অনন্তমূল লতা জাতীয় চাষযোগ্য ঔষধি উদ্ভিদ
সরু এবং লতা জাতীয় উদ্ভিদ। পাতা যুক্ত এবং কাণ্ডের দুদিকে জন্মায়। কিছুটা ডিম্বাকৃতির লম্বা এবং আগার দিকটা মোটা থাকে। আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
সরু এবং লতা জাতীয় উদ্ভিদ। পাতা যুক্ত এবং কাণ্ডের দুদিকে জন্মায়। কিছুটা ডিম্বাকৃতির লম্বা এবং আগার দিকটা মোটা থাকে। আরো পড়ুন
মসুর শীতকালে তোলার ফসল। কাতিক ও অগ্রহায়ণ মাসে ক্ষেতে বীজ ছড়ানো হয়। ক্ষদ্র ক্ষুপ বা গুল্ম জাতীয় গাছ। মসুর এক থেকে দেড় ফুটের বেশি উচু হয় না। আরো পড়ুন
অযত্নে জন্মায় এই গাছ। দেখতে মধ্যমাকার হয়। ২৫ থেকে ৩০ ফুট পর্যন্ত উচু হতে দেখা যায়। পর্ণমোচী বৃক্ষ, ১০-২০ মিটার উঁচু, তরুণ বিটপ। রেশমী রোমশ। তরুণ গাছের বাকল ভস্ম বর্ণের ও মসৃণ এবং পুরাতন গাছের বাকল বাদামী। এর লম্বা পত্রবৃন্তে ৩ থেকে ৬ জোড়া পর্যন্ত পাতা হতে দেখা যায়। পাতার আকার অনেকটা কাক জামের (Eugenia fruticosa) পাতার মতো। পাতা যৌগিক, পত্রক অক্ষ ৮-১২ সেমি লম্বা, গ্রন্থিবিহীন। পত্রক ২-৮ জোড়া, প্রায় দৈর্ঘ্যে ৬-১৭ ও প্রস্থ ৩.৫-৭.৫ সেমি, ডিম্বাকৃতি-উপবৃত্তাকার, সূক্ষ্মাগ্র বা দীঘা, উপর পৃষ্ঠ গাঢ় সবুজ ও চকচকে, প্রথম অবস্থায় অঙ্কীয় পৃষ্ঠ রৌপ্য রোমশ এবং শেষে ফ্যাকাশে, উপপত্র তুরপুন আকার, অতি ক্ষুদ্র, ১-২ মিমি লম্বা, আশুপাতী। আরো পড়ুন
এর প্রচলিত বাংলা নাম মনসা বা সেহুন্দ মনসা বা সেন্দ মনসা বা কাঁটা মনসা। সমগ্র পৃথিবীতে এই গণের প্রায় ৮০০টি প্রজাতি আছে; এটি একটি পুজার বৃক্ষ, আরো পড়ুন
শ্বেত বলা বা শ্বেত বেড়েলা মালভেসি পরিবারের একটি গুল্ম। বলার প্রচলিত নাম বেড়েলা, হিন্দিতে বলে বরিয়ারা, বরিয়ার, বরিয়াল, খরেটী, খরৈটী, খিরৈটী। উড়িষ্যায়ও এটিকে বলা বলে। এরা বর্ষজীবী উপগুল্ম বা ক্ষুপ জাতীয় গাছ। বেড়েলা ২ থেকে ৩ ফুট পর্যন্ত উচু হতে দেখা যায়। আরো পড়ুন
বিছুটি বর্ষজীবী লতা। রাস্তার ধারে ও জঙ্গলের পাশে এদের দেখা যায়। ঘন শাখা বিশিষ্ট লতা। দেড় মিটারের মতো বড় হয়। পাতা ডিম্বাকৃতি হয়ে থাকে। অগ্রভাগ ক্রমশ সরু। আরো পড়ুন
পুনর্নবা নিকটাগনিয়াসি পরিবারের বোয়েরহাভিয়া গণের বহুবর্ষজীবী লতানো বা আরোহী বীরুৎ।[১] এদের পাতা ও ডাঁটা লালচে, এমনকি ফলও লালচে হয়। আরো পড়ুন
ভূমিকা: মান্দার, পারিজাত (বৈজ্ঞানিক নাম: Erythrina variegata ইংরেজি: Indian Coral Tree) এটি ফেবাসিস পরিবারের ইরিথ্রিনা গণের কাঁটাযুক্ত লাল ফুলবিশিষ্ট বৃক্ষ। একে বাংলায় বলে পালতে বা পালধে মাদার, গ্রামাঞ্চলে বলে তে-পালতে, হিন্দিভাষী অঞ্চলে বলে ‘মান্দার ফরহদ, আবার মেদিনীপুর অঞ্চলেও ‘ফরৎ’ বলে, উড়িষ্যার অঞ্চলবিশেষে এর নাম পালধুয়া। প্রতিষ্ঠান, উদ্যান বা বাগানের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য লাগানো হয়। বৈজ্ঞানিক নাম: … Read more
শুধু বাংলায় নয়, ভারতের সব প্রদেশের লোকেই ধনিয়া বা ধনে বললেই চিনতে পারে। এটি একটি বর্ষজীবী ছোট ক্ষুপ বা গুল্ম উদ্ভিদ। আরো পড়ুন