পুনর্নবা এশিয়ার গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের ঔষধি লতা

পুনর্নবা নিকটাগনিয়াসি পরিবারের বোয়েরহাভিয়া গণের বহুবর্ষজীবী লতানো বা আরোহী বীরুৎ।[১] এদের পাতা ও ডাঁটা লালচে, এমনকি ফলও লালচে হয়। আরো পড়ুন

মান্দার বা পারিজাত হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার রক্ত রাঙা আলংকারিক দৃষ্টিনন্দন ফুল

মান্দার বা পারিজাত

ভূমিকা:  মান্দার, পারিজাত (বৈজ্ঞানিক নাম: Erythrina variegata  ইংরেজি: Indian Coral Tree) এটি ফেবাসিস পরিবারের ইরিথ্রিনা  গণের কাঁটাযুক্ত লাল ফুলবিশিষ্ট বৃক্ষ। একে বাংলায় বলে পালতে বা পালধে মাদার, গ্রামাঞ্চলে বলে তে-পালতে, হিন্দিভাষী অঞ্চলে বলে ‘মান্দার ফরহদ, আবার মেদিনীপুর অঞ্চলেও ‘ফরৎ’ বলে, উড়িষ্যার অঞ্চলবিশেষে এর নাম পালধুয়া। প্রতিষ্ঠান, উদ্যান বা বাগানের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য লাগানো হয়। বৈজ্ঞানিক নাম: … Read more

ধনে বা ধনিয়া এশিয়ার একটি সুগন্ধি ঔষধি উদ্ভিদ

শুধু বাংলায় নয়, ভারতের সব প্রদেশের লোকেই ধনিয়া বা ধনে বললেই চিনতে পারে। এটি একটি বর্ষজীবী ছোট ক্ষুপ বা গুল্ম উদ্ভিদ। আরো পড়ুন

হলুদ লাপছো বা হলুদ পোউ মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার সপুষ্পক দৃষ্টিনন্দন বৃক্ষ

হলুদ লাপছো বা হলুদ পোউ (বৈজ্ঞানিক নাম: Handroanthus serratifolius) হচ্ছে বিগ্নোনিয়াসি পরিবারের একটি সপুষ্পক দৃষ্টিনন্দন বৃক্ষ। এই গাছ অনেক বড় হয় এটি বনভূমি এবং বাগানের বা ফার্মের প্রজাতি হিসেবে এখন পরিচিত। আরো পড়ুন

চাকুন্দা দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ গুণসম্পন্ন গুল্ম

এটিকে বৃক্ষ বলা হয় না।  চাকুন্দা মূলত ক্ষুপ বা গুল্ম জাতীয় গাছ অর্থাৎ কালমেঘের মতো ছোট ঝোপ গাছ। এই গুল্ম বর্ষজীবী। এর পাতার আকৃতি প্রায় গোল আরো পড়ুন

কাকমাচি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের একটি ঔষধি গুল্ম

ভূমিকা: কাকমাচী বা ফুটি বেগুন বা বায়সী (বৈজ্ঞানিক নাম: Solanum nigrum) সোলানাম গণের একটি বেগুন বা টমেটো জাতীয় গুল্ম। এরা এক থেকে দেড় হাত উচু হয়, আবার তেমন সার মাটিতে গাছ হলে দুই হাত পর্যন্ত উচু হতে দেখা যায়। আরো পড়ুন

আলকুশি বা বিলাই খামচি একটি বর্ষজীবী লতা

সাধারণত বর্ষজীবী লতা হলেও কখনও কখনও বহুদিন বেঁচে থাকতে দেখা যায়। লতা ও পাতা অনেকটা সিম গাছের মতো লতানো হয়। যদিও পাতা ৮ থেকে ১২ সেন্টিমিটার হয় এবং সেটা মসৃণ ও লোম দ্বারা ঢাকা থাকে।[১] আরো পড়ুন

অশোক দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ঔষধি গুনে ভরা বৃহৎ বৃক্ষ

অশোক বহু শাখাবিশিষ্ট ছায়াতরু। এই গাছ দেখতে মাঝারি আকারের। ৬ থেকে ৮ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। অশোক চিরসবুজ ও মাথা ছড়ান গাছ। এর কচি ডাল ও পাতা ঝুলন্ত এবং হালকা তামাটে রঙের হয় । এটি যৌগপত্র ও জোড়পক্ষ বিশিষ্ট্য। পাতা ২৫ থেকে ৩০ সেমি লম্বা হয়, পত্রিকা ৩ থেকে ৬ জোড়া থাকে এবং ১০ থেকে ২০ সেমি লম্বা ও ৫ থেকে ৭ সেমি চওড়া হয়। পাতা দেখতে মসৃণ। হলুদ ও কমলা রঙের ১০ থেকে ১৫ সেমি চওড়া হালকা সুগন্ধি ফুলের থোকা গাছের কাণ্ড ও ডাল ফুটে থাকে। এই ফুল বসন্ত থেকে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত ভরে থাকে। বৃতিনল ১ সেমি লম্বা হয়, মুখে থাকে ৪ থেকে ৬টি লতি, প্রথমে কমলা, পরে লাল রং ধারন করে। পাপড়ি নেই। বহির্গত পুংকেশর ৬ থেকে ৮টি। ফল চ্যাপ্টা হয়। ফলের আকার ১০ থেকে ২০ সেমি লম্বা ও ৫ থেকে ৭ সেমি প্রস্থ। আরো পড়ুন

সোনালু বা বান্দর লাঠি গাছের বারোটি ভেষজ ব্যবহার

সোনালু বা সোনারু বা বান্দর লাঠি একটি মাঝারি আকারের বৃক্ষ। এদের চমৎকার ফুল ফোটে এবং বর্তমানে এটি আলংকারিক বৃক্ষ হিসেবেও পরিচিত। এদের বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Cassia fistula. আরো পড়ুন

পুনর্নবা লতা বহুবর্ষজীবী ভেষজ গুণ সম্পন্ন উদ্ভিদ

পুনর্নবা বা পূনর্ণভা বা গন্ধপূর্ণ বা পুনর্ণবা বা রক্ত পুনর্ণবা (বৈজ্ঞানিক নাম: Boerhaavia diffusa) নিকটাগনিয়াসি পরিবারের বোয়েরহাভিয়া গণের বহুবর্ষজীবী লতানো বা আরোহী বীরুৎ।[১] এদের পাতা ও ডাঁটা লালচে, এমনকি ফলও লালচে হয়। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!