বেলী ফুল এশিয়া ও ইউরোপের জনপ্রিয় ভেষজ গুণ সম্পন্ন আলংকারিক উদ্ভিদ

বেলী ফুল

সুগন্ধি ফুলের মধ্যে বেলী জাতীয় ফুলগুলি অন্যতম। কারণ এদের মৃদুমন্দ সুমিষ্ট গন্ধের জন্য এই জাতীয় ফুলের কদর বেশি। সাধারণতঃ জুলাই মাসে বেলীর চারা রোপণ করা হয়। কাটিং বা শাখা-কলম, দাবা-কলম দুটি অথবা মাতৃ উদ্ভিদ থেকে শিকড়সহ পৃথক চারা বংশ বিস্তারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এদের ফল কালো বর্ণের বেরীর মতো। বৃতি কর্তৃক বেষ্টিত। বেলী গাছে বর্ষাকালে জলসেচনের বিশেষ প্রয়োজন হয় না। শুধু মাঝে মাঝে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে মাটি আলগা করে দিতে হবে এবং আগাছা পরিষ্কার করে দিতে হবে। শীতকালে ও গ্রীষ্মকালে নিয়মিত সেচ দিতে হবে। আরো পড়ুন

জারুল বাংলাদেশের নান্দনিক পথতরু

বিবরণ: জারুল মধ্যমাকৃতি, পত্রমোচী বৃক্ষ। এদের পত্র বৃহৎ, ৬ ইঞ্চি থেকে ৮ ইঞ্চি দীর্ঘ, আয়তাকার, মসৃণ। পত্রবৃন্ত আধা ইঞ্চি পর্যন্ত হতে পারে। এদের মঞ্জরি অনিয়ত, শাখায়িত, বহুপৌষ্পিক ও প্রান্তিক। ফুল বেগুনি, ২ থেকে আড়াই ইঞ্চি প্রশস্ত। বৃতি সবুজ, দৃঢ়, স্থায়ী এবং ৬ বৃত্যংশে বিভক্ত। পাপড়ি ৬, প্রায় ১ ইঞ্চি দীর্ঘ, কোমল এবং আন্দোলিত-প্রান্তিক। পরাগকেশর অসংখ্য, … Read more

বিলাতি জারুল বাংলাদেশের দুর্লভ পথতরু

বিবরণ: ঢাকায় জারুলের একটি অন্তরঙ্গ প্রজাতি আছে যার বাংলা নাম বিলাতি জারুল। এটিও জারুলের আয়তনবিশিষ্ট, কাণ্ড আরো মসৃণ, অধিকতর পাণ্ডুবর্ণ আর পাতা লম্বা-ডিম্বাকৃতি এবং আয়তনেও অনেকটা ছোট, আকারে পেয়ারা পাতার খুবই ঘনিষ্ঠ, কচি পাতা তামাটে। এরাও জারুলের মতোই পত্রমোচী এবং পত্রমোচনের কালও এক। কিন্তু ফুল ফোটে জারুলের অনেক পরে, ঘনবর্ষায় আর ফুল আয়তনে জারুলের চেয়ে … Read more

জগডুমুর এশিয়ার অপ্রচলিত ফল ও সবজি

পরিচিতি: জগডুমুর মোরাসি বা তুঁত পরিবারের ফাইকাস গণের উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের বৃক্ষ। বট পরিবারের উদ্ভিদ। এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার উদ্ভিদ। এটির ফল রান্না করে এবং পাকার পরে খাওয়া যায়। দেশি রেসাস বানরের এটি প্রধান খাবার। অনেক পাখি স্তন্যপায়ী ও প্রাণীর পছন্দের খাবার। ডুমুর পৃথিবীর প্রাচীনতম ফলগুলোর মধ্যে একটি। জগডুমুর শাখা-প্রশাখাময় বিশালাকার বৃক্ষ। পাতা বড়, ডিম্বাকৃতির ও অমসৃণ। … Read more

গোলাপি অলকানন্দা বাংলাদেশে দুর্লভ ফুল

পরিচিতি: গোলাপি অলকানন্দা অ্যাপোসিনাসিয়াই (Apocynaceae) পরিবারের একটি লতা জাতীয় গুল্মের প্রজাতি। এই পরিবারেরই অন্য দুটি প্রজাতি হচ্ছে অলকানন্দা ও রক্তকরবী। এর বৈজ্ঞানিক নামটি বেশ খটোমটো : স্ট্রফ্যানথাস গ্রাটুস (Strophanthus gratus). তবে এর প্রচলিত ইংরেজি নামগুলোর একটি হলো ক্লাইম্বিং ওলিয়েন্ডার আরেকটি হলো রোজ অ্যালামন্ডা। নামেই বোঝা যায়, রক্তকরবী আর অলকানন্দার সাথে এর চেহারা-বৈশিষ্ট্যের মিলও আছে। কিন্তু এই … Read more

বামনহাটি এশিয়ার দেশসমূহে জন্মানো বহুবর্ষজীবি ঔষধি গুল্ম

পরিচিতি: উদ্ভিদ বহুবর্ষজীবি গুল্ম। কান্ড ফাঁপা , চার কোণাকার , বাকল ফিকে ধুসর, মসৃণ ও চকচকে । পাতা সরল , বৃন্তহীন, বল্লমাকার, রোমহীন। এক আবর্তে ৩-৬ টি পাতা থাকে। পুষ্পবিন্যাস পত্রময়, শীর্ষক প্যানিকল। ফুল ক্রিম সদৃশ সাদা, মঞ্জরীপত্রযুক্ত। বৃতি ঘন্টাকার। বামনহাটি-এর বিস্তৃতি: ভারতীয় উপমহাদেশসহ এশিয়ার প্রায় সব দেশেই বামনহাটি দেখা যায়। ফাঁপা কাণ্ডের চিকন সবুজ … Read more

বাংলা ঢোলপাতা বা কানশিরে বাংলাদেশ ও এশিয়ার ভেষজ তৃণ

ঢোলপাতা বা বাংলা ঢোলপাতা বা দেশি কানশিরে বা কানছিঁড়ে বা কানাইবাঁশি (বৈজ্ঞানিক নাম: Commelina benghalensis) হচ্ছে উষ্ণমণ্ডলীয় এশিয়া ও আফ্রিকার উদ্ভিদ। এরা বহুবর্ষজীবী এবং ব্যাপক ভাবে তার আদি বাস ছেড়ে হাওয়াই, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নর্থ আমেরিকাতে বিস্তার লাভ করেছে। এই উদ্ভিদে নীল বর্ণের তিন পাপড়ির ফুল ফোটে। আরো পড়ুন

কানাইডিঙ্গা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

কানাইডিঙ্গা-এর বিবরণ: কানাইডিঙ্গা ছোট থেকে মাঝারি আকৃতির পাতাঝরা বৃক্ষ, উচ্চতায় ৮-১২ মিটার বা সর্বোচ্চ ২০ মিটার হয়ে থাকে। এদের গুঁড়ি কান্ড সরল সোজা নলাকার এবং বাকল পুরু, নরম ও ধূসর বাদামি বর্ণের। পাতা যৌগিক, বোটা লম্বাটে, পত্রফলক লম্বায় ১২০-১৮০ সেন্টিমিটার, দ্বি বা ত্রি-শ্বাখান্বিতভাবে এবং অসংখ্য পত্রকযুক্ত। পত্রকগুলো ডিম্বাকার, লম্বায় ৭-২০ সেন্টিমিটার ও চওড়ায় ২-৭ সেন্টিমিটার, … Read more

লাল শাপলা বাংলাদেশের জলজ আলংকারিক ফুল

লাল শাপলা বা রক্ত কমল (বৈজ্ঞানিক নাম: Nymphaea rubra) শাপলা পরিবারের একটি জলজ উদ্ভিদ। এটি বাংলার প্রজাতি। পাতা এবং বোঁটা লালচে সবুজ। ফুল ডাবল, ১০-২০ সেমি চওড়া, অনেকগুলি পাপড়ি এবং পাপড়ির রঙ লাল। লাল শাপলা রাতে ফোটে। গোলাকার ফলে অনেকগুলো ছোট ছোট বীজ হয়। বীজ খাওয়া যায়। গোঁড়ার চারা থেকে চাষ করা হয়। আলংকারিক ফুল … Read more

বাজনা বাংলাদেশের বিপন্ন বৃক্ষ

বাজনা-এর বিবরণ: বাজনা মধ্যম আকৃতির ডালপালা বিশিষ্ট কন্টকযুক্ত পাতাঝরা বৃক্ষ, উচ্চতায় ১২-২০মিটার এবং গাছের বেড় ৭৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়। বাজনাগাছের সব অংশই সুগন্ধযুক্ত হওয়ায় এটি সুগন্ধি গাছ হিসেবে পরিচিত। এদের গুঁড়ি কাণ্ড সরল, সোজা, গোলাকার এবং প্রধান কান্ডসহ ডালপালার গায়ে বেশ মোটা মজবুত তীক্ষ্ণ বড় বড় কাঁটা বিদ্যমান। বাকল পুরু, মসৃণ, নরম ও হালকা হলদেটে … Read more

error: Content is protected !!