এশীয় শামখোল বা শামুকখোল পাখি: বৈশিষ্ট্য, স্বভাব ও প্রজনন কলোনি

এশীয় শামখোল (Asian Openbill): প্রকৃতিপ্রেমীদের পছন্দের এক অনন্য পাখি। এশীয় শামখোল বা শামুকখোল (বিজ্ঞানসম্মত নাম: Anastomus oscitans) কিকোনিডি পরিবারের একটি সুপরিচিত বড় আকারের পাখি। এদের শামুকভাঙ্গা বা শামকাইল নামেও ডাকা হয়। বিশ্বজুড়ে এই পাখিটি বিপদমুক্ত হলেও, বাংলাদেশে এটি একটি দুর্লভ আবাসিক পাখি হিসেবে পরিচিত। একসময় আমাদের দেশ থেকে এরা প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছিল। তবে আশার কথা হলো, গত এক দশকের নিরলস প্রচেষ্টায় শামখোল পাখি বাংলাদেশে আবারও আবাসিকের মর্যাদা ফিরে পেয়েছে।

এশীয় শামখোল পাখির বৈজ্ঞানিক পরিচয় ও শ্রেণীবিন্যাস

বৈশিষ্ট্য / ট্যাক্সোনমিবিবরণ
বাংলা নামএশীয় শামখোল, শামুকখোল, শামুকভাঙ্গা ও শামকাইল
ইংরেজি নামAsian Openbill
বৈজ্ঞানিক নামAnastomus oscitans (Boddaert, 1783)
সমনাম (Synonyms)Ardea oscitans (Boddaert, 1783)
জগৎ (Kingdom)Animalia (প্রাণীজগৎ)
পর্ব (Phylum)Chordata (মেরুদণ্ডী)
শ্রেণী (Class)Aves (পাখি)
পরিবার (Family)Ciconiidae (কিকোনিডি)
গণ (Genus)Anastomus (Linnaeus, 1758)
প্রজাতি (Species)A. oscitans

এশীয় শামখোল পাখির শারীরিক বৈশিষ্ট্য ও বর্ণনা

এশীয় শামখোল মূলত এর অনন্য খোলা ঠোঁট এবং হালকা রঙের চোখের জন্য পরিচিত একটি জলচর পাখি। স্ত্রী ও পুরুষ পাখি দেখতে হুবহু একই রকম হয়ে থাকে। নিচে এদের শারীরিক গঠনের বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হলো:

  • দৈহিক পরিমাপ: একটি পূর্ণাঙ্গ এশীয় শামখোলের শরীরের দৈর্ঘ্য প্রায় ৮১ সেন্টিমিটার। এদের ডানার আকার ৪০ সেমি, ঠোঁট ১৫.৫ সেমি, পা ১৪.৫ সেমি এবং লেজের দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ সেমি হয়ে থাকে।
  • অনন্য ঠোঁটের গঠন: এদের লম্বা ও ভারী ঠোঁটটি কালচে-লাল রঙের হয়। বড় পাখিদের দুই ঠোঁটের মাঝখানে একটি স্পষ্ট ফাঁকা জায়গা থাকে। এই ফাঁকের সাহায্যে এরা সহজেই শামুক বা ঝিনুক চেপে ভেঙে ভেতরের মাংসল অংশটি খেয়ে ফেলে। তবে একদম ছোট ছানাদের ঠোঁটে এই ফাঁক থাকে না এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখিদের ক্ষেত্রে এটি খুব কম থাকে।
  • পাখির চোখ ও পা: এদের চোখের রঙ সাধারণত সাদাটে বা হলদে-বাদামি হয় এবং চোখের চারপাশের চামড়া পালকহীন থাকে। এদের পা বেশ লম্বা এবং পায়ের পাতা অনুজ্জ্বল মেটে রঙের হয়ে থাকে।

ঋতুভেদে গায়ের রঙের পরিবর্তন

  • প্রজননকালে (Adult Breeding): এই সময়ে প্রাপ্তবয়স্ক পাখির পুরো শরীর একদম ধবধবে সাদা দেখায়। তবে এদের কাঁধ-ঢাকনি, ডানার প্রান্ত-পালক, মধ্য-পালক ও লেজের অগ্রভাগ আকর্ষণীয় সবুজাভ-কালো রঙের হয়।
  • প্রজনন মৌসুম ছাড়া (Non-breeding): প্রজননকাল ছাড়া এদের শরীরের সাদা অংশটি ধূসরাভ সাদা বা হালকা ছাইরঙ রূপ নেয়। এই সময়ে এদের লম্বা পাগুলো অনুজ্জ্বল পাটকেল বর্ণ ধারণ করে।
  • অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখির রূপ: ছোট বা অপ্রাপ্তবয়স্ক শামখোলের গায়ের রঙ ধোঁয়াটে-বাদামি এবং কাঁধের ঢাকনি কালচে-বাদামি বর্ণের হয়। এদের পাগুলো পূর্ণাঙ্গ পাখির চেয়ে বেশ অনুজ্জ্বল দেখায়।

এশীয় শামখোলের স্বভাব ও বিচরণভূমি

এশীয় শামখোল সাধারণত হাওর, বিল, হ্রদ, ধানখেত, মিঠাপানির জলাশয়, নদীর পাড় এবং উপকূলীয় প্যারাবনে (ম্যানগ্রোভ বন) বিচরণ করে। এদের জীবনযাত্রার কিছু প্রধান বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:

  • দলবদ্ধ জীবন: এরা সচরাচর ছোট ছোট ঝাঁক বেঁধে চলাফেরা করে। তবে রাতে ঘুমানোর জন্য বা প্রজননের সময় এরা বিশাল কলোনি বা বড় দল তৈরি করে গাছের ডালে আশ্রয় নেয়।
  • শান্ত স্বভাব: খাবারের অভাব না হলে এরা সাধারণত নিজেদের এলাকা পরিবর্তন করে না অর্থাৎ একই স্থানে স্থায়ীভাবে থাকে।
  • আকাশে ওড়া: এরা খুব ভোরে খাবারের সন্ধানে বের হয়। অনেক সময় দুপুরের কড়া রোদে দল বেঁধে চক্রাকারে আকাশের অনেক উঁচুতে ভেসে বেড়াতে দেখা যায়।

খাদ্য তালিকা ও শিকার পদ্ধতি

এশীয় শামখোল মূলত একটি মাংসাশী জলচর পাখি। অগভীর পানিতে বা কাদার মধ্যে ঠোঁট ডুবিয়ে এরা খাবার খুঁজে বের করে।

  • প্রধান খাদ্য: এদের প্রধান খাবার হলো বিভিন্ন প্রজাতির শামুক ও ঝিনুক।
  • অন্যান্য খাবার: শামুক ছাড়াও এরা ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী, ব্যাঙ, মাছ এবং কাঁকড়া খেয়ে জীবনধারণ করে।
  • খাওয়ার কৌশল: এরা পানির নিচে ধারালো ঠোঁট দিয়ে নিখুঁতভাবে শামুকের শক্ত খোলসটি ভেঙে ফেলে। এরপর পানির ওপর মাথা তুলে শুধু নরম মাংসটুকু গিলে খায়।

প্রজনন ঋতু ও বংশবৃদ্ধি

স্থানভেদে এশীয় শামখোলের প্রজনন সময়ে কিছুটা ভিন্নতা দেখা গেলেও সাধারণত জুলাই থেকে এপ্রিল মাসের মধ্যে এরা বংশবিস্তার করে।

  • বাসা তৈরি: এরা একা বাসা বানায় না; বরং পানকৌড়ি ও বকের সাথে মিশ্র কলোনি তৈরি করে উঁচু গাছে ডালপালা দিয়ে বাসা বাঁধে। স্ত্রী ও পুরুষ পাখি মিলে ১০-১৫ দিন ধরে এই বাসা তৈরির কাজ সম্পন্ন করে।
  • আচরণ ও শব্দ: প্রজনন ঋতুতে এরা এক ধরণের গোঙানির মতো শব্দ করে ডাকে এবং নিজেদের শক্ত ঠোঁট দিয়ে ‘ঠক্ ঠক্’ আওয়াজ তোলে।
  • ডিম ও ডিমে তা দেওয়া: এরা সাধারণত ২ থেকে ৫টি সাদা রঙের ডিম পাড়ে, যার পরিমাপ ৫.৮ × ৪.১ সেমি। স্ত্রী ও পুরুষ পাখি উভয়ই পালাক্রমে ডিমে তা দেয়।
  • ছানার জন্ম ও বড় হওয়া: প্রায় ২৫ দিন তা দেওয়ার পর ডিম ফুটে ছানা বের হয়। জন্মের পর বাবা-মা দুজনেই ছানাদের খাওয়ায় এবং ৩৫-৩৬ দিনের মাথায় ছানারা বাসা ছেড়ে স্বাধীনভাবে উড়তে শেখে।

এশীয় শামখোল পাখির ভৌগোলিক বিস্তৃতি

এশীয় শামখোল মূলত দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি সুপরিচিত জলচর পাখি। নিচে এদের দেশীয় ও বৈশ্বিক বিস্তৃতির বিস্তারিত তালিকা দেওয়া হলো:

বাংলাদেশে এশীয় শামখোল পাখির উপস্থিতি

যদিও এটি বাংলাদেশের একটি দুর্লভ আবাসিক পাখি, তবুও দেশের প্রায় সব বিভাগেই এদের কম-বেশি দেখা মেলে। বিশেষ করে নিচের অঞ্চলগুলোতে এদের বিচরণ বেশি লক্ষ্য করা যায়:

  • প্রধান বিভাগসমূহ: ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট এবং রংপুর বিভাগের বিভিন্ন হাওর, বিল ও জলাশয়।
  • উল্লেখযোগ্য স্থান ও জেলা: রাজশাহীর দুর্গাপুর ও পুঠিয়া, নাটোর, ফেনী, সান্তাহার, মহাদেবপুর এবং জয়পুরহাট।
  • বিশেষ কলোনি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এবং সিলেটের বিভিন্ন বিখ্যাত হাওর অঞ্চল (যেমন: টাঙ্গুয়ার হাওর বা হাকালুকি হাওর)।

বৈশ্বিক বিস্তৃতি

বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এশীয় শামখোল পাখির স্থায়ী আবাস রয়েছে। দেশগুলো হলো:

  • দক্ষিণ এশিয়া: ভারত, পাকিস্তান, নেপাল এবং শ্রীলঙ্কা।
  • দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া: মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া এবং ভিয়েতনাম।

এশীয় শামখোলের বর্তমান অবস্থা ও সংরক্ষণ

এশীয় শামখোল পাখিটির বৈশ্বিক এবং দেশীয় নিরাপত্তা বা সংরক্ষণ অবস্থা কিছুটা ভিন্ন। নিচে এর বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরা হলো:

  • বৈশ্বিক অবস্থা: আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে এশীয় শামখোল এখনো একটি বিপদমুক্ত পাখি হিসেবে বিবেচিত। ২০০৯ সালে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ’ গ্রন্থেও এটিকে পৃথিবীতে বিপদমুক্ত পাখি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
  • বাংলাদেশে বর্তমান অবস্থা: বৈশ্বিকভাবে নিরাপদ হলেও, স্থানীয়ভাবে আমাদের বাংলাদেশে এই পাখিটি বর্তমানে সংকটাপন্ন (Vulnerable) হিসেবে বিবেচিত। আবাসস্থল ধ্বংস এবং খাদ্যের অভাবের কারণে দেশে এদের অস্তিত্ব দিন দিন ঝুঁকির মুখে পড়ছে।

এশীয় শামখোল সম্পর্কে কিছু জানা-অজানা তথ্য

  • গণের বৈচিত্র্য: বিশ্বজুড়ে Anastomus গণে মাত্র ২টি প্রজাতির শামখোল পাখি রয়েছে।
  • বাংলাদেশের গৌরব: এই দুই প্রজাতির মধ্যে একটি প্রজাতিই হলো আমাদের এই ‘এশীয় শামখোল’, যা বাংলাদেশে পাওয়া যায় (অন্য প্রজাতিটি হলো আফ্রিকান শামখোল বা African Openbill)।

এশীয় শামখোল হত্যাকাণ্ড: ২০১২ সালের একটি কালো অধ্যায়

বাংলাদেশে এশীয় শামখোল পাখি সংরক্ষণের পথটি মোটেও সহজ ছিল না। এই পাখিদের রক্ষায় যেমন অনেক পরিবেশপ্রেমী অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, তেমনি কিছু নির্মম ঘটনার মুখোমুখিও হতে হয়েছে। এমনই একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটেছিল ২০১২ সালে।

  • নির্মম ঘটনা: ২২ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখে ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী বয়রা-সালাকান্দি গ্রামে প্রায় ৫০টি এশীয় শামখোল পাখিকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়।
  • সংরক্ষণের প্রচেষ্টা: এই বিপন্ন পাখিদের জীবন বাঁচাতে দীর্ঘ চার বছর ধরে স্থানীয় পরিবেশকর্মী ও পাখিপ্রেমীরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। এই মহৎ উদ্যোগে গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট অধ্যাপক ড. আমিনুর রহমান স্যারের মতো বিশেষজ্ঞরা সরাসরি যুক্ত থেকে অবদান রাখার চেষ্টা করেছেন।
  • বর্তমান সচেতনতার গুরুত্ব: এই ধরনের নির্মম শিকার ও আইনি উদাসীনতার কারণেই বাংলাদেশে আজ শামখোল পাখি সংকটাপন্ন অবস্থায় রয়েছে। এই সুন্দর জলচর পাখিদের টিকিয়ে রাখতে আইনি কঠোরতা এবং সামাজিক সচেতনতা তৈরি করা এখন সময়ের দাবি।

বাংলাদেশে এশীয় শামখোল পাখির প্রধান কলোনি ও প্রজনন এলাকা

এশীয় শামখোল বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি নির্দিষ্ট জেলায় নিয়মিত বাসা তৈরি করে এবং বংশবিস্তার করে। দেশের উল্লেখযোগ্য প্রজনন কলোনিগুলোর বিস্তারিত তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

  • রাজশাহী: ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত পুঠিয়া উপজেলার ভাল্লুকগাছি চকপাড়া গ্রামের আবদুল হামিদের আমবাগানে এদের বড় কলোনি ছিল। এর আগে ২০০৭ সালে দুর্গাপুরের বাজখুলশী গ্রামেও এরা বাসা বেঁধেছিল।
  • নাটোর: নাটোরের সমসখলশি গ্রামে গত কয়েক বছর ধরে এরা নিয়মিত বাসা তৈরি করছে। ২০১৪ সালের এক হিসাব অনুযায়ী, এই গ্রামে অন্তত ২,০০০ শামখোল পাখি একসাথে বসবাস করছিল।
  • নওগাঁ: মহাদেবপুরের আলীদেওনা গ্রামে ২০১৪ সালে এদের বিশাল কলোনি দেখা যায়, যেখানে এরা সফলভাবে বাসা বানায় ও ছানা তোলে।
  • কুষ্টিয়া: ২০০৯ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত কুষ্টিয়া সদর উপজেলার একটি গ্রামে এরা প্রজনন করে। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে মিরপুর থানার আটিগ্রামেও এদের নতুন বাসা তৈরির তথ্য পাওয়া যায়।
  • ঠাকুরগাঁও: ঠাকুরগাঁও জেলা শহর থেকে গড়েয়া যাওয়ার পথে ডানপাশের ছোট গ্রাম বটতলীর ‘গেঁদা মাস্টারের বাগানে’ এদের নিয়মিত বিচরণ ও কলোনি রয়েছে।
  • জয়পুরহাট: আক্কেলপুর উপজেলার শাখিদারপাড়া গ্রামে ২০০৩ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে এরা সফলভাবে প্রজনন কলোনি টিকিয়ে রেখেছিল।
  • ফেনী: ফেনী জেলাতেও এই পাখির বাসা তৈরির কিছু প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে, তবে এই অঞ্চলের বিস্তারিত তথ্য এখনো অসম্পূর্ণ।

আরো পড়ুন:

তথ্যসূত্র, কৃতজ্ঞতা স্বীকার ও টিকা

এই নিবন্ধটি তৈরিতে নিচের নির্ভরযোগ্য উৎস ও গবেষণাপত্রের সাহায্য নেওয়া হয়েছে:

  1. বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ (খণ্ড ২৬): ‘পাখি’ অংশ, পৃষ্ঠা: ৩০২-৩০৩। লেখক ও সম্পাদক: এম ফরিদ আহসান, মোনাওয়ার আহমাদ, সৈয়দ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, আবু তৈয়ব আবু আহমদ। ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি (১ম সংস্করণ, আগস্ট ২০০৯)। আইএসবিএন: 984-30000-0286-0
  2. দৈনিক প্রথম আলো: আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ, “ছেড়ে আমের আশা এখন পাখির বাসা”, ঢাকা সংস্করণ, ২৮ নভেম্বর ২০১২। আর্কাইভ লিংক http://archive.prothom-alo.com/detail/date/2012-11-28/news/308955।
  3. নিবন্ধের ইতিহাস ও আপডেট: এই গুরুত্বপূর্ণ নিবন্ধটি সর্বপ্রথম ৩০ নভেম্বর ২০১২ তারিখে প্রাণকাকলি ব্লগে প্রকাশিত হয়েছিল। পরে ১৫ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে রোদ্দুরে.কমে পুনঃপ্রকাশিত হয়েছিল। সর্বশেষ নতুন তথ্যসহ নিবন্ধটি ২ জুন ২০২৬ তারিখে সম্পূর্ণ আপডেট বা পরিমার্জন করা হয়েছে।

Leave a Comment

error: Content is protected !!