আপনি যা পড়ছেন
মূলপাতা > সংকলন > লেনিন > সংবিধান সভা সম্বন্ধে থিসিস

সংবিধান সভা সম্বন্ধে থিসিস

১. সংবিধান সভা বসাবার দাবিটা ছিলো বৈপ্লবিক সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির কর্মসূচির খুবই ন্যায়সংগত একটা অঙ্গ, তার কারণ কোনো বুর্জোয়া প্রজাতন্ত্রে সংবিধান সভা হলো গণতান্ত্রিকতার সর্বোচ্চ আকার, আর কারণ হলো এই যে, কেরেনস্কির নেতৃত্বাধীন সাম্রাজ্যবাদী প্রজাতন্ত্র প্রাক-পার্লামেণ্ট স্থাপন করার সাহায্যে নির্বাচনে জয়াচুরি এবং নানা উপায়ে গণতান্ত্রিকতা লঙ্ঘনের আয়োজন করছিলো।

২. সংবিধান সভা বসাবার দাবি তোলার সঙ্গে সঙ্গে বৈপ্লবিক সোশ্যাল-ডেমোক্রাসি ১৯১৭ সালের বিপ্লবের শুরু থেকে বারংবার জোর দিয়ে বলেছে, সংবিধান সভা সহ সাধারণ বুর্জোয়া প্রজাতন্ত্রের চেয়ে উন্নততর আকারের গণতান্ত্রিকতা হলো সোভিয়েত প্রজাতন্ত্র।

৩. বুর্জোয়া ব্যবস্থা থেকে সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় উত্তরণের জন্য, প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্বের জন্য (শ্রমিক, সৈনিক এবং কৃষক প্রতিনিধিদের) সোভিয়েতগুলির প্রজাতন্ত্র (সংবিধান সভা শোভিত প্রচলিত বুর্জোয়া প্রজাতন্ত্রের সঙ্গে তুলনায়) উন্নততর ধরনের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানই শুধু নয়, অধিকন্তু এই ধরনটাই হলো সমাজতন্ত্রে উত্তরণের পক্ষে সবচেয়ে কম যন্ত্রণাকর।

৪. ১৯১৭ সালের অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে পেশ-করা বিভিন্ন প্রার্থী তালিকার ভিত্তিতে আমাদের বিপ্লবে সংবিধান সভা আহবান করা হয়েছে এমন পরিবেশে, যাতে এই সংবিধান সভা নির্বাচনে সাধারণভাবে জনগণের সংকল্প এবং বিশেষত মেহনতী জনগণের সংকল্পের যথাযথ অভিব্যক্তির সম্ভাবনা নেই।

৫. প্রথমত, বিভিন্ন পার্টির দেওয়া প্ৰার্থী তালিকাগুলো সত্যিই যখন ওইসব তালিকায় প্রদর্শিত পার্টিগত গ্রুপ-বিভাগ জনগণের প্রকৃত বিভাগের অনুযায়ী হয়, একমাত্র সেক্ষেত্রেই আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ফলে জনগণের সংকল্পের যথাযথ অভিব্যক্তি ঘটতে পারে। কিন্তু আমাদের বেলায় — যা সুবিদিত — জনগণের মধ্যে, বিশেষত কৃষকদের মধ্যে মে-অক্টোবর মাসে যে পার্টির অনুগামীদের সংখ্যা ছিলো সবচেয়ে বেশি সেই সোশ্যালিস্ট-রেভলিউশনারি পার্টি ১৯১৭ সালে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে সংবিধান সভার জন্য সম্মিলিত নির্বাচনী তালিকা নিয়ে দাঁড়ায়, কিন্তু সংবিধান সভার নির্বাচনের পরে এবং সভার অধিবেশনের আগে ১৯১৭ সালে নভেম্বর মাসে (১৪৩) পার্টিটিতে ভাঙন ঘটে।

এই কারণে, ভোটদাতাদের বিপুল অংশের সংকল্প এবং নির্বাচিত সংবিধান সভার গঠনের মধ্যে আনুষ্ঠানিক অনুযায়িতাও নেই, তা থাকতে পারে না ।

৬. দ্বিতীয়ত, একদিকে, জনগণের সংকল্প, বিশেষত মেহনতী শ্রেণিগুলির সংকল্প, আর অন্যদিকে, সংবিধান সভার গঠন, এই দুইয়ের মধ্যেকার অসামঞ্জস্যের আরও বেশি গুরুত্বেপূর্ণ — আনুষ্ঠানিক কিংবা কানুনী নয়, সামাজিক-অৰ্থনৈতিক, শ্রেণিগত — উৎপত্তিস্থল রয়েছে, সেটা হলো: সংবিধান সভার নির্বাচন যখন হয়েছিল সেসময়ে জনগণের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ তখনও জানতে পারে নি অক্টোবর, সোভিয়েত, প্রলেতারীয়-কৃষক বিপ্লবের পূর্ণ পরিধি আর তাৎপৰ্য্য, এই বিপ্লব শুরু হয়। ১৯১৭ সালে ২৫ অক্টোবর, অর্থাৎ সংবিধান সভার জন্য প্রার্থী তালিকাগুলো পেশ হয়ে যাবার পরে।

৭. একেবারে আমাদের চোখের সামনেই অক্টোবর বিপ্লব বিকাশের জন্য, রাজনৈতিক প্রশাসন বুর্জোয়াদের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে তুলে দিচ্ছে প্রলেতারিয়েত আর গরিব কৃষককুলের হাতে।

৮. রাজধানীতে ২৪-২৫ অক্টোবরের বিপ্লবের বিজয় দিয়ে এটা শুরু হয়, তখন প্রলেতারিয়ানদের এবং কৃষকদের মধ্যে রাজনীতিগতভাবে সবচেয়ে সক্রিয় অংশের সেনামুখে – শ্রমিক এবং সৈনিক প্রতিনিধিদের সোভিয়েতগুলির দ্বিতীয় সারা-রাশিয়া কংগ্রেস — বলশেভিক পার্টিকে সংখ্যাগুরু করে সেটাকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করে।

৯. তখন, নভেম্বর আর ডিসেম্বর মাস জুড়ে বিপ্লবের প্রসার ঘটে সমগ্র ফৌজে এবং কৃষকদের মধ্যে — সর্বাগ্রে সাবেকী পরিচালক সংস্থাগুলোকে গদিচ্যুত করায় এবং সেগুলোর জায়গায় নতুন নতুন পরিচালক সংস্থা নির্বাচন করায় এটা প্রকাশ পায় (সাবেকী পরিচালক সংস্থাগুলো ছিল ফৌজী কমিটিগুলো, বিভিন্ন গুর্বেনিয়া কৃষক কমিটি, সারা রাশিয়া কৃষক প্রতিনিধিদের সোভিয়েতের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি ইত্যাদি);  বিপ্লবের প্রলেতারীয় পর্বের প্রতীক নয়, এগুলো ছিলো বিপ্লবের বাতিল করা আপোসমূলক পর্বের, সেটার বুর্জোয়াদের প্রতীক, কাজেই গভীরতর এবং বিস্তৃততর জনরাশির চাপে এগুলোর বিলুপ্তি অবধারিত, অনিবাৰ্যই ছিল।

১০. শোষিত জনগণের বিভিন্ন সংগঠনের পরিচালক সংস্থাগুলি পুর্নগঠনের জন্য তাদের পরাক্রমশালী আন্দোলন শেষ হয় নি এখনো, ১৯১৭ সালের ডিসেম্বর মাসের এই মাঝামাঝি সময়েও; রেলশ্রমিক কর্মচারী কংগ্রেসের অধিবেশন চলছে এখনো — এটা হলো সেই আন্দোলনের একটা পর্ব।

১১. কাজে কাজেই রাশিয়ায় শ্রেণিগত শক্তিগুলির শ্রেণিসংগ্রামের ধারায় সেগুলির দল-বিভাগের আকার ১৯১৭ সালে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে যা দাঁড়াচ্ছে সেটা ১৯১৭ সালে অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি সময়ে সংবিধান সভার জন্য বিভিন্ন পার্টির প্রস্তুত-করা প্ৰার্থীতালিকা গুলোতে যা প্রকাশ পেতে পারত তার থেকে আদপেই পৃথক।

১২. ইউক্রেনে (তেমনি ককেশাসে এবং অংশত ফিনল্যান্ডে আর বেলোরুশিয়ায়ও) সাম্প্রতিক ঘটনাবলী অনুরূপভাবে বিভিন্ন শ্রেণীশক্তির পুর্নবিন্যাস নির্দেশ করছে, যেটা ঘটছে একদিকে, ইউক্রেনের রাদা (১৪৪), ফিনল্যান্ডের ডায়েট, ইত্যাদির বুর্জোয়া জাতীয়তাবাদ এবং অন্যদিকে, এর প্রত্যেকটা জাতীয় প্রজাতন্ত্রে সোভিয়েত রাজ, প্রলেতারীয় কৃষক বিপ্লব, এই দুইয়ের মধ্যে সংগ্রামের প্রক্রিয়ায়।

১৩. শেষে, সোভিয়েত রাজের বিরুদ্ধে, কৃষক-শ্রমিক সরকারের বিরুদ্ধে কাদেত-কালেদিন প্রতি বৈপ্লবিক বিদ্রোহ দিয়ে বাধান গৃহযুদ্ধটা শ্রেণিসংগ্রামকে চরমে তুলেছে, আর রাশিয়ার জাতিগুলি, সর্বাগ্রে দেশটির শ্রমিক শ্ৰেণি এবং কৃষকেরা ইতিহাসক্ৰমে যেসব সুকঠিন সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে সেগুলিকে যথাবিধি গণতান্ত্ৰিক উপায়ে মীমাংসা করার যাবতীয় সম্ভাবনা বিনষ্ট করেছে।

১৪. প্রলেতারীয়-কৃষক বিপ্লবকে বাস্তবিকই নিরাপদ করতে পারে শুধু বুর্জোয়া ও ভূস্বামী বিদ্রোহের (যা প্রকাশ পেয়েছে কাদেত-কালেদিন আন্দোলনে) উপর শ্রমিক-কৃষকদের পূর্ণ বিজয়, শুধু দাসমালিকদের এই বিদ্রোহের ক্ষমাহীন সামরিক অবদমন। বিপ্লবে ঘটনাধারা এবং শ্রেণিসংগ্রামের বিকাশধারার ফলে উঠেছে ‘সংবিধান সভার হাতে সমস্ত ক্ষমতা!’ এই স্লোগানটি — এতে উপেক্ষিত হচ্ছে শ্রমিক-কৃষক বিপ্লবের সাফল্যগুলি, উপেক্ষিত হচ্ছে সোভিয়েত ক্ষমতা, উপেক্ষিত হচ্ছে দ্বিতীয় সারা-রাশিয়া শ্রমিক এবং সৈনিক প্রতিনিধিদের সোভিয়েতগুলির কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত, দ্বিতীয় সারা-রাশিয়া কৃষক প্রতিনিধিদের কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত, ইত্যাদি। — এটা প্রকৃতপক্ষে হয়ে উঠেছে কাদেতদের আর কালেদিনপন্থীদের এবং তাদের মদতদারদের স্লোগান। সমগ্র জনগণ এখন পুরোপুরি অবহিত হয়েছে যে, সংবিধান সভা সোভিয়েতরাজ থেকে ভিন্নপথ ধরলে সভার অবধারিত রাজনৈতিক বিলুপ্তি অনিবার্য।

১৫. শান্তি সংক্রান্ত সমস্যাটা হলো জাতীয় জীবনের বিশেষভাবে সুকঠিন সমস্যাগুলোরই একটা। শান্তির জন্য রাশিয়ায় সাচ্চা বৈপ্লবিক সংগ্রাম শুরু হয়েছে শুধু ২৫ অক্টোবর বিপ্লবের বিজয়ের পরে। এই বিজয়ের প্রথম ফলগুলি হলো গোপন সন্ধিচুক্তিগুলো প্রকাশন, যুদ্ধবিরতি চুক্তি সম্পাদন, রাজ্যগ্রাস আর খেসারত ছাড়া সর্বজনীন শান্তির (১৪৫) জন্য প্রকাশ্য আলাপ-আলোচনার সূচনা।

শান্তির জন্য বৈপ্লবিক সংগ্রামের কর্ম নীতি পুরোপুরি এবং খোলাখুলি লক্ষ্য করা এবং সেটার ফলাফল বিচার-বিশ্লেষণ করার সংযোগ জনগণের বিভিন্ন বিস্তৃত অংশ বাস্তবিকই পাচ্ছে শুধু এখন।

সংবিধান সভা নির্বাচনের সময়ে এমন কোন সংযোগ ছিলো না জনগণের বিপুল অংশের। নির্বাচিত সংবিধান সভার গঠন এবং যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটাবার প্রশ্নে জনগণের প্রকৃত সংকল্পের মধ্যে অসামঞ্জস্য এই দৃষ্টিকোণ থেকেও যে অনিবাৰ্য্য, সেটা খুবই সুস্পষ্ট।

১৬. উল্লিখিত সমস্ত পরিস্থিতির সাফল্যের ফলটা এই যে, বুর্জোয়া শাসনের অধীনে প্রলেতারীয়-কৃষক বিপ্লবের আগে পার্টিগুলির নির্বাচনী তালিকা যা ছিলো সেগুলোর ভিত্তিতে আহুত সংবিধান সভার বিরোধ বাধবে মেহনতী এবং শোষিত শ্রেণিগুলির সংকল্প আর স্বার্থের সঙ্গে, এটা অবশ্যম্ভাবী — ওইসব শ্রেণি বুর্জোয়াদের বিরুদ্ধে সমাজতান্ত্ৰিক বিপ্লব শুরু করে ২৫ অক্টোবর থেকে। প্রতিনিধিদের প্রত্যাহৃত করে যে-কোনো মুহুর্তে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য জনগণের অধিকার স্বীকৃতির অনাবিধি সংবিধান সভা সংক্রান্ত আইনে না থাকার দরুন সংবিধান সভার আনুষ্ঠানিক অধিকার যদি ক্ষুন্ন নাও হতো সেক্ষেত্রেও স্বভাবতই বিপ্লবের স্বার্থের স্থান হতো ওইসব আনুষ্ঠানিক অধিকারের উর্ধ্বে।

১৭. মামুলি বুর্জোয়া গণতন্ত্রের চৌহদ্দির ভিতরে এবং শ্রেণিসংগ্রাম আর গৃহযুদ্ধ উপেক্ষা করে আনুষ্ঠানিক কানুনী দৃষ্টিকোণ থেকে সংবিধান সভা সংক্রান্ত প্রশ্নটা নিয়ে বিচার-বিবেচনা করার প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ যে-কোনো চেষ্টা প্রলেতারিয়েতের কর্মব্রতের প্রতি বেইমানি এবং বুর্জোয়া দৃষ্টিকোণ অবলম্বনেরই শামিল। অক্টোবরের অভ্যুথান এবং প্রলেতারিয়েতের একনায়কত্বের করণীয় কাজগুলির তাৎপৰ্য্য উপলব্ধি করতে না পেরে অল্প কয়েকজন বলশেভিক নেতা পথভ্রষ্ট হয়ে এই যে-ভুলের মাঝে গিয়ে পড়েছেন সেটার বিরুদ্ধে প্রত্যেককে এবং সবাইকে হুশিয়ারি জানান বিপ্লবী সোশ্যাল-ডেমোক্রাসির অবশ্য কর্তব্য।

১৮. একদিকে, সংবিধান সভা নির্বাচন আর অন্যদিকে, জনগণের সংকল্প এবং মেহনতী আর শোষিত শ্রেণিগুলির স্বার্থ, এই দুইয়ের ভিন্নমুখীতার দরুন যে-সংকট দেখা দিয়েছে সেটার যন্ত্রণাহীন সমাধান ঘটান সম্ভবপর, একমাত্র যদি জনগণ যথাসম্ভব ব্যাপকভাবে এবং দ্রুত সংবিধান সভার সদস্যদের নতুন করে নির্বাচিত করার অধিকার খাটায়, আর সংবিধান সভা যদি এই নতুন নির্বাচন সম্বন্ধে কেন্দ্রীয় কাৰ্য নিবাহী কমিটির আইন মেনে নেয়, সোভিয়েতরাজ, সোভিয়েত বিপ্লব এবং শান্তি, জমি আর শ্রমিকের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রশ্নগুলিতে সেটার কর্ম নীতি মান্য করার অকুণ্ঠ ঘোষণা করে, আর স্থির সংকল্প হয়ে শামিল হয় কাদেত-কালেদিন প্রতিবিপ্লবের শত্রুদের শিবিরে।

১৯. যদি এইসব শর্ত পূরণ না হয়, সেক্ষেত্রে, সংবিধান সভার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সংকটের মীমাংসা হতে পারে শুধু বৈপ্লবিক উপায়ে, তাতে সোভিয়েতরাজ অতি তেজী, দ্রুত, দৃঢ় এবং স্থির সংকল্প বৈপ্লবকি ব্যবস্থা অবলম্বন করবে, কাদেত-কালেদিন প্রতিবিপ্লবের বিরুদ্ধে — এই প্রতিবিপ্লব যে-কোনো স্লোগান আর প্রতিষ্ঠানের (সংবিধান সভায় অংশগ্রহণ পর্যন্ত) পিছনে আত্মগোপন করুক না কেন। এই সংগ্রামের মধ্যে সোভিয়েত রাজের কর্মক্ষমতা সঙ্কুচিত করার যে-কোনো চেষ্টা প্রতিবিপ্লবে মদত দেবার শামিল।

১৯১৭ সালের ১২ কিংবা ১৩ (২৪ কিংবা ২৫) ডিসেম্বরে লিখিত

৩৫ খন্ড, ১৬২-১৬৬ পৃঃ

আরো পড়ুন:  প্যারিস কমিউন পৃথিবীর প্রথম প্রলেতারিয় একনায়কত্ব
ভ্লাদিমির ইলিচ লেনিন
ভ্লাদিমির ইলিচ উলিয়ানভ লেনিন (এপ্রিল ২২, ১৮৭০ – জানুয়ারি ২১, ১৯২৪) ছিলেন লেনিনবাদের প্রতিষ্ঠাতা, একজন মার্কসবাদী রুশ বিপ্লবী এবং সাম্যবাদী রাজনীতিবিদ। লেনিন ১৯১৭ সালে সংঘটিত মহান অক্টোবর বিপ্লবে বলশেভিকদের প্রধান নেতা ছিলেন। তিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রথম রাষ্ট্রপ্রধান।

Leave a Reply

Top
You cannot copy content of this page