং বাকল মসৃণ ও ধূসর বর্ণের। এদের পাতা আয়তাকার, লম্বায় ১০-২৫ সেন্টিমিটার, কিনারা মসৃণ ও আগা সূচালো। পাতার শিরাবিন্যাস স্পষ্টরূপে প্রতীয়মান।  মার্চ-এপ্রিল মাসে পাতার কক্ষে একক বড় আকারের গন্ধরাজ ফুলের মতো সুগন্ধিযুক্ত সাদা বর্ণের ফুল ফোটে। শুকিয়ে যাওয়ার … Read more

কামরাঙা বাংলাদেশের মানুষের কাছে এক জনপ্রিয় ফল

কামরাঙা

ভূমিকা: কামরাঙা (বৈজ্ঞানিক নাম:Averrhoa carambola) ইংরেজি নাম: Carambola, Star Fruit) অক্সিলাডাসি পরিবারের এভারোয়া গণের একটি সপুষ্পক ফলদ উদ্ভিদ। বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ফল। এদের স্বাদ টক-মিষ্টি। কামরাঙা ও এর ঘনিষ্ঠ বিলিম্বি (বৈজ্ঞানিক নাম: Averrhoa bilimbi) সম্ভবত দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ার মালয় উপদ্বীপ হতে ইন্দোনেশিয়ায় উৎপন্ন। এটি চীন, থাইল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পুর্ব এশিয়ায় অন্যতম জনপ্রিয় ফল। এরা চিরসবুজ, … Read more

error: Content is protected !!