Acanthaceae পরিবারের অন্তর্গত Rhinacanthus গণের মাত্র ৪টি প্রজাতি এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশে জন্মে। এই চারটির মধ্যে দু’টি ভারতে পাওয়া যায়। তন্মধ্যে একটি হলো যূথিকাপর্ণী অর্থাৎRhinacanthus nasutus Kurz, পূর্বে এটির নাম ছিল R. communis Nees; অপর প্রজাতিটির নাম R. calcaratus Nees, এটি দেখতে অনেকটা যূথিকাপর্ণীর মত, ফুল সাদা, আসাম ও বাংলার জঙ্গলে জন্মে।
যূথিকাপর্ণী-এর বিবরণ:
৪ থেকে ৫ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। সাধারণতঃ বেড়ার জন্য লাগানো হয়, কোথাও কোথাও ফুলের জন্যেও। কাণ্ড বেশ শক্ত। গাছটি বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট। কাণ্ড থেকে উভয় দিকে পত্র বেরোয়। পাতার গোড়া থেকেই নতুন ডাল বা শাখা গজায়। পাতা আয়তাকার, অগ্রভাগ ও বোঁটার দিকটা ক্রমশঃ সরু, ৩ থেকে ৪ ইঞ্চি লম্বা, কিনারা অসমান ঢেউ খেলানো। বোঁটা খুবই ছোট। পাতার গোড়া থেকেই পুষ্পদণ্ড বেরোয়। ফুল গুচ্ছবদ্ধ, ছোট ছোট, সাদা রঙের। ফল ক্যাপসুলের আকৃতি বিশিষ্ট, তাতে ৪টি বীজ থাকে। বীজ কালো রঙের, মসৃণ। ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত ফুল ও ফলের সময়। পাতা মোচড়ালে একটা দুর্গন্ধ বেরোয়।
তথ্যসূত্র:
১. আয়ুর্বেদাচার্য শিবকালী ভট্টাচার্য: চিরঞ্জীব বনৌষধি খন্ড ১১, আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড, কলকাতা, সপ্তম মুদ্রণ ১৪২৬, পৃষ্ঠা, ২৬২-২৬৩।
বি. দ্র: ব্যবহৃত ছবি উইকিমিডিয়া কমন্স থেকে নেওয়া হয়েছে। আলোকচিত্রীর নাম: LiChieh Pan
জন্ম ৮ জানুয়ারি ১৯৮৯। বাংলাদেশের ময়মনসিংহে আনন্দমোহন কলেজ থেকে বিএ সম্মান ও এমএ পাশ করেছেন। তাঁর প্রকাশিত কবিতাগ্রন্থ “স্বপ্নের পাখিরা ওড়ে যৌথ খামারে”, “ফুলকির জন্য অপেক্ষা”। যুগ্মভাবে সম্পাদিত বই “শাহেরা খাতুন স্মারক গ্রন্থ” এবং যুগ্মভাবে রচিত বই “নেত্রকোণা জেলা চরিতকোষ”। বিভিন্ন সাময়িকীতে তাঁর কবিতা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কাজের সাথে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে রোদ্দুরে ডট কমের সম্পাদক।