বনঢুলি বা দুপুরমনি ফুল ও মূলের ছয়টি ভেষজ গুণাগুণ

দুপুরমনি

উষ্ণ, গরপাক, ত্রিদোষের প্রশমক, জ্বরনাশক ও পিচ্ছিল। ফল গুরুপাক ও কোষ্ঠবদ্ধতাকারক। চরকের মতে এটা সাপের বিষে হিতকর। সাঁওতালরা এর মূল অনেকক্ষেত্রে ঔষধার্থ ব্যবহার করে থাকে। ব্যবহার্য অংশ হচ্ছে ফুল ও মূল।আরো পড়ুন

বরবটি বীজ-এর নানাবিধ উপকারিতা ও প্রযোগ

বর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ, কাণ্ড মসৃণ, এতে কোন আকর্ষ (আকড়ি বা শুঁড়) থাকলেও কোন গাছে বেড়ায় অথবা মাচায় প্রসারিত হয়। পাতার গড়ন দেখতে অনেকটা আলকুশী লতাগাছের (Mucuna prurita) পাতার মত ত্রিপত্র বিশিষ্ট। পাতার ডাঁটা ও মুলকাণ্ডের সংযোগ থেকে নতুন কাণ্ডশাখা বাহির হয়, উক্ত কাণ্ডশাখা ও মূলকাণ্ড থেকে ফল ও শুটী হয়। আরো পড়ুন

মিষ্টি আলু ও লতা-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

লতানে উদ্ভিদ, মাটিতে গড়িয়ে গড়িয়ে এগিয়ে চলে, এর গাঁট থেকে মাটিতে শিকড় প্রবেশ করে এবং সেই শিকড় থেকেই মাটির নিচে আলু জন্মে। পাতার গঠন অনেকটা কলমী শাকের (Ipomoea reptans) পাতার মত, তবে আকারে কিছুটা বড়। গাছের ডগা ও পাতা ভাঙ্গলে দুধের মত আঠা বেরোয়। আরো পড়ুন

গোট বেগুন গুল্ম-এর দশটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

এর গাছ সাধারণতঃ ৫/৬ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। ফুল সাদা রঙের, ফল হয় থোকা থোকা সবুজ রঙের, পাকলে হলদে। ফুল ও ফল বৎসরের প্রায় সব সময়ই হয়ে থাকে। এর বীজকে বেগুন বা বৃহতীর বীজ থেকে পৃথক করা অসম্ভব। গুণাগুণের দিক থেকে এটি অনেকটা বৃহতীর (Solanum indicum) সমতুল্য। এটিও Solanaceae ফ্যামিলীর অন্তর্ভুক্ত গাছ।আরো পড়ুন

নুনে শাক-এর সাতটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

বড় জামুই গুল্ম হিমালয়ের ৫০০০ ফুট উচু পর্যন্ত স্থানে এবং ভারতের সর্বত্র অল্পবিস্তর জন্মে। সাধারণতঃ পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র পতিত জমিতে, খালের ধারে হয়ে থাকে। বর্ষজীবী রসাল গুল্ম। কাণ্ড ১০ থেকে ১২ ইঞ্চি হয়, কাণ্ড থেকে সরু, ছোট ছোট শাখা বেরোয়। সমগ্র কাণ্ড ও শাখা-প্রশাখা লালচে। আরো পড়ুন

তামাক-এর বহুবিধ ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

পাতা কাঁচা ও শুকনো উভয়ই, কাণ্ড ও বীজ ব্যবহার হয়। তবে ব্যবহারের সময় কিছু জিনিস খেয়াল রাখতে হবে (ক) এক বৎসরের বেশী পুরানো তামাক কিছুটা হীনগুণ হয়। (খ) ঔষধার্থে প্রয়োগের দুই-তিন দিন পূর্বে তাকে ভাল করে ধুয়ে, রৌদ্রে শুকিয়ে নিতে হবে এবং সেইটাই ব্যবহার করতে হবে।আরো পড়ুন

ক্ষেতপাপড়া গুল্ম-এর পাঁচটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

ইহার ক্বাথ পিত্তজ জ্বরে এবং পাকস্থলীর পীড়ায় খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়। ক্ষেতপাপড়া ও ধনে একত্রে সিদ্ধ করে খেলে বহুদিনের পুরাতন জ্বর সেরে যায়। এছাড়া পাড়ুরোগেও এর ব্যবহার দেখা যায়। এটি স্নায়ুগত পীড়ায় হিতকর।আরো পড়ুন

বামনহাটি গুল্ম-এর সাতটি ভেষজ গুণাগুণ ও প্রয়োগ

বৃহৎ আকারের গুল্ম হলেও আয়ুর্বেদীয় পরিভাষা অনুযায়ী এটি বক্ষের পর্যায়ে পড়ে, যেহেতু এটির ডাল (শাখা) কেটে দেওয়ার পর তার পাশ থেকে পুনরায় নতুন গাছ বের হয়। সাধারণতঃ ৪ থেকে ৮ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে দেখা যায়, কাণ্ড সরল, শাখাহীন ও অভ্যন্তর ভাগ ফাঁপা। গোড়ার দিককার পাতাগুলি পেকে ঝরে গিয়ে কাণ্ডের অগ্রভাগের পাতা থাকে। পাতা ৬ থেকে ৯ ইঞ্চি লম্বা, ১ থেকে দেড় ইঞ্চি চওড়া ও বোঁটা সিকি ইঞ্চির মতো লম্বা হয়। আরো পড়ুন

কালকেয়া বা কেলেওকড়া উদ্ভিদের সাতটি ভেষজ গুণাগুণ

বহু শাখাপ্রশাখাযুক্ত ঝোপ-ঝাড় শক্ত লতা। এর গায়ে শক্ত এবং বাঁকা কাঁটা আছে, তাই এর পর্যায় নাম গৃধ্রনখী। পাতা দেড় থেকে তিন ইঞ্চি লম্বা ও ১-১২ ইঞ্চি চওড়া। এর গঠন ও আকার অনেকটা লেবু, পাতার (Citrus medica) মতো। বর্ণ গাঢ় সবুজ। কাণ্ড এবং পাতার সংযোগস্থল থেকেই ফল বের হয়, অবশ্য লতার আগার দিকটায়ই যে ফল হয় … Read more

ঢোলপাতা বা কানশিরে তৃণের সাতটি ভেষজ উপকারিতা

ক্ষুপ জাতীয় এই প্রজাতির পাতার গোড়ার দিকটায় একটু, চওড়া বেষ্টনী আছে যেটা লতাটাকে জড়িয়ে ধরে রাখে এবং এর গায়ে কোমল রোম আছে। পুষ্পধি দেখতে অনেকটা ছেড়া কানের মত, তার মধ্য থেকেই ছোট ছোট নীল ফুল হয়। তাই এর প্রচলিত নাম কানছিড়ে। বীজকোষ ঝিল্লীযুক্ত। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!