কোনও বিষয়ে জনমত নির্ণয়ের জন্য সারা দেশের নির্বাচকমণ্ডলীর প্রত্যক্ষ অভিমত যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে সেটি উপস্থাপন করার পদ্ধতি হচ্ছে গণভোট বা রেফারেন্ডাম (ইংরেজি: Referendum)। কোনও কোনও দেশে সংবিধান সংশােধন অথবা যে-কোনও বিষয়ে জনমত নির্ণয়ের প্রয়ােজনে নির্বাচকমণ্ডলীর গণভোট গ্রহণ করা হয়।
কমনওয়েলথ অব অস্ট্রেলিয়া অ্যাক্ট ১৯৯০ আইন অনুযায়ী অস্ট্রেলিয়ার সংবিধান সংশোধনের পূর্বশর্ত হলো গণভােট। অবশ্য সবক্ষেত্রে কেবল যে সংবিধান সংশোধনের জন্যই গণভােট হয় তা নয়। সুইজারল্যান্ডে যে-কোনও বিষয়ে শুনানি ত্রিশ হাজার অধিবাসী দাবি জানালে গণভােট অনুষ্ঠিত হয়। ইংল্যান্ডে এই পদ্ধতির প্রচলন নেই। ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দে সােভিয়েত ইউনিয়নে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের একতাবদ্ধ থাকার প্রশ্নে গণভােট গৃহীত হয়।
‘গণভোট’ নাম এবং ব্যবহারের সূচনা ষোড়শ শতাব্দীর শুরুতেই গ্রুবেন্ডেনের সুইস ক্যান্টনে হয়েছিল বলে মনে করা হয়।
দ্রষ্টব্য: নির্বিশেষ ভােট
তথ্যসূত্র:
১. গঙ্গোপাধ্যায়, সৌরেন্দ্রমোহন. রাজনীতির অভিধান, আনন্দ পাবলিশার্স প্রা. লি. কলকাতা, তৃতীয় মুদ্রণ, জুলাই ২০১৩, পৃষ্ঠা ৯৫-৯৬।
অনুপ সাদি বাংলাদেশের একজন লেখক, কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও চিন্তাবিদ। তাঁর প্রথম কবিতার বই পৃথিবীর রাষ্ট্রনীতি আর তোমাদের বংশবাতি প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। তাঁর মোট প্রকাশিত গ্রন্থ ১৭টি। সাম্প্রতিক সময়ে প্রকাশিত তাঁর সমাজতন্ত্র ও মার্কসবাদ গ্রন্থ দুটি পাঠকমহলে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়েছে। ২০১০ সালে সম্পাদনা করেন বাঙালির গণতান্ত্রিক চিন্তাধারা নামের একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। তিনি ১৬ জুন, ১৯৭৭ তারিখে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লেখাপড়া করেছেন ঢাকা কলেজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পোখরা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এম এ পাস করেন এবং পোখরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন।