চিলগোজা ঔষধি গুণসম্পন্ন পাইন জাতীয় গাছ

চিলগোজা (Pinus gerardiana) ভারতের উত্তর-পশ্চিম হিমালয়-সংলগ্ন গাড়োয়াল অঞ্চলে ১৮০০ থেকে ৩০০০ মিটার পর্যন্ত উচ্চস্থানে এই গাছ প্রচুর জন্মে। তাছাড়া আফগানিস্তান, বেলুচিস্তান প্রভৃতি জায়গায়ও এটিকে পাওয়া যায়। চিলগোজা-এর পরিচিতি যদিও এটি কম উচ্চতা-সম্পন্ন এক প্রকার পাইন গাছ, তাহলেও সাধারণতঃ ১৫-২০ মিটার লম্বা ও ২–৩ মিটার চওড়া বিশিষ্ট চিরহরিৎ বৃক্ষ। শাখা-প্রশাখাগুলি ঊর্ধ্বমুখী, কিন্তু কাণ্ড থেকে গোলাকারভাবে বেরোয় … Read more

লিচু ফল-এর আটটি ভেষজ গুণাগুণ

লিচু ফল-এর অধিকাংশ স্থানে লিচি কিংবা লিচু বলা হয়। লিচুর খাদ্যাংশকে জেলির মত কিংবা সরবতের (Syrup) মত করে সংরক্ষণ করা যায়। এই যে লিচু আমরা খাই এটিই চীন দেশ থেকে আগত এবং এর বোটানিক্যাল নাম Litchi chinensis Sonn. লিচু ফল-এর ভেষজ ব্যবহার ১. দুর্বলতায়: যেকোন প্রকার রোগভোগের পর, প্রসবের পর, গরমের দিনে অতিরিক্ত ঘোরাঘুরি করলে … Read more

লিচু গুণ-এ ভরপুর রসালো ফল

লিচু বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতে চাষ করা হয়। বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতের লিচু জন্মে। পশ্চিম বাংলা, বিহার, উত্তর প্রদেশের স্থানবিশেষে উৎকৃষ্ট মানের লিচু প্রচুর পরিমাণে ফললেও দক্ষিণ ভারতে এর চাষ তেমন একটা হয় না। অথচ এই গাছটি নিম্নভূমির প্রায় সর্বত্র এবং শীতপ্রধান অঞ্চলের বহু অঞ্চলে চাষের উপযোগী। ছায়াদার গাছ হিসেবেও লাগানো যেতে পারে, এর দ্বারা জনসাধারণ … Read more

খুবানি ফল ও শাঁস-এর সাতটি ঔষধি ব্যবহার

মাঝে মাঝে পাতলা দাস্ত হয়, তা না হলে প্রায় প্রত্যহ দু’তিন বার করে আড়-পাতলা দাস্ত হতেই থাকে, সেটা আবার দীর্ঘদিন ধরে চলেছে, তখন সেক্ষেত্রে অনেক রকম রোগের সম্ভাবনা থেকে যায়। দীর্ঘদিন ধরে হজম ক্ষমতায় ব্যাঘাত ঘটলে, পেটে ক্রিমির উৎপাত হলে যেক্ষেত্রে এই অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে, সেক্ষেত্রে শুকনো খুবানী ফল একটি কিংবা দু’টি জলে মসৃণ করে বেটে তার সঙ্গে আধ কাপ জল মিশিয়ে সেটিকে ভালভাবে ছেঁকে নিংড়ে নিয়ে আরো পড়ুন

খুবানি শোভাবর্ধক ও উপকারী বৃক্ষ

মাঝারি ধরনের ঝোপঝাড় বিশিষ্ট গাছ। সাধারণতঃ ২০। ২৫ ফুট উঁচু হয়। পাতা গোল কিংবা ডিম্বাকৃতি, ২ থেকে ৪ ইঞ্চি লম্বা। ফুল গোলাপী সাদা। ফল কচি অবস্থায় রোমশ, পাকলে হলদে রঙের উপর লালের আভা, মসৃণ। শুকনো ফল তাজা অপেক্ষা উত্তম। এই ফল মধুর, অম্ল, অম্ল-মধুর ভেদে তিন প্রকার। ফলের মধ্যে বীজ থাকে এবং বীজের মধ্যে থাকে শাঁস। বীজের শাঁস অত্যধিক স্বাদযুক্ত। ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ— ফল ও শাঁস।আরো পড়ুন

সফেদা খাওয়ার ছয়টি উপকারিতা

কাঁচা সফেদায় (বৈজ্ঞানিক নাম: Manilkara zapota) দুধের মতো এক প্রকার আঠা বেরোয় এবং সেটিতে সামান্য ট্যানিন আছে। পাকা ফল স্বাদে মধুর, তৃপ্তিদায়ক, অধিক পরিমাণে শর্করা সমৃদ্ধ। গাছের ছাল বলকারক ও জ্বরনাশক। বীজ মূত্রকারক ও মৃদু বিরেচক।

রোগ প্রতিকারে এই সুমিষ্ট ফলটিকে কিভাবে ব্যবহার করবেন। মনে রাখবেন— সুপক্ব ও সুমিষ্ট ফলই ব্যবহার্য, কাঁচা ফল খাবেন না। মধুমেহ (Diabetes mellitus) রোগে যাঁরা ভুগছেন, তাঁরা লোভের বশবর্তী হয়ে ভুলেও সপেটা খাবেন না।আরো পড়ুন

হৃৎফলা উপকারী চির হরিৎ বৃক্ষ

চির হরিৎ বৃক্ষ, সাধারণত ২০-৩০ ফুট উঁচু হতে দেখা যায় । উত্তর-পশ্চিম হিমালয়ের সিন্দুনদীর অববাহিকা অঞ্চলে, কোয়েটা থেকে রভি অববাহিকা পর্যন্ত স্থানে ৬-৯ হাজার ফুট উচ্চতায় জন্মে । আফগানিস্থানে এটি একটি প্রিয় গাছ। সেখানে বিভিন্ন স্তূপের কাছে এটিকে লাগানো হয়ে থাকে। তাছাড়া গাছটির সুন্দর পাতা, ফুল এবং খাওয়ার উপযুক্ত জন্য এটিকে চাষ করা হয়। ইউরোপে উৎপন্ন বন সাংলী অপেক্ষা চিনাব উপত্যাকায় উৎপন্ন বনসাংলী অধিক সুস্বাদু।আরো পড়ুন

কাওয়াটুটি বাংলাদেশের পাহাড়িঞ্চলে জন্মানো উপকারী বৃক্ষ

কাওয়াটুটি প্রায় ১২ মিটার উঁচু বৃক্ষ এবং প্রধান অক্ষ সুস্পষ্ট। পত্র প্রতিমুখ, বৃহৎ, একপক্ষল, সচূড় পক্ষল, পত্রক ৫-৭টি, বৃহৎ, প্রশস্ত, উপবৃত্তাকার। পুষ্পবিন্যাস বৃহৎ প্যানিকেল বা মিশ্র প্যানিকেল, শীর্ষ কোমল রোমশ। পুষ্প সম্পূর্ণ, উভলিঙ্গ, অধিগর্ভ, সামান্য এক প্রতিসম। বৃতি ৫ টি যুক্ত বৃত্যংশ নিয়ে গঠিত, মুক্তাবস্থায় ৩-৫ টি অসম খন্ডে বিভক্ত, প্রান্ত-আচ্ছাদী।আরো পড়ুন

পাকুড় বাংলাদেশে জন্মানো উপকারী বৃক্ষ

পাকুড় মাঝারি আকারের পত্রঝরা বৃক্ষ। এটি ১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু, উপশাখাসমূহ এবং তরুণ বিটপ মসৃণ, চুড়া অনিয়মিত আকারবিশিষ্ট। পাতা সরল, একান্তর, বৃন্তক, বৃন্ত ৪-১০ সেমি লম্বা, ফলক স্থুল ডিম্বাকার, ১০-১৫ x ৬-১০ সেমি, নিম্নপ্রান্ত খাতাগ্র বা প্রায় হৃৎপিণ্ডাকার, কিনারা অখন্ড, শীর্ষ তীক্ষ্ণগ্রবিশিষ্ট, উভয়পৃষ্ঠ মসৃণ। আরো পড়ুন

শ্বেত বট পাহাড়িঞ্চলে জন্মানো শোভাবর্ধক বৃক্ষ

শ্বেত বট বৃক্ষ, ২০ মিটার পর্যন্ত উঁচু, তরুন অবস্থায় পরাশ্রয়ী, বাকল ফ্যাকাশে ধূসরাভ, মসৃণ, শাখাসমূহ শুষ্ক অবস্থায় বাদামী থেকে হলুদাভ। পল্লব কোণীয়, মসৃণ অথবা কিছুটা রোমশ। পাতা সর্পিলাকারে সজ্জিত, অণুপর্ণী, উপপত্র ১-২ সেমি লম্বা, ভল্লাকার থেকে ডিম্বাকার-ভল্লাকার, আশুপাতী, ফলক বৃন্তক, বৃন্ত ১-২ সেমি লম্বা, আরো পড়ুন

error: Content is protected !!