কাংঘূ মান দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ প্রজাতি

কাংঘূ মান (মনিপুরী), বন সিলাম (নেপালী) (বৈজ্ঞানিক নাম: Elsholtzia blanda) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মে। পাতা এ্যাসেনসিয়াল তৈলের উৎস যা ক্ষত এবং কলেরার ন্যায় উদরাময়ের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয় (Nayar et al., 1989)।আরো পড়ুন

চন্দ্রকেতু দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম

চন্দ্রকেতু (বৈজ্ঞানিক নাম: Dracaena spicata) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে পার্বত্যঞ্চলে জন্মে। আন্দামান দীপপুঞ্জ (ভারত), মায়ানমার, মালয়েশিয়া, অষ্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট ও চট্টগ্রাম জেলায় জন্মে।আরো পড়ুন

পাহাড়ি চন্দ্রকেতু বাংলাদেশের পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো গুল্ম

চন্দ্রকেতু (বৈজ্ঞানিক নাম: Dracaena terniflora) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে পার্বত্যঞ্চলে জন্মে। ভারত (খাসিয়া পাহাড়), থাইল্যান্ড, মায়ানমার, মালয়েশিয়া। বাংলাদেশে সিলেট ও চট্টগ্রাম জেলায় জন্মে।আরো পড়ুন

উধুঝাটি বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মানো ভেষজ গুল্ম

উধুঝাটি (বৈজ্ঞানিক নাম: Ecbolium ligustrinum) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। এশিয়া, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মে। ভারত, আফ্রিকা, শ্রীলংকা, মালয়েশিয়া, আরব এবং মাদাগাস্কার। বাংলাদেশে এই প্রজাতি সবত্র পাওয়া যায়।আরো পড়ুন

সাদা শালপানি বা সাদা শালপর্ণী দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ উদ্ভিদ

সাদা শালপানি

সাদা শালপানি বা সাদা শালপর্ণী (বৈজ্ঞানিক নাম: Desmodium laxiflorum) এক প্রকারের সপুষ্পক ভেষজ গুল্ম। এদেরকে শোভা বর্ধনের জন্য লাগানো হয়।আরো পড়ুন

বেগুনি শালপানি বা শালপর্ণী এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম

ছোট গুল্ম, ৬০-১২০ সেমি উঁচু। কাণ্ড কাষ্ঠল, সামান্য কোণাকার, উপরের দিক খর্বকার ধূসর লোম দ্বারা আবৃত। পত্র ১-ফলক, পত্রক আয়তাকার, সাধারণত ৩-৬টি, গোড়া গোলাকার, একটি সূক্ষ্মাগ্র বিন্দুতে ক্রমে চিকন, নিচের পৃষ্ঠ ধূসর রোম দ্বারা হালকাভাবে আবৃত, পত্রবৃন্ত ১.৫-২.৫ সেমি লম্বা।আরো পড়ুন

কালিলতা বা পান লতা পার্বত্য অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ লতা

পাহাড়ী বন, ম্যানগ্রোভ বন এবং কর্দমাক্ত সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল মার্চ-জুন। বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে। মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, উত্তর অস্ট্রেলিয়া এবং মাদাগাস্কার। বাংলাদেশে ইহা সুন্দরবন এবং চট্টগ্রামে বিস্তৃত।আরো পড়ুন

শঙ্করজটা বা পৃশ্নিপর্ণী-এর বারোটি ভেষজ গুণাগুণ

শঙ্করজটা বা পৃশ্নিপর্ণী (Uraria Picta) গাছটি ৩–৪ ফুট লম্বা, এদের পাতা ৫–৬ ইঞ্চি লম্বা, ১ – ১.৫ ইঞ্চি চ‌ওড়া, পূষ্পবিন্যাস নলাকৃতি, চতুর্দিকে ঘনসংবদ্ধ, ফুলের রং গোলাপি, বর্ষায় ফোটে । অসামান্য ভেষজ গুণসম্পন্ন বর্ষজীবী গাছ, পূর্ব ভারত ও বাংলাদেশের দোয়াঁশ মাটিতে জন্মায়।আরো পড়ুন

শেয়ালকাঁটা গুল্মের বারোটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রযোগ

শেয়ালকাঁটা ( বৈজ্ঞানিক নাম: Argemone mexicana) ঔষধার্থে অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা বাহ্য ব্যবহারে (External application)। এই কার্যে ব্যবহার হয় মল, পাতা, বীজ ও বীজের তেল।আরো পড়ুন

রক্ত চিতা ও সাদা চিতা গুল্মের দশটি ভেষজ গুণাগুণ

রক্তচিতা (Plumbago indica) রোগ প্রতিকারে বেশী উপযোগী। এর পার্থক্য প্রথমতঃ ফুলের রঙে, পাতার ও গাছের আকৃতিতে এবং মূল। তাছাড়া সাদা ফুলের চিত্রকের চলতি নাম সাদা চিতে। লাল চিতের বিকল্প হিসেবে সাদা চিতেও ব্যবহার হয়ে থাকে। লাল চিতের কাঁচা মূল বড় ব্যবহার করা হয় না, তবে কোন কোন ক্ষেত্রে বাহ্য ব্যবহারে (External use) কাঁচার ব্যবহার করা হয়। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!