জিগা বা জিকা অরণ্যে জন্মানো পত্রমোচী ভেষজ গুণসম্পন্ন বৃক্ষ

জিকা

বাকল থেকে নিঃসরিত আঠা সুতিবস্ত্র প্রস্তুতিতে ব্যবহার করা যায়। পত্র ও পল্লব উত্তম পশু খাদ্য। কাঠ গৃহ নির্মাণ, বাক্স তৈরি, আসবাবপত্র তৈরি, গবাদিপশুর জোয়ালি তৈরি, লাঙ্গলের দণ্ড তৈরি, বক্রতা ও কুন্দকারের কাজে ব্যবহৃত হতে পারে।আরো পড়ুন

মারলিজা এশিয়ার দেশসমূহে জন্মানো বিরল প্রজাতির ভেষজ উদ্ভিদ

ধূসর বাকলযুক্ত ক্ষুদ্র পর্ণমোচী বৃক্ষ। পত্র সরল, একান্তর, সবৃন্তক, ডিম্বাকার বা ডিম্বাকৃতি-তাম্বুলাকার, উভয় পৃষ্ঠ রোমশ। পুষ্পবিন্যাস কাক্ষিক সাইম। পুষ্প সাদা, গর্ভশীর্ষপুষ্পী। বৃত্যংশ ৭-৮টি, মুক্ত বা নিম্নাংশে কিছুটা যমক।আরো পড়ুন

আঁকুরা পর্ণমোচী অরণ্যে জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

আঁকুরা

ক্ষুদ্র থেকে মাঝারি আকারের বৃক্ষ, প্রশাখার সর্বত্র জুড়ে ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত, কখনও কণ্টক-শীর্ষ। পত্র সরল, ১৪.০ X ২.৫ সেমি, খর্ব, সবৃন্তক, আয়তাকার-বল্লমাকার, অর্ধচর্মবৎ, নিম্নাংশ থেকে ৩-৫টি শিরাবিশিষ্ট। পুষ্পবিন্যাস কাক্ষিক গুচ্ছ সাইম। পুষ্প প্রায় ১.৫ সেমি প্রশস্ত, সবৃন্ত, উভলিঙ্গ, গর্ভশীর্ষপুষ্পী, সাদা, মিষ্টি গন্ধযুক্ত। আরো পড়ুন

জাগমদন এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুণ সম্পন্ন গুল্ম

গাছের পাতার পেষ্ট ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগার চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। পাতা এবং কচি ডগা বিশেষ ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য সংশ্লেষণকারী এবং ক্বাথ হিসেবে দীর্ঘমেয়াদী বাতের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। পাতার নির্যাস আভ্যন্ত রীণভাবে মাথা ব্যথা, অসাড়তা এবং মুখমণ্ডলের প্যারালাইসিসের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করা হয়।আরো পড়ুন

নীল ঝাঁটি বা বনমালী বাংলাদেশে জন্মানো ভেষজ গুল্ম

এই প্রজাতিটি বনভূমিতে দেখা যায়। মূলত বন্য পরিবেশে ভালো জন্মে। বাড়ির বাগানে লাগাতে চাইলে যত্ন নিতে হবে। ফুল ও ফল ধারণ নভেম্বর-মার্চ। বংশ বিস্তার হয় বীজ দ্বারা।আরো পড়ুন

স্বর্ণ ঝিন্টি বা কান্তা-জান্তি গ্রীষ্মমণ্ডলীয় দেশের ভেষজ গুল্ম

গ্রামের চারপার্শ্বে এবং গুল্ম উদ্যানে, কখনও কখনও মাঠ, বাগান ইত্যাদির সীমানা নির্দেশক বেড়া হিসেবে লাগানো হয়। ফুল ও ফল ধারণ নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি। কাটিং এর মাধ্যমে সহজেই বংশ বিস্তার করা যায়। তাছাড়া বীজের মাধ্যমেও বংশ বিস্তার হয়।আরো পড়ুন

শিমুল আলু বা কাসাভা হচ্ছে শর্করা জাতীয় কন্দজ গুল্ম

শিমুল আলু

সুনিষ্কাশিত জমিতে চাষাবাদকৃত। শিমুল আলু গাছে সেচ দেওয়ার বিশেষ প্রয়োজন নাই। শীতের শেষ হতেই লাগিয়ে দিলে ভালভাবে বৃদ্ধি পাবে। ফুল ও ফল ধারণ সেপ্টেম্বর-জানুয়ারি। বংশ বিস্তার হয় বীজে বংশ বিস্তার।আরো পড়ুন

কাজুবাদামের বিস্ময়কর স্বাস্থ্য উপকারিতা, ভেষজ গুণ ও চাষ পদ্ধতি

কাজুবাদাম গাছ (Anacardium occidentale) এবং এর সবুজ পাতার বিস্তারিত দৃশ্য।

বাকলের অল্টারেটিভ ও কোষ্ঠ বর্ধক গুণাবলী রয়েছে। মূল জোলাপ এবং ফল ডায়রিয়ার প্রতিরোধক, বাকলের রস চুলকানি বা উত্তেজক প্রশমনকরী। বাহ্যিকভাবে এটি কুষ্ঠ, গোলকৃমি, পায়ের কড়া ও দুর্দমনীয় আলসারে ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন

ব্রাক্ষ্মী শাক বাংলাদের প্রচলিত ভেষজ প্রজাতি

ব্রাহ্মী

জলযুক্ত এলাকা, বালুকাময় সমুদ্র সৈকত, পুকুর পাড় এবং নিম্নভূমি। যে স্থানে রোদের আলো কম পড়ে সেখানে এই লতা প্রচুর জন্মে। এছাড়া বিভিন্ন মৌসুমি সবজির ক্ষেতে আগাছা হিসাবে জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ মে-ডিসেম্বর মাস। আরো পড়ুন 

কালমেঘ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুণসম্পন বর্ষজীবী উদ্ভিদ

কালমেঘ

কালমেঘ (বৈজ্ঞানিক নাম: Andrographis paniculata) একটি বর্ষজীবী উদ্ভিদ। এর সাধারণ গুণ হলো- এটি তিক্তরস, অগ্নিপীপক, রুচিকর, রেচক, বলকারক, কৃমিনাশক, জ্বরাতিসবার নাশক।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!