আলকুশি বা বিলাই খামচি একটি বর্ষজীবী লতা
সাধারণত বর্ষজীবী লতা হলেও কখনও কখনও বহুদিন বেঁচে থাকতে দেখা যায়। লতা ও পাতা অনেকটা সিম গাছের মতো লতানো হয়। যদিও পাতা ৮ থেকে ১২ সেন্টিমিটার হয় এবং সেটা মসৃণ ও লোম দ্বারা ঢাকা থাকে।[১] আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
সাধারণত বর্ষজীবী লতা হলেও কখনও কখনও বহুদিন বেঁচে থাকতে দেখা যায়। লতা ও পাতা অনেকটা সিম গাছের মতো লতানো হয়। যদিও পাতা ৮ থেকে ১২ সেন্টিমিটার হয় এবং সেটা মসৃণ ও লোম দ্বারা ঢাকা থাকে।[১] আরো পড়ুন
অশোক বহু শাখাবিশিষ্ট ছায়াতরু। এই গাছ দেখতে মাঝারি আকারের। ৬ থেকে ৮ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। অশোক চিরসবুজ ও মাথা ছড়ান গাছ। এর কচি ডাল ও পাতা ঝুলন্ত এবং হালকা তামাটে রঙের হয় । এটি যৌগপত্র ও জোড়পক্ষ বিশিষ্ট্য। পাতা ২৫ থেকে ৩০ সেমি লম্বা হয়, পত্রিকা ৩ থেকে ৬ জোড়া থাকে এবং ১০ থেকে ২০ সেমি লম্বা ও ৫ থেকে ৭ সেমি চওড়া হয়। পাতা দেখতে মসৃণ। হলুদ ও কমলা রঙের ১০ থেকে ১৫ সেমি চওড়া হালকা সুগন্ধি ফুলের থোকা গাছের কাণ্ড ও ডাল ফুটে থাকে। এই ফুল বসন্ত থেকে গ্রীষ্মকাল পর্যন্ত ভরে থাকে। বৃতিনল ১ সেমি লম্বা হয়, মুখে থাকে ৪ থেকে ৬টি লতি, প্রথমে কমলা, পরে লাল রং ধারন করে। পাপড়ি নেই। বহির্গত পুংকেশর ৬ থেকে ৮টি। ফল চ্যাপ্টা হয়। ফলের আকার ১০ থেকে ২০ সেমি লম্বা ও ৫ থেকে ৭ সেমি প্রস্থ। আরো পড়ুন
সোনালু বা সোনারু বা বান্দর লাঠি একটি মাঝারি আকারের বৃক্ষ। এদের চমৎকার ফুল ফোটে এবং বর্তমানে এটি আলংকারিক বৃক্ষ হিসেবেও পরিচিত। এদের বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Cassia fistula. আরো পড়ুন
পুনর্নবা বা পূনর্ণভা বা গন্ধপূর্ণ বা পুনর্ণবা বা রক্ত পুনর্ণবা (বৈজ্ঞানিক নাম: Boerhaavia diffusa) নিকটাগনিয়াসি পরিবারের বোয়েরহাভিয়া গণের বহুবর্ষজীবী লতানো বা আরোহী বীরুৎ।[১] এদের পাতা ও ডাঁটা লালচে, এমনকি ফলও লালচে হয়। আরো পড়ুন
গ্রামের অনেকের কাছে পরিচিত একটি গাছ চাকুন্দা। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Senna Tora. আগাছা হিসাবে পরিচিত হলেও এই গাছের ফুল, পাতা, ফল দিয়ে বাচ্চারা খেলে থাকে। এটি একধরনের গুল্ম। এর নানা ঔষধি গুণ আছে। আরো পড়ুন
সেন্দ বা মনসা বা সেন্দ মনসা বা সেহুন্দ মনসা (বৈজ্ঞানিক নাম: Euphorbia neriifolia) হচ্ছে ইউফরবিয়া গণের একটি উদ্ভিদ প্রজাতি। ঐতিহ্যবাহী চিকিতসায় মনসা গাছের ঔষধি গুণাগুণ, ব্যবহার এবং উপকারিতা আছে। বিভিন্ন রোগ প্রতিকারে এই গাছের ভূমিকা সম্পর্কে এখানে বিস্তারিত প্রক্রিয়া উল্লেখ করা হলো। আরো পড়ুন
সরিষা বা সর্ষে আমাদের পরিচিত একটি তেল উৎপাদনকারী ফসলি উদ্ভিদ। আমাদের রান্নায় প্রধানত সর্ষের তেলই ব্যবহার করা হয়। বিশেষ করে মাছ রান্নায়, আলু ভর্তা, বেগুন পোড়া মাখায়, আমের আচারে সর্ষের তেল সুস্বাদ আনে। আরো পড়ুন
কেলি কদম রুবিয়েসি পরিবারের মিত্রজিনা গণের একটি উদ্ভিদ। এটি বহুশাখা বিশিষ্ট পত্রমোচী গাছ। এ গাছের প্রচলিত আরও কয়েকটি নাম ‘গিরিকদম্ব’, ‘হরিদ্রু’, ‘গৌরকদম্ব’, ‘ছোট হলদু’ প্রভৃতি।আরো পড়ুন
পারিজাত বা মান্দার বা মাদার হচ্ছে কাঁটাযুক্ত একটি উদ্ভিদ। এদের বসন্তে লাল ফুল ফোটে। গ্রামাঞ্চলে কৃষকগণ বেড়ার কাজে মান্দার গাছ ব্যবহার করেন। আরো পড়ুন
পরিচিতি: পানি কর্পূর বর্ষজীবী, সুগন্ধি, জলজ বীরুত। এরা মসৃণ এবং লোমযুক্ত। এই উদ্ভিদটির বৈজ্ঞানিক নাম Limnophila aromatica, এটি Scrophulariaceae পরিবারের উদ্ভিদ। এদের কাছ থেকে লেবু এবং জিরার ঘ্রাণ পাওয়া যায়। পানি কর্পূর-এর বর্ণনা: এই উদ্ভিদ ৮০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত খাড়া, চ্যাপটা, খাঁজযুক্ত, ফিকে সবুজ, কদাচিত অনুজ্জ্বল লালচে বেগুনি বর্ণের হয়। এদের কাণ্ড মোটা, নরম ও সরল। … Read more