লাল চিটচিটা গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলে জন্মানো একবর্ষজীবী বীরুৎ
লাল চিটচিটা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এশিয়া, আফ্রিকা হতে চান এবং অস্ট্রেলিয়া, মধ্য আমেরিকা এবং মালয়েশিয়ায় সুপরিচিত। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে এবং পূর্বাঞ্চলে ইহা পাওয়া যায়।আরো পড়ুন
লাল চিটচিটা গ্রীষ্মমণ্ডলীয় এশিয়া, আফ্রিকা হতে চান এবং অস্ট্রেলিয়া, মধ্য আমেরিকা এবং মালয়েশিয়ায় সুপরিচিত। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে এবং পূর্বাঞ্চলে ইহা পাওয়া যায়।আরো পড়ুন
রাইজোম কফ নির্গমক, পাকস্থলীর শক্তি বর্ধক, শীতলকারক, মূত্রবর্ধক এবং উত্তেজক, বায়ু নিরোধক। মন্ড সেতী এবং অর্শ্বে, ক্কাথ। কাল মরিচ, দারুচিনি এবং মধুর সাথে মিশিয়ে ঠান্ডা, ব্রংকাইটিস এবং হাঁপানিতে উপকারী, অন্যান্য উপকরণের সঙ্গে মিশিয়ে প্রসুতির দুর্বলতা কাটাতে দেওয়া হয়।আরো পড়ুন
কম্বোডিয়া, চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, শ্রীলংকা, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। বাংলাদেশে এটি ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি ও সিলেট জেলায় জন্মে।আরো পড়ুন
বন ধনে বা বন ধুনিয়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Croton bonplandianus) বাংলাদেশের সব জেলাতেই জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। বহুশাখান্বিত কাষ্ঠল বীরুৎ, ২০-৫০ সেমি লম্বা। আরো পড়ুন
পাহাড়ি ঝুনঝুনা (বৈজ্ঞানিক নাম: Crotalaria tetragona) বাংলাদেশের পার্বত্যঞ্চলের জেলাগুলোতে জন্মে। এছাড়াও ভেষজ চিকিৎসায় কাজে লাগে। মিশ্র পত্রঝরা ও পাহাড়ী চিরহরিৎ বনাঞ্চলের উন্মুক্ত এলাকায় জন্মে। ফল ও ফল ধারণ নভেম্বর-ফেব্রুয়ারি মাস। বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে।আরো পড়ুন
ভারতে সাঁওতাল উপজাতীরা মূল পাকস্থলীর জটিলতায় ব্যবহার করে, যেখানে মুণ্ডা উপজাতীরা পেটের পীড়া এবং ডায়রিয়ায়, বিশেষত মারাক্তক ডায়রিয়ায় ব্যবহার করে।আরো পড়ুন
বীজ কখনো কফির পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়। গাজান পদ্ধতি প্রস্তুতিতেও ব্যবহৃত। চা, রাবার এবং নারিকেল গাছের আচ্ছাদিত উদ্ভিদ হিসাবে ব্যবহারের চেষ্টা করা হচ্ছে।আরো পড়ুন
খাড়া, বর্ষজীবী বীরুৎ, ১.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা। কান্ড এবং শাখাপ্রশাখা বেলনাকার, ছড়ানো লম্বা রোমশ। পত্র ৩-পত্রক, পত্রক ঝিল্লিময়, বিডিম্বাকার থেকে উপবৃত্তাকার-বিডিম্বাকার, ২-৩ সেমি লম্বা। আরো পড়ুন
লম্বভাবে অবস্থিত বীরুৎ, কাণ্ড সরেখ বা মাকড়সার জালসদৃশ, সরল বা শাখা বিন্যাসিত, ৭০-৭৫ সেমি এর অধিক লম্বা। পত্র উপবৃত্তাকার-বিবল্লমাকার, সবৃন্তক বা অর্ধবৃন্তক; আরো পড়ুন
পরিত্যক্ত এলাকায় আগাছার মাঝে জন্মে। ফুল ও ফল ধারণ সময় আগষ্ট-ফেব্রুয়ারি। বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে। সমগ্র উপমহাদেশে, কিন্তু সম্ভবত উষ্ণমন্ডলীয় এশিয়ার স্বদেশী। ইহা উষ্ণমন্ডলীয় আফ্রিকা, ভারত, শ্রীলংকা এবং অস্ট্রেলিয়ায়ও পাওয়া যায়। বাংলাদেশের সমগ্র জেলায় বিস্তৃত।আরো পড়ুন