পাহাড়ি জাতা কানশিরা দক্ষিণ এশিয়ার ভেষজ বিরুৎ

পাহাড়ি জাতা কানশিরা (বৈজ্ঞানিক নাম: Commelina paludosa) বাংলাদেশের সব জেলাতেই জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। গহীন অরণ্য, রাস্তার পার্শ্বের ভিজা সেঁতসেঁতে মাটি, জলাশয়ের তীরে এই প্রজাতি জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল অক্টোবর থেকে মার্চ। শাখা কলম ও বীজ দ্বারা বংশ বিস্তার।আরো পড়ুন

সোজা জাতা কানশিরা শোভাবর্ধক ও ভেষজ বিরুৎ

পাতা ও কান্ড সবজিরূপে ব্যবহারযোগ্য, বাহারি উদ্ভিদরূপে টবে রোপন করা যায়। এটির পাতা ক্ষতের চিকিৎসার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এর ক্বাথ শরীরের বাহ্যিক ত্বকে প্রয়োগ করা হয়।আরো পড়ুন

জালি ভাঙা ফার্ন দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ প্রজাতি

একটি স্থলজ অথবা পরাশ্রয়ী ফার্ন। গ্রন্থিক ব্যাপক লতানো, ২-৩ মিমি ব্যাসযুক্ত, পাতলাভাবে শল্কযুক্ত, শল্ক বল্লমাকার, পুরু পার্শ্বীয় প্রাচীরযুক্ত কোষ বিশিষ্ট, গাঢ় বাদামী বর্ণের। আরো পড়ুন

শিয়ালমুঠা বাংলাদেশে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

উদ্ভিদটি বমোন্দ্রেককর, বলকারক এবং ঘর্মকারক, এর কাণ্ড এবং পাতা স্কাভিনাশক, শেকড় পেট ফাপায় আভ্যন্তরীণভাবে এবং বহির্ভাগে ঘা ও ব্রনে ব্যবহৃত হয়। এর বীজে শতকরা ২১.৯ ভাগ চর্বিযুক্ত তেল আছে। আরো পড়ুন

চোরকাঁটা বা প্রেমকাঁটা গ্রীষ্ম প্রধান দেশে জন্মানো বিরুৎ

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩০০ মিটার উঁচু পর্যন্ত। পথিপার্শ্ব, পদদলিত তৃণভূমি ও চারণভূমি। ফুল ও ফল ধারণ ও সারা বর্ষব্যাপী। বংশ বিস্তার হয় বীজ ও মূলায়িত পাশ্ববিটপ দ্বারা।আরো পড়ুন

কালা ডাঁটি ঢেকিয়া গ্রীষ্মমন্ডলী দেশের ভেষজ প্রজাতি

ভারত, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, মালয় উপদ্বীপ, ফিলিপাইন, গ্রীষ্মমন্ডলীয় আমেরিকা, জাভা, পূর্ব আফ্রিকা এবং ফিজি। বাংলাদেশে সিলেট জেলা থেকে এই প্রজাতি সংগ্রহ করা হয়েছে (Mirza and Rahman, 1997)।আরো পড়ুন

মিচুতা গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

বহু ছটাকার শাখা বিশিষ্ট ভূশায়ী একবর্ষজীবী। বীরুৎ, কাণ্ড অনূর্ধ্ব ২৫ সেমি লম্বা, মসৃণ বা উপরের অংশ। হালকা অণুরোমশ বা রোমশ, প্রস্থচ্ছেদ গোলাকার। আরো পড়ুন

গাঁদা গুল্ম-এর পাতা ও ফুলের নানাবিধি ভেষজ ব্যবহার

গাঁদা

গাঁদা (Tagetes erecta) গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। এটি ১.০ সে.মি. পর্যন্ত উঁচু হয়। পাতা বহু খণ্ডে বিভক্ত, পত্রকের ধার করাতের মতো খাঁজকাটা। গাছে ও পাতায় সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম রোম ও একটি ঝাজানো গন্ধ আছে। আরো পড়ুন

সুপারি গাছের ফল, পাতা ও শেকড়ের নানাবিধ ঔষধি প্রয়োগ

গাছে-সুপারি

সুপারি গাছ (Areca catechu) বেশ শক্ত, সরু ও লম্বা; নারিকেল গাছের মতো শাখা-প্রশাখাহীন গাছি। তবে বাঁশের মতো মোটা হয়। লম্বায় সচরাচর ৮ বা ১০ মিটার হলেও অনেক ক্ষেত্রে ১৫ মিটার পর্যন্ত হতে দেখা যায়। আরো পড়ুন

কুকুরশোঁকা দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বিরুৎ

খাড়া, একবর্ষজীবী বীরুৎ, কাণ্ড সরল, শাখা বিন্যাসিত, প্রস্থচ্ছেদ গোলাকার, সরেখ, স্বল্পসংখ্যক কোমল দীর্ঘ রোমযুক্ত ও খর্ব বৃন্তক-গ্রন্থিল। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!