টিখুর বা অ্যারারুট বাংলাদেশে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

ভূমিকা: টিখুর বা অ্যারারুট (বৈজ্ঞানিক নাম: Maranta arundinacea) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ বীরুৎ । এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। টিখুর বা অ্যারারুট-এর বর্ণনা: এটি বীরুৎ, মূলজকান্ড লতান, কান্ড খাটো। পত্র সবৃন্ত ক, ডিম্বাকার। পুষ্প প্রান্তীয় সাইমে বিন্যস্ত, সহপত্রী, সরু, চমসাকার। বৃত্যংশ ৩ টি, সামান্য অসম। পাপড়ি ৩ টি, দলনালিতে যুক্ত। পুংকেশর ১ টি, আংশিক সম্পূর্ণ, … Read more

হলুদ লেজী হাঁস ফুল বাংলাদেশে জন্মানো বর্ষজীবি বীরুৎ

ভূমিকা: হলুদ লেজী হাঁস ফুল (বৈজ্ঞানিক নাম: Mantisia spathulata) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গাছ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। হলুদ লেজী হাঁস-এর বর্ণনা: ৪০ থেকে ৬০ সেমি লম্বা বায়বীয় কান্ড ও বহুবর্ষজীবি ভূনিবস্থ কান্ড সহ বর্ষজীবি বীরুৎ। পাতা অবৃন্তক, ডিম্ব- আয়তাকার থেকে ল্যান্সাকার, লম্বা কডেট, ১৫-২৬ × ২.৫-৪.২ সেমি, উপরের শিরায় সিলিয়াযুক্ত। পুষ্পবিন্যাস ঢিলাঢালা, বেগুনে … Read more

কুমারি বুড়া দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো উপকারি বৃক্ষ

ভূমিকা: কুমারি বুড়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Mallotus tetracoccus) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গাছ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। কুমারি বুড়া-এর বর্ণনা: ছোট বৃক্ষ আকৃতির এই প্রজাতিটি ৭ থেকে ১১ মিটার উঁচু হয়। এদের শাখা শক্ত, শুষ্ক অবস্থায় হলদে তারকাকার রোমযুক্ত, পরবর্তীতে রোমশ বিহীন। পত্র প্রতিমুখ বা একান্তর, উপপত্র অনুপস্থিত বা ক্ষুদ্র, বৃন্ত ৪-১৫ সেমি লম্বা, তারকাকার … Read more

রেউচিনি দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো উদ্ভিদ

অন্যান্য নাম ভেষজটির সংস্কৃত নাম- পীতমূলা, অপর্ণী; বাংলায নাম- রেউচিনি, হিন্দিতে- রেবন্দচীনী, রেউচিনি প্রভৃতি বিভিন্ন নামে পরিচিত। এর বোটানিক্যাল নাম Rheum australe, Rheum emodi Wall., ফ্যামিলী-Polygonaceae. সমগ্র বিশ্বে এই গণের প্রজাতির সংখ্যা ২০টি। এদের মধ্যে ভারতে হিমালয় প্রদেশে পটি পাওয়া যায়। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ—– কন্দমূল। বিবরণ: রেউচিনি হল এমন একটি উদ্ভিদ। গাছ ৪ থেকে ৫ … Read more

সিন্দুরি গাছ বাংলাদেশের সর্বত্রে জন্মে

ভূমিকা: সিন্দুরি (বৈজ্ঞানিক নাম: Mallotus philippensis) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গাছ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। সিন্দুরি গাছ-এর বর্ণনা : সিন্দুরি গুল্ম বা ছোট চিরহরিৎ বৃক্ষ। এটি প্রায় ১৫ মিটার উঁচু, কান্ড বাঁশের ছেঁদার ন্যায় খাঁজ যুক্ত, তরুণ বিটপ, পত্র ও পুষ্পবিন্যাস হলদে বা মরচে রোমশ। পত্র একান্তর বা অর্ধপ্রতিমুখ, উপপত্র ক্ষুদ্র, আশুপাতী, বৃন্ত ২-৬ … Read more

নোয়া মরিচা পার্বত্যঞ্চলে জন্মানো গুল্ম

ভূমিকা: নোয়া মরিচা (বৈজ্ঞানিক নাম: Maesa ramentacea) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। নোয়া মরিচা-এর বর্ণনা : এটি গুল্ম আকৃতির। প্রায় ৯০ সেমি পর্যন্ত লম্বা হয়। এদের শাখা-প্রশাখাগুলো ঝুলন্ত এবং গুটিকাযুক্ত, বাকল গাঢ় বাদামী, আঁচিলবিশিষ্ট। পাতা ৭.৫-২০.০ × ২.৫-৬.০ সেমি, ডিম্বাকার-ভল্লাকার থেকে উপবৃত্তাকার-ভল্লাকার, অখন্ড বা নিচের দিকে বাঁকা, দীর্ঘাগ্র বা তীক্ষ্ণ, … Read more

মারুয়া বা রাগি বহুবর্ষজীবী ভেষজ তৃণ

ভূমিকা: মারুয়া বা রাগি (বৈজ্ঞানিক নাম: Eleusine coracana) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ তৃণ। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। মারুয়া বা রাগি-এর বর্ণনা: মারুয়া এক বা বহুবর্ষজীবী তৃণ। এদের কাণ্ড খাড়া বা উর্ধ্বগ, ৩০- ১০০ সেমি উঁচু, কোমল, সরল, রোমশবিহীন, মসৃণ, চাপা, পর্ব রোমশবিহীন। পত্রফলক রৈখিক, ১০-৮০ × ০.৩-১.০ সেমি, চ্যাপ্টা, সূক্ষাগ্র, গোড়া গোলাকার বা তাম্বুলাকার, … Read more

দেশি সির্খী দক্ষিণ এশিয়ার গুল্ম

ভূমিকা: দেশি সির্খী (বৈজ্ঞানিক নাম: Maesa indica) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম। এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়। দেশি সির্খী-এর বর্ণনা: এটি গুল্ম বা ছোট বৃক্ষ, বাকল গাঢ় ধূসর, রেজ (blaze) সবুজাভ। গাছের পাতা ৬-১৮ × ২.৫-৭.৫ সেমি, উপবৃত্তাকার- ভল্লাকার বা উপবৃত্তাকার-দীর্ঘায়ত, স্থুল দন্তর, অর্ধচর্মবৎ, মসৃণ, পার্শ্বশিরা অস্পষ্ট, মধ্যশিরার উভয়পাশে ৭-১৫টি, পত্রবৃন্ত ১.২-২.৫ সেমি লম্বা, খাঁজবিশিষ্ট। … Read more

শাল গাছ দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

একে সংস্কৃতে শাল, বাংলায় শাল, শাল গাছ, শাল কাঠ; হিন্দীতে শাল, দামার, সাখ, সাল; উড়িষ্যার অঞ্চল বিশেষে সব্ব, সেকওয়া; বোম্বাই অঞ্চলে রালধনা বলে। ইংরেজীতে এটিকে The Sal tree বলা হয়। এর বোটানিক্যাল নাম Shorea robusta Gaertn. f., পরিবার Dipterocarpaceae. শাল গাছ-এর বিবরণ: শাল গাছ সরল ও খুব লম্বা, এতে শাখা-প্রশাখা খুব কম হয়। ছোট গাছের … Read more

ছোট বান্দা দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গুল্ম

ভূমিকা: ছোট বান্দা (বৈজ্ঞানিক নাম: Macrosolen cochinchinensis) হচ্ছে  এক প্রকারের ভেষজ গুল্ম । এই প্রজাতিটি এশিয়ার দেশে জন্মায়।   ছোট বান্দা-এর বর্ণনা : অধিক শাখাযুক্ত পরজীবীয় গুল্ম, সম্পূর্ণ মসৃণ, পর্ব স্ফীত, উদ্ভিদের গোড়া পোষকের সংযোগস্থলে স্ফীত, অস্থানিক মূল পোষক বরাবর অবিরাম। পত্র ৪-১২ × ১.২- ৫.০ সেমি, উপবৃত্তাকার, উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার বা ডিম্বাকার, কচি পত্র বল্লমাকার, প্রশস্তভাবে … Read more

error: Content is protected !!