অরনি বা বাতঘ্নী এশিয়ায় জনানো ভেষজ উদ্ভিদ

এই গাছটির পরিচিতি নিয়ে মতভেদ এতই বেশি পরিলক্ষিত হয় যে, প্রাচীনের সঙ্গে নব্যের মিল খুঁজতে গিয়ে খুবই বেকায়দায় পড়ে যেতে হয়। সেই কারণে আলোচ্য ভেষজটির আরও অনেক পরিচিত নামের উল্লেখ একাধিক গ্রন্থে থাকা সত্ত্বেও তা ব্যবহার করা হলো না । বাতঘ্নী—এই ভেষজ উদ্ভিদটির বোটানিক্যাল পরিচিতি হলো – Verbenaceae পরিবারের Clerodendrum গণের একটি প্রজাতি, তার নাম … Read more

চিল্লা এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ গাছ

চিল্লা হিমালয়ের পাদদেশ থেকে আরম্ভ করে প্রায় সমগ্র ভারতের যত্রতত্র Casearia tomentosa প্রজাতিটিকে দেখতে পাওয়া যায়। মাঝারি ধরনের ঝোপঝাড়যুক্ত গাছ। কাণ্ডের ছাল ধূসর, বেশ মোটা, সহজে ভেঙ্গে যায়। কাঠের বর্ণ পীতাভ শ্বেত। পাতা আয়তাকার, সূচাগ্র, গোড়ার দিকটাও ক্রমশঃ সরু, সামান্য রোমশ, সাধারণতঃ ৫ । ৬ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা। কিনারা কাটা কাটা। শাখা-প্রশাখাগুলিও রোমশ। ফুল সবুজাভ- … Read more

স্বর্ণমূলা এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ উদ্ভিদ

সপ্তরঙ্গী বা সপ্তচক্রা এর আর এক নাম স্বর্ণমূলা, কারণ মূলের বহিরাবরণ সোনালী। সপ্তরঙ্গীকে ভারতের অধিকাংশ মনীষী সপ্তরঙ্গীকে Casearia esculenta বললেও কারও কারও মতে Hippocratcaceae পরিবারের Salacia গণের Salacia chinensis Linn. গাছটিও সপ্তরঙ্গী। এখানে একটি গাছের বর্ণনা ও গুণপনা পৃথক পৃথক দেওয়া হচ্ছে। Casearia esculenta Roxb: গাছটি দক্ষিণ ভারতের পাহাড়িয়া অঞ্চলে অধিক জন্মে। ছোট আকৃতির গাছ। … Read more

সপ্তরঙ্গী-এর ভেষজ গুণ সম্পন্ন বৃক্ষ

সপ্তরঙ্গী বা সপ্তচক্রা এর আর এক নাম স্বর্ণমূলা, কারণ মূলের বহিরাবরণ সোনালী। সপ্তরঙ্গীকে ভারতের অধিকাংশ মনীষী সপ্তরঙ্গীকে Casearia esculenta বললেও কারও কারও মতে Hippocratcaceae পরিবারের Salacia গণের Salacia chinensis Linn. গাছটিও সপ্তরঙ্গী। এখানে একটি গাছের বর্ণনা ও গুণপনা পৃথক পৃথক দেওয়া হচ্ছে। Salacia chinensis Linn: এটি শক্ত কাণ্ড বিশিষ্ট অর্ধলতানো গাছ। ভারতের বিভিন্ন স্থানে পাওয়া … Read more

যূথিকাপর্ণী গুল্ম এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

Acanthaceae পরিবারের অন্তর্গত Rhinacanthus গণের মাত্র ৪টি প্রজাতি এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশে জন্মে। এই চারটির মধ্যে দু’টি ভারতে পাওয়া যায়। তন্মধ্যে একটি হলো যূথিকাপর্ণী অর্থাৎRhinacanthus nasutus Kurz, পূর্বে এটির নাম ছিল R. communis Nees; অপর প্রজাতিটির নাম R. calcaratus Nees, এটি দেখতে অনেকটা যূথিকাপর্ণীর মত, ফুল সাদা, আসাম ও বাংলার জঙ্গলে জন্মে। যূথিকাপর্ণী-এর বিবরণ: ৪ … Read more

পাঞ্জা সালম-এর আটটি ভেষজ গুণাগুণ

কামোদ্দীপক, পুষ্টিকর ও অগ্নিবর্ধক এবং অজীর্ণ, অতিসার, প্রবাহিকা, প্রসবাস্তিক ও রোগান্তিক দুর্বলতা, মস্তিষ্ক দৌর্বল্য, স্নায়ুদৌর্বল্য, কৃশতা, হৃৎদ্দৌর্বল্য ও রক্তদোষ প্রভৃতিতে ব্যবহার্য। পাঞ্জা সালম-এর ঔষুধি ব্যবহার এখানে যে মুষ্টিযোগগুলি লেখা হচ্ছে, সেগুলি পাঞ্জা সালমকে (Orchis latifolia) নিয়ে, তবে তা না পাওয়া গেলে মুঞ্জাতক সালম বা অন্য সালম ব্যবহার করতে পারেন। ১. অপুষ্টিতে: পুষ্টিকর আহারের অভাবে অপুষ্টি … Read more

সফেদমুসলি বা মহাশতাবরী- এর পাঁচটি ভেষজ গুণাগুণ

মহাশতাবরী বা সহস্রবীর্যা ‘সফেদমুসলি’ নামেও পরিচিত। কারণ মহাশতাবরীর শুকনা মূলই সফেদ মুসলি। যদিও-বা সফেদমুসলি নামে আরও কয়েকটি গাছের মূল বিভিন্ন বাজারে পাওয়া যায়, তথাপি অধিকাংশ উদ্ভিদবিদ্‌গণের মতে মহাশতাবরীর অর্থাৎ Asparagus adscendens Roxb.-এর মূলই আসল সফেদমুসলি। সফেদমুসলি-এর গুণাগুণ ১. অপুষ্টিতে: সাধারণতঃ শিশুরাই এই সমস্যায় বেশী পড়ে। বড়দের ক্ষেত্রে যে হয় না তা নয়। ৪। ৫ বছর … Read more

মহাশতাবরী বা সফেদমুসলি এশিয়ায় জন্মানো উপকারী উদ্ভিদ

মহাশতাবরী বা সহস্রবীর্যা ‘সফেদমুসলি’ নামেও পরিচিত। কারণ মহাশতাবরীর শুকনা মূলই সফেদ মুসলি। যদিও-বা সফেদমুসলি নামে আরও কয়েকটি গাছের মূল বিভিন্ন বাজারে পাওয়া যায়, তথাপি অধিকাংশ উদ্ভিদবিদ্‌গণের মতে মহাশতাবরীর অর্থাৎ Asparagus adscendens Roxb.-এর মূলই আসল সফেদমুসলি। পরিচিতি: কাঁটা-যুক্ত খানিকটা সোজা কাণ্ডবিশিষ্ট গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। সাধারণতঃ পশ্চিম হিমালয়ের বিভিন্ন স্থানে এবং পাঞ্জাব ও কুমায়ুন অঞ্চলে ৫০০০ ফুট … Read more

পাচৌলি বা পচাপাতা উপকারী গাছ

পাচৌলি বা পচাপাতা-এর পরিচিতি ও গুণপনা ১. Pogostemon heyneanus Benth. (Syn.-P. patchouli Hook. f. non Pelletier): এই দেশি পাচৌলিটি পচাপাতা নামে বাংলায় পরিচিত। অত্যন্ত গন্ধযুক্ত উদ্ভিদ। সাধারণতঃ ২। ৩ ফুট লম্বা হয়। পাতা ডিম্বাকৃতি, প্রায় তুলসী পাতার মতো দেখতে, কিনারা খাঁজ কাটা, সামান্য রোমশ, পাতলা। লম্বা পুষ্পদণ্ডের উপর গোলাকারভাবে ছোট ছোট ফুল ফোটে। ফুলও অত্যন্ত … Read more

ওট বা জই খাওয়ার কয়েকটি গুণাগুণ

ওট বা জই খাদ্য স্নায়ু-উত্তেজক, বলকর, নিদ্রাকারক, স্নিগ্ধ, শীতল ও মৃদু বিরেচক গুণ-সম্পন্ন। এটি ডিপথেরিক পক্ষাঘাত, আমাশা, জ্বরান্তিক দুর্বলতা, ক্লৈব্য, অনিদ্রা, হৃৎস্পন্দনাধিক্য, দন্তক্ষয়, কোলেস্টেরলের আধিক্য প্রভৃতি ক্ষেত্রে ব্যবহার্য। Oat হৃৎপেশীকে সবল করে এবং মূত্রসংবহন তন্ত্রকে সতেজ রাখে। এটি মূত্রকারক এবং দ্রুত মূত্রাশয় ও মূত্রনালীর আক্ষেপ নিবারণ করে। এছাড়া মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের উপরও ওটের ক্রিয়া পরিলক্ষিত … Read more

error: Content is protected !!