দূর্বা বাংলাদেশে জন্মানো ঔষধি গুণসম্পন্ন ঘাস
দূর্বা একটি ঔষধি গুণসম্পন্ন ঘাস। এদের বৈজ্ঞানিক নাম: Cynodon dactylon, (L.) Pers এবং এরা পোয়াসি পরিবারের ঘাস। এই ঘাসটির ঔষধি ব্যবহার নিচে উল্লেখ করা হলো। আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
দূর্বা একটি ঔষধি গুণসম্পন্ন ঘাস। এদের বৈজ্ঞানিক নাম: Cynodon dactylon, (L.) Pers এবং এরা পোয়াসি পরিবারের ঘাস। এই ঘাসটির ঔষধি ব্যবহার নিচে উল্লেখ করা হলো। আরো পড়ুন
বিলাতি আমড়া এনাকার্ডিয়াসি পরিবারের স্পনডিয়াস গণের একটি ফলদ বৃক্ষ। এটি বাংলাদেশে জনপ্রিয় ফলদায়ী গাছ। বাংলাদেশের প্রায় সব স্থানে এটি পাওয়া যায়, অনেকে বেড়ার ধারে এটাকে লাগিয়ে রাখেন। আরো পড়ুন
সারা দেশে কমবেশি চাষ করা হয়। সরষে বর্ষবীজী বীরুৎ প্রজাতির। হলুদ রঙের ফুল হয়। গাছ প্রায় এক মিটারের কাছাকাছি বড় হয়। পাতা বড় হয়। ফুল বড় হয়। অগ্রভাগ কিছুটা গুচ্ছবদ্ধ হয়। হলুদ কিংবা পীত বর্ণের। আরো পড়ুন
হলুদ আমরুল দেখতে সরু ও লতানো শাক বিশেষ। এটা দেখতে ছোট ও মাটিতেই প্রসারিত হয়। মাটিতে চাপা হয়ে লেগে থাকে। এর প্রচলিত নাম আমরুল শাক। এটিতে ৩ থেকে ৪ ইঞ্চি সুতার মতো সরু ডাটায় তিনটি পাতা হয়। আরো পড়ুন
আঙুর লতা থেকে পাকানো আঁকড়ি বেরিয়ে জড়িয়ে যায় অন্য গাছে বা মাচায়, এরপরে বিস্তৃত হয়। এই লতা বেশ শক্ত, এর পাতার উপরটা লোমযুক্ত, দেখতে অনেকটা করলা বা উচ্ছের পাতার মতো, আরো পড়ুন
পরিচিতি: বাংলা ভাষায় এদের নাম বকুল, বহুল, বুকাল, বাকুল, বাকাল। তবে বকুল নামেই বেশি পরিচিত। বকুলের আদি আবাস ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আন্দামান ও বার্মা। তবে বর্তমানে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগর তীরবর্তী এলাকার ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলংকা, বার্মা, ইন্দো-চীন, থাইল্যান্ড, আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ এলাকা জুড়ে এই গাছ দেখতে পাওয়া যায়। এছাড়া, মালয়েশিয়া, সলোমন দ্বীপপুঞ্জ, নিউ ক্যালিডোনিয়া (ফ্রান্স), ভানুয়াতু, এবং উত্তর অস্ট্রেলিয়াতে এই গাছ চাষ করা হয়। আরো পড়ুন
অর্জুন কমব্রেটাসি পরিবারের টারমিনালিয়া গণের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঔষধি বৃক্ষ। পরিণত বয়সে গাছ ১০ থেকে ১৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। এছাড়া এই গাছের উচ্চতা ১৫ থেকে ২০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। আরো পড়ুন
সরু এবং লতা জাতীয় উদ্ভিদ। পাতা যুক্ত এবং কাণ্ডের দুদিকে জন্মায়। কিছুটা ডিম্বাকৃতির লম্বা এবং আগার দিকটা মোটা থাকে। আরো পড়ুন
মসুর শীতকালে তোলার ফসল। কাতিক ও অগ্রহায়ণ মাসে ক্ষেতে বীজ ছড়ানো হয়। ক্ষদ্র ক্ষুপ বা গুল্ম জাতীয় গাছ। মসুর এক থেকে দেড় ফুটের বেশি উচু হয় না। আরো পড়ুন
অযত্নে জন্মায় এই গাছ। দেখতে মধ্যমাকার হয়। ২৫ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত উচু হতে দেখা যায়। পর্ণমোচী বৃক্ষ, ১০-২০ মিটার উঁচু, তরুণ বিটপ। রেশমী রোমশ। তরুণ গাছের বাকল ভস্ম বর্ণের ও মসৃণ এবং পুরাতন গাছের বাকল বাদামী। এর লম্বা পত্রবৃন্তে ৩ থেকে ৬ জোড়া পর্যন্ত পাতা হতে দেখা যায়। পাতার আকার অনেকটা কাক জামের (Eugenia fruticosa) পাতার মতো। পাতা যৌগিক, পত্রক অক্ষ ৮-১২ সেমি লম্বা, গ্রন্থিবিহীন। পত্রক ২-৮ জোড়া, প্রায় দৈর্ঘ্যে ৬-১৭ ও প্রস্থ ৩.৫-৭.৫ সেমি, ডিম্বাকৃতি-উপবৃত্তাকার, সূক্ষ্মাগ্র বা দীঘা, উপর পৃষ্ঠ গাঢ় সবুজ ও চকচকে, প্রথম অবস্থায় অঙ্কীয় পৃষ্ঠ রৌপ্য রোমশ এবং শেষে ফ্যাকাশে, উপপত্র তুরপুন আকার, অতি ক্ষুদ্র, ১-২ মিমি লম্বা, আশুপাতী। আরো পড়ুন