জগডুমুর এশিয়ার অপ্রচলিত ফল ও সবজি

পরিচিতি: জগডুমুর মোরাসি বা তুঁত পরিবারের ফাইকাস গণের উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের বৃক্ষ। বট পরিবারের উদ্ভিদ। এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার উদ্ভিদ। এটির ফল রান্না করে এবং পাকার পরে খাওয়া যায়। দেশি রেসাস বানরের এটি প্রধান খাবার। অনেক পাখি স্তন্যপায়ী ও প্রাণীর পছন্দের খাবার। ডুমুর পৃথিবীর প্রাচীনতম ফলগুলোর মধ্যে একটি। জগডুমুর শাখা-প্রশাখাময় বিশালাকার বৃক্ষ। পাতা বড়, ডিম্বাকৃতির ও অমসৃণ। … Read more

গোলাপি অলকানন্দা বাংলাদেশে দুর্লভ ফুল

পরিচিতি: গোলাপি অলকানন্দা অ্যাপোসিনাসিয়াই (Apocynaceae) পরিবারের একটি লতা জাতীয় গুল্মের প্রজাতি। এই পরিবারেরই অন্য দুটি প্রজাতি হচ্ছে অলকানন্দা ও রক্তকরবী। এর বৈজ্ঞানিক নামটি বেশ খটোমটো : স্ট্রফ্যানথাস গ্রাটুস (Strophanthus gratus). তবে এর প্রচলিত ইংরেজি নামগুলোর একটি হলো ক্লাইম্বিং ওলিয়েন্ডার আরেকটি হলো রোজ অ্যালামন্ডা। নামেই বোঝা যায়, রক্তকরবী আর অলকানন্দার সাথে এর চেহারা-বৈশিষ্ট্যের মিলও আছে। কিন্তু এই … Read more

বামনহাটি এশিয়ার দেশসমূহে জন্মানো বহুবর্ষজীবি ঔষধি গুল্ম

পরিচিতি: উদ্ভিদ বহুবর্ষজীবি গুল্ম। কান্ড ফাঁপা , চার কোণাকার , বাকল ফিকে ধুসর, মসৃণ ও চকচকে । পাতা সরল , বৃন্তহীন, বল্লমাকার, রোমহীন। এক আবর্তে ৩-৬ টি পাতা থাকে। পুষ্পবিন্যাস পত্রময়, শীর্ষক প্যানিকল। ফুল ক্রিম সদৃশ সাদা, মঞ্জরীপত্রযুক্ত। বৃতি ঘন্টাকার। বামনহাটি-এর বিস্তৃতি: ভারতীয় উপমহাদেশসহ এশিয়ার প্রায় সব দেশেই বামনহাটি দেখা যায়। ফাঁপা কাণ্ডের চিকন সবুজ … Read more

বাংলা ঢোলপাতা বা কানশিরে বাংলাদেশ ও এশিয়ার ভেষজ তৃণ

ঢোলপাতা বা বাংলা ঢোলপাতা বা দেশি কানশিরে বা কানছিঁড়ে বা কানাইবাঁশি (বৈজ্ঞানিক নাম: Commelina benghalensis) হচ্ছে উষ্ণমণ্ডলীয় এশিয়া ও আফ্রিকার উদ্ভিদ। এরা বহুবর্ষজীবী এবং ব্যাপক ভাবে তার আদি বাস ছেড়ে হাওয়াই, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নর্থ আমেরিকাতে বিস্তার লাভ করেছে। এই উদ্ভিদে নীল বর্ণের তিন পাপড়ির ফুল ফোটে। আরো পড়ুন

কানাইডিঙ্গা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

কানাইডিঙ্গা-এর বিবরণ: কানাইডিঙ্গা ছোট থেকে মাঝারি আকৃতির পাতাঝরা বৃক্ষ, উচ্চতায় ৮-১২ মিটার বা সর্বোচ্চ ২০ মিটার হয়ে থাকে। এদের গুঁড়ি কান্ড সরল সোজা নলাকার এবং বাকল পুরু, নরম ও ধূসর বাদামি বর্ণের। পাতা যৌগিক, বোটা লম্বাটে, পত্রফলক লম্বায় ১২০-১৮০ সেন্টিমিটার, দ্বি বা ত্রি-শ্বাখান্বিতভাবে এবং অসংখ্য পত্রকযুক্ত। পত্রকগুলো ডিম্বাকার, লম্বায় ৭-২০ সেন্টিমিটার ও চওড়ায় ২-৭ সেন্টিমিটার, … Read more

লাল শাপলা বাংলাদেশের জলজ আলংকারিক ফুল

লাল শাপলা বা রক্ত কমল (বৈজ্ঞানিক নাম: Nymphaea rubra) শাপলা পরিবারের একটি জলজ উদ্ভিদ। এটি বাংলার প্রজাতি। পাতা এবং বোঁটা লালচে সবুজ। ফুল ডাবল, ১০-২০ সেমি চওড়া, অনেকগুলি পাপড়ি এবং পাপড়ির রঙ লাল। লাল শাপলা রাতে ফোটে। গোলাকার ফলে অনেকগুলো ছোট ছোট বীজ হয়। বীজ খাওয়া যায়। গোঁড়ার চারা থেকে চাষ করা হয়। আলংকারিক ফুল … Read more

বাজনা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

বাজনা-এর বিবরণ: বাজনা মধ্যম আকৃতির ডালপালা বিশিষ্ট কন্টকযুক্ত পাতাঝরা বৃক্ষ, উচ্চতায় ১২-২০মিটার এবং গাছের বেড় ৭৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। বাজনাগাছের সব অংশই সুগন্ধযুক্ত হওয়ায় এটি সুগন্ধি গাছ হিসেবে পরিচিত। এদের গুঁড়ি কাণ্ড সরল, সোজা, গোলাকার এবং প্রধান কান্ডসহ ডালপালার গায়ে বেশ মোটা মজবুত তীক্ষ্ণ বড় বড় কাঁটা বিদ্যমান। বাকল পুরু, মসৃণ, নরম ও হালকা হলদেটে … Read more

শীল বাটনা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

বৈজ্ঞানিক নাম: Castanopsis indica (Roxb. ex Lindl.) A.DC., 1863 সমনাম: Castanea indica Roxburgh ex Lindl.; Castanopsis macrostachya Hu; Castanopsis sinensis A. Chev.; Castanopsis subacuminata Hayata; Quercus acutissima (Endl.) A. Camus; Quercus dubia Lindl. ex Wall.; Quercus indica Drake; Quercus prinodes Voigt; Quercus prinoides Willd.; Quercus roxburghii Endl.; Quercus serrata Roxb.; বাংলা ও স্থানীয় নাম: শীল বাটনা (চট্টগ্রাম), … Read more

জাত বাটনা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

জাত বাটন- এর বিবরণ: জাত বাটনা ছোট থেকে মাঝারি আকৃতির ডালপালা বিশিষ্ট চিরসবুজ বৃক্ষ,উচ্চতায় ২০-২৫ মিটার পর্যন্ত হয়। এদের গুঁড়ি কাণ্ড সরল, সোজা এবং গোলাকার। বাকল ধূসর-বাদামি বর্ণের এবং বাকলের উপরি ভাগ ঘনভাবে ফাটলযুক্ত। এদের পাতা সরল, আয়তাকার, লম্বায় ১২-২০ সেন্টিমিটার, পাতার উপরিপৃষ্ঠ উজ্জ্বল ও নিম্নপৃষ্ঠ লালচে, কিনারা মসৃণ এবং আগা সূচালো। মে-জুন মাসে লম্বা … Read more

কালা বাটনা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

কালা বাটনা -এর বিবরণ: কালা বাটনা বড় আকৃতির ও ডালপালা বিশিষ্ট চিরসবুজ বৃক্ষ, উচ্চতায় ৩০-৩৫ মিটার পর্যন্ত হয়। গুঁড়ি কাণ্ড সরল, সোজা এবং গোলাকার। বাকল কালো ধূসর বর্ণের এবং বহিরাবরণ লম্বালম্বি ফাটলযুক্ত। এদের পাতা সরল, আয়তাকার, লম্বায় ১৫-৩০ সেন্টিমিটার, কিনারা মসৃণ এবং আগা সূচালো। জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে স্পাইক ধরনের পুষ্পবিন্যাসে ফুল ধরে। একই গাছে পুংফুলের স্পাইক … Read more

error: Content is protected !!