ছায়া গুল্ম-এর নানা গুণাগুণের বিবরণ

ছায়া মাটিতে সামান্য গড়িয়ে পড়ে বা শক্ত খাড়া কাণ্ডযুক্ত, অত্যন্ত রোমশ গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এটি সাধারণতঃ বর্ষজীবী, তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে গাছ মরে যাবার পর মূলটা তাজা থাকতে থাকতে জল পেলে তা থেকেই গাছ বেরোয়। বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট এক থেকে দেড় ফুট লম্বা এই উদ্ভিদটি যখন ফুলে ভরে ওঠে, তখন সত্যিই অপূর্ব লাগে। ছোট বোঁটাযুক্ত প্রায় … Read more

মায়াফল গাছ-এর তেরটি ভেষজ গুণাগুণ

মায়াফল-গুলি ( Quercus infcctoria) ছিদ্রহীন হলেই ভাল, তা না পাওয়া গেলে ছিদ্রযুক্তগুলি নিতেই হবে । আবার মিশ্রিতও নেওয়া চলে। ওগুলিকে ভালভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে গুঁড়ো করার পর ছেঁকে নিয়ে দুইভাগে ভাগ করতে পারলে ভাল হয়। যেমন–মিহিচূর্ণকে একটি শুষ্ক পাত্রে রাখতে হবে এবং ছাঁকার পর মোটা সিটে অংশগুলিকে ফেলে না দিয়ে সেগুলিকেও সংরক্ষণ করা উচিত, কারণ … Read more

জিডাই নদী হচ্ছে নেত্রকোনা সদর উপজেলার একটি নদী

জিডাই

জিডাই নদী (ইংরেজি: Jidai River) বাংলাদেশের নেত্রকোনা জেলার সদর উপজেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ১২-১৩ কিলোমিটার এবং প্রকৃতি সর্পিলাকার। জিডাই নদীর নেত্রকোনা জেলার সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউরা ইউনিয়নের পলাশহাটি অঞ্চলের জলাভূমি থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। কিছুদূর অগ্রসর হয়ে নদীটি মহিষাটি বাজারের দক্ষিণে সুরিয়া নদীর থেকে প্রবাহ গ্রহণ করে। অতপর নদীটি দক্ষিণদিকে কিছুটা অগ্রসর হয় এবং … Read more

ফুলকির জন্য অপেক্ষা

কোনো ছাঁচ, ধাঁচ বা গণ্ডিতে নয়মুক্ত পাখির ডানার পালক হয়ে আমরা উড়েছিআপেল শ্রমিকের সুপ্ত স্বপ্নের সাথে মিলেছিআদিম কোনো ভূমিতে বীজ হয়ে ছড়িয়েছিসংগ্রামে এক হয়েছি রক্তজবা বুকে নিয়েতাই তুমি আমি আমরা পাপড়িময় সুবাস হয়েছি। তবুও আমি চাইএকটা অজানা শক্তির ফুলকি ছুঁয়ে যাক আমাদের শরীরনিজেদের আবার শোধন করি সূর্যস্নান করেযদিও জানি আমাদের স্বাদ ভিন্নপছন্দ বিচিত্র, চাওয়া পাওয়া … Read more

রুপালী সভ্যতার সুর

শুকনো পাতা ঝরা দিন চলে যায় হাওয়ার মতোবেঁচে থাকার যত মায়া উবে যায়হাওয়ার মতো,কোনো খাপছাড়া ক্ষোভ, অভিমান, ক্রোধঘণ্টার হয়ে টুং টুং বাজতে থাকেতোমার অপ্রকাশিত মনে।একবার অরণ্যে পা দিয়ে দেখোজীবনের স্বাদ এখানেই,ছোট ছোট আদরকে মুক্ত করে দেখোভালোবাসার তৃপ্তি এখানেই। খড় কুটো ছেড়ে মেঘ হয়ে ভাসব বলেসীমান্ত পেড়িয়ে তোমার কাছে আসা,পাহাড় ঘেসে যে বাড়ি তোমার-সেখানে বাগান করব … Read more

পরখ করে দেখো আমিও ইতিহাসের অংশ

বনসাই

তোমার শরীর পুরোপুরি আঁধারে ডুবে যাবার আগেইআসো অতীতের ক্ষতগুলো পরীক্ষা করে দেখি,যেখানে আছে পৌরানিক এক রঙ্গশালা,যার দেয়াল খচিত আছে ওড়িশি শিল্পীর তাল,নূপুরে ঝংকার, আর আছে লাল নীল দাগে,সব মিলে সত্যি অসাধারন কিছু পান্ডুলিপির খেলা ছড়িয়ে আছেসেখানে আত্মার ছড়াছড়ি, শরীরকে খুজে পাওয়া যায় না,আদর করতে চায় মন কিন্তু আঙুলে ছুঁয়ে দেখা যায় না,ভালোবাসার হাতগুলোকে এখন আধুনিক … Read more

ক্লান্তি মুছতে স্মৃতিরা তোমার দ্বারে

কবিতা হতে পারে মেঘলা দিনের হাওয়ার মতোপ্রিয় স্মৃতি নিয়ে তোমার আশেপাশে বেহালার সুর হয়ে ঘুরবেমধ্যদুপুরে ভাতঘুমের মতো চোখে নেশা হয়ে থাকবেবা ফিসফিস করে কানে এসে মোহিত কথা শুনাবে। প্রকৃতি থেকে ঘুম যখন বুনোফুলের গা ঝেড়ে তোমার ঘরে আসেতখন দেখবে জীবন কত সুন্দর, দিনের ক্লান্তি মুছে দিতে সে এসেছে তোমার নীড়েযখন দেখবে বসন্ত বোমার মতো ফেটে … Read more

মায়াফল বৃক্ষ এশিয়ায় জন্মানো উপকারী প্রজাতি

মায়াফল বৃক্ষ দেখতে ঝোপালো ও ছোট। সাধারণত ১০ থেকে ১ ফুট উঁচু হয়। কাণ্ডের ছাল ধূসর। পাতা ৪-৬ সে.মি. লম্বা, শক্ত। পাতার নিচের দিকটা সামান্য রোম আছে, কিনারা অসমান কাটা কাটা। ফুল একলিঙ্গ বিশিষ্ট। ফল গোলাকা অথবা সিলিণ্ডার আকৃতির, হালকা হলুদ রঙের। Adleria gallae tinctoriae নামক এক প্রকার পতঙ্গের স্ত্রী পতঙ্গগুলি Quercus infcctoria গাছের কচি … Read more

বন চালতা গাছের ভেষজ গুণাগুণ

এশিয়া মহাদেশের উষ্ণ ও নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল সমূহে এই গণের (genus) গাছগুলি জন্মে, তন্মধ্যে গোটা কুড়ি গাছ ভারতে পাওয়া যায়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয়, সিকিম, দাক্ষিণাত্যের কোথাও কোথাও এই গাছটি অযত্নসম্ভূত হয়েই জন্মে। যদিও চালতা গাছের পাতা একক পত্র আর বন চালতার পাতা যৌগিক পত্র, তথাপি উপপত্রগুলির এক-একটি দেখতে অনেকটা চালতা পাতারই মতো। তার উপর … Read more

সিনামোমান গণের প্রজাতিগুলোর বৈশিষ্ট্য

Litsea গণের দু’টি প্রজাতি আমাদের কাছে অতি পরিচিত। সে দু’টি হলো—(১) Litsea glutinosa (Lour.) Robinson, (২) Litsea monopetala (Roxb.) Pers. এবং এ দু’টি গাছের বাংলা নাম যথাক্রমে কুকুর চিতা ও বড় কুকুর চিতা। উভয় গাছের ছালই মেদা লকড়ী নামে বাজারে পাওয়া গেলেও প্রথমটির ছালকেই সাধারণতঃ মেদা পকড়ী বলা হয়। এ ছালটি বড়ই পিচ্ছিল এবং নালুকার … Read more

error: Content is protected !!