বড় বাগান বিলাস বাগান ও বাড়ির শোভাবর্ধক আলংকরিক ফুল

বড় বাগানবিলাস

ভূমিকা: বড় বাগান বিলাস, কাগজ ফুল রবীন্দ্রনাথের দেওয়া নাম। এটি কষ্টসহিষ্ণু গাছ।[২] এর বৈজ্ঞানিক নাম: Bougainvillea spectabilis ইংরেজি: Paper Flower বা lesser bougainvillea। বাগান বিলাস হচ্ছে নিকটাজিনাসি পরিবারের বোগেইনভিলিয়া গণের লতানো গুল্ম। এদেরকে বাংলাদেশ ও ভারতে সুদৃশ্য আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবে বাগানে বা গৃহে চাষাবাদ করা হয়। বৈজ্ঞানিক নাম: Bougainvillea spectabilis Willd. সমনাম : Bougainvillea peruviana … Read more

চামেলি গ্রীষ্মাঞ্চের জনপ্রিয় সুগন্ধি ও ভেষজ গুণ গুল্মজাতীয় ফুল

চামেলী

ভূমিকা: চামেলি বা বড় চামেলি (বৈজ্ঞানিক নাম: Jasminum grandiflorum ইংরেজি: Catalonian Jasmine বা Spanish Jasmine) হচ্ছে ওলিয়াসি পরিবারের Jasminum গণের লতানো বা অর্ধলতানো গুল্ম। আরো পড়ুন

বন জুঁই বা যুথি দক্ষিণ ও দক্ষিণ পুর্ব এশিয়ার জনপ্রিয় আলংকারিক ফুল

বর্ণনা: বন জুঁই একধরনের লতা বা আরোহী গুল্ম অথবা ভাইন। এটি একটি মধ্যপ্রসারি উদ্ভিদ। এদের কান্ড কিছুটা রোমশ থেকে কোমল রোমাবৃত থাকে এবং বৃত্তাকার হয়। পাতাগুলো যৌগিক, প্রতিটি পাতায় তিনটি বা কোনো কোনো পাতায় পাঁচটি করে পত্রক থাকে। পত্রকগুলো দৈর্ঘ ২.০ থেকে ৪.৫ ও প্রস্থ ১.০ থেকে ২.৫ সেমি হয়। পাতা দেখতে সরু উপবৃত্তাকার থেকে ডিম্বাকৃতি অথবা স্থুল ডিম্বাকার। পাতার ত্বক রোমশ থেকে কাগজের মতো মসৃণ। এদের শীর্ষ তীক্ষ্ণ থেকে গোলাকৃতি, নিম্নপ্রান্ত গোলাকৃতি, কিনারা অখন্ড, মধ্যশিরার উভয়পাশে প্রাথমিক শিরা ২-৩টি, পার্শ্বশিরা ১২ জোড়া, পত্রবৃন্ত ২-৫ মিমি লম্বা।আরো পড়ুন

ছোট ছাতিম দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সুদৃশ্য সুগন্ধি ফুলের বৃক্ষ

ভূমিকা: ছোট ছাতিম হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের এলস্টোনিয়া গণের  একটি সপুষ্পক বৃক্ষ। ছোট ছাতিম-এর বিবরণ: ছোট ছাতিম লম্বা বৃক্ষ। এদের পাতা এক আবর্তে ৩-৪টি, পত্রবৃন্ত অনূর্ধ্ব ২ সেমি লম্বা, পত্রফলক ১৫-৩০ x ৪.৫-৯.৫ সেমি, উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার, অর্ধ-চর্মবৎ, উপরের পৃষ্ঠ চকচকে, অঙ্কীয় পৃষ্ঠ বিবর্ণতর, ১৪-২১ জোড়া পার্শ্ব শিরাবিশিষ্ট, ঝিল্লিময়, উপরের পৃষ্ঠ মসৃণ, অঙ্কীয় পৃষ্ঠ ঘন রোমশ, নিম্নাংশ ক্রমান্বয়ে … Read more

এলস্টোনিয়া হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের সপুষ্পক উদ্ভিদের গণ

[otw_shortcode_info_box border_type=”bordered” border_color_class=”otw-red-border” border_style=”bordered” shadow=”shadow-inner” rounded_corners=”rounded-10″]গণের বৈজ্ঞানিক নাম: Alstonia R. Br., Mem. Wern. Soc. 1: 75 (1809). জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae বিভাগ: Angiosperms অবিন্যাসিত:Eudicots অবিন্যাসিত: Asterids বর্গ: Gentianales পরিবার: Apocynaceae গণ: Alstonia[/otw_shortcode_info_box] ভূমিকা: এলস্টোনিয়া বা ছাতিম হচ্ছে এপোসিনাসি পরিবারের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদের গণের নাম। বিবরণ: এলস্টোনিয়া গণের উদ্ভিদেরা বৃক্ষ বা খাড়া গুল্ম, সাধারণত চক্রাবর্তী শাখা … Read more

ঝোপ অলকনন্দা গ্রীষ্মমণ্ডলের শোভাবর্ধনকারী গাছ

[otw_shortcode_info_box border_type=”bordered” border_color_class=”otw-red-border” border_style=”bordered” shadow=”shadow-inner” rounded_corners=”rounded-10″]বৈজ্ঞানিক নাম: Allamanda nerifolia Hook. f. in Backer & Brink, Fl. Java 2: 223 (1965). সমনাম: Allamanda brasiliensis Schott ex Pohl nom. inval.; Allamanda cathartica Schrad. nom. illeg.; Allamanda magnifica B.S.Williams. ইংরেজি নাম: Bush Allamanda. স্থানীয় নাম: হারকাকরা, ঝোপ অলকনন্দা। জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ/রাজ্য: Plantae – Plants শ্রেণী: Eudicots উপশ্রেণি: Asterids … Read more

পাতি অলকনন্দা: চেনার উপায়, চাষাবাদ পদ্ধতি ও এর ওষধি গুণাগুণ

ভূমিকা: প্রকৃতির এক অপরূপ সৃষ্টি হলো পাতি অলকনন্দা (Common Allamanda)। এর উজ্জ্বল হলুদ রঙের ফুল যেকোনো বাগান বা আঙিনাকে নিমেষেই প্রাণবন্ত করে তোলে। এই উদ্ভিদটি কেবল সৌন্দর্যেই অনন্য নয়, বরং এর প্রতিটি অঙ্গের রয়েছে সুনির্দিষ্ট এবং চমৎকার গঠনশৈলী। বিবরণ: পাতি অলকনন্দার গাছের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এর পাতার বিন্যাস। সাধারণত একটি আবর্তে প্রায় ৩ থেকে ৫টি … Read more

বাংলাদেশের রক্ষিত উদ্ভিদ হচ্ছে আইনানুসারে সংরক্ষিত ৫৪টি প্রজাতি

বাংলাদেশের রক্ষিত উদ্ভিদ বা বাংলাদেশের সংরক্ষিত উদ্ভিদ হচ্ছে ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনানুসারে সংরক্ষিত ৫৪টি প্রজাতির একটি তালিকা। উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। এসব প্রজাতির ভেতরে অনেকগুলো বিপন্ন ও বিলুপ্তির পর্যায়ে রয়েছে। আরো পড়ুন

সিভিট বাংলাদেশে সংকটাপন্ন দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার বৃক্ষ

ভূমিকা: সিভিট (Swintonia floribunda) এনাকার্ডিয়াসি পরিবারের সুইনটোনিয়া গণের একটি বিশালাকারের চিরসবুজ বৃক্ষ। গাছটি বাংলাদেশে সংকটাপন্ন হিসেবে বিবেচিত এবং বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-৪ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত। সিভিট-এর বিবরণ: সিভিট ৭ মিটার বা ততোধিক উচ্চতা সম্পন্ন, প্রশস্ত গুঁড়ি বিশিষ্ট, মসৃণ, অতি উচ্চ চিরহরিৎ বৃক্ষ। বাকল উজ্জ্বল গোলাপি, অগভীর উলম্ব ফাটল বিশিষ্ট, … Read more

ভেন্না বা রেড়ি গাছ, বীজ, মূল ও তেলের ৩২টি ঘরোয়া ঔষধি চিকিৎসা

ছোট গুল্মজাতীয় গাছ, সাধারণতঃ ১০ থেকে ১২ ফুট পর্যন্ত উচু হয়, শাখাপ্রশাখা খুবই অল্প; কাণ্ড ও পত্রদণ্ড নরম ও ফাঁপা, পাতাগুলি আকারে প্রায় গোল হলেও আঙ্গুল সমেত হাতের তালুর মতো; ব্যাস প্রায় এক ফুট, পাতার কর্তিত অংশগুলির অগ্রভাগ ক্রমশ সরু। এই কর্তিত অংশটি প্রায় ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি লম্বা। আবর্জনাপূর্ণ জায়গায় এর বাড়-বৃদ্ধি বেশী হয়। এক বৎসরেই গাছে ফুল ও ফল হয়; সাধারণতঃ কাণ্ডের অগ্রভাগে পুষ্পদণ্ডের চারিদিকে গোল হয়ে ছোট ছোট হলদে ফুল হয়, পরে ত্রিকোষযুক্ত এবং আকারে দেশী কুলের মতো ফল হলেও গায়ে কাঁকরোলের (Momardica cochinchinensis) মতো নরম কাঁটা থাকে। এই ফল পাকার পর ফেটে বীজ পড়ে যায়, বীজের খোলায় (শক্ত বহিরাবরণে) থাকে সাদা সাদা ডোরা দাগ। আরো পড়ুন     

error: Content is protected !!