ছাগলের বড়ি এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

ভূমিকা: ছাগলের বড়ি (বৈজ্ঞানিক নাম: Eurya acuminata) ইউরায়া গণের Pentaphylacaceae পরিবারের বৃক্ষ। এই প্রজাতিটি আবাদি নয়, পতিত জায়গায় অযত্নে জন্মে। অনেকে শখের বসে শোভাবর্ধনের জন্য লাগায়। তবে ভেষজ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ছাগলের বড়ি-এর বর্ণনা: গুল্ম অথবা ছোট বৃক্ষ, ১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কচি শাখা বিস্তৃত লোমসহ লোমশ। পত্র দ্বিসারী, ৩-১০ x ১-৩ সেমি, উপবৃত্তাকার-আয়তাকার হতে উপবৃত্তাকার-বল্লমাকার, … Read more

দইগোটা বা লটকন গাছের উপকারিতা

দইগোটা

চিরসবুজ ঝোপঝাড়যুক্ত ক্ষুপ জাতীয় বৃক্ষ। এটি অযত্নে বেড়ে ওঠে তেমনটা নয়। বাংলা, পশ্চিমবঙ্গ এবং ভারতের অন্যান্য প্রদেশে বাগানের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য যত্নসহকারে লাগানো হয়ে থাকে। এছাড়া দক্ষিণ ভারতের মহীশূর ও অন্যত্র রঙের জন্য ব্যবসায়িক ভিত্তিতে চাষ করা হয়।আরো পড়ুন

কুম্ভি গাছ-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

কুম্ভি গাছ (Careya arborea ) বাংলাদেশ, ভারতসহ এশিয়ার দেশগুলোতে এটি ভেষজ চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ভেষজ গুণ ছাড়াও এটি অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হয়। কাঠও নান কাজে ব্যবহৃত হয়। সর্দি, কাশি ছাড়াও বাহ্যিক রোগ সারাতে এটি ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

কুম্ভি এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

বৃহদাকৃতি গাছ, ৫০ থেকে ৬০ ফুট পর্যন্তও উঁচু হতে দেখা যায়। কাণ্ড বেশ মোটা হয়, ছাল পুরু ও ধূসর রঙের, ভেতরের দিকটা লালচে। কাঠের উপরিভাগ সাদাটে, অন্তঃকাষ্ঠ হালকা লাল। পাতা আকারে বড়, লম্বায় ১০ থেকে ১২ ইঞ্চি এবং চওড়ায় ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি, লম্বাকৃতি, বোঁটার দিক সরু, অগ্রভাগ ক্রমশঃ মোটা হতে হতে অল্প সরু, কিনারা কাটা কাটা।আরো পড়ুন

কাকজংঘা গাছের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

কাকজংঘা সমগ্র গাছ ক্ষয়নাশক এবং যক্ষ্মায় প্রতিষেধক হিসাবে কাজ করে। পাতা ও ছোট ছোট ডাল জীবাণুনাশক ও ক্ষতে পুলটিস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। গাছটির কাণ্ড ও কন্দ সংকোচক এবং পিচ্ছিল, স্নেহন ও সংগ্রাহক। গাছের আকৃতি ছোট। জলাসন্ন ভূমিতে অথাৎ নদী, ঝিল, পুকুর এবং জঙ্গলের ধারে, পতিত জমিতে গাছগুলি অযত্নে জন্মে থাকে।আরো পড়ুন

কুন্দরো গাছের ছয়টি ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

এর আঠা (Resin) বলকর, বায়ুনাশক ও কফনিঃসারক। মুখের নানা প্রকার রোগ, জীর্ণ ফুসফুস নলিকা প্রদাহ, অর্শ, অতিসার, বাত, ক্ষয়জ গ্রন্থি, ব্রণ প্রভৃতিতে ব্যবহার্য। মোম ও কোকম বাটারের সঙ্গে মিশিয়ে যে মলম প্রস্তুত হয়, তা দুষ্টব্রণে হিতকর। এটি পুলটিস ও মলম প্রস্তুতের কাজে লাগে। এছাড়া এই আঠা বার্ণিশের জন্য ব্যবহৃত হয়।আরো পড়ুন

সাদা শিমুল গাছের নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ

সাদা শিমুল (Ceiba pentandra) ভারতের উষ্ণ-প্রধান অঞ্চলে বেশি জন্মে। বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে জন্মে। বীজ অথবা কাটিং থেকে গাছ তৈরী হয় । ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ— পাতা, ছাল, ফুল, ফল, শিকড় বা কচি গাছের ও আঠা।আরো পড়ুন

কুসুম এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

কুসুম বড় ধরনের ঝাকড়া গাছ। গাছ বেশ মোটা হয়, ছালের বাইরের বর্ণ ধূসর বাদামী, ভেতরের দিকটা রক্তাভ। কাঠ খুবই শক্ত। ঘরবাড়ির সাজ-সরঞ্জাম, আসবাবপত্র তৈরীর কাজে লাগে। পাতার ডাঁটা প্রায় ফুটখানিক লম্বা। ঐ ডাঁটার দুধারে ২- ৪ জোড়া পাতা বা পত্রিকা থাকে, সেগুলি ৮/১০ ইঞ্চি পর্যন্ত লম্বা হলেও নিচের দিকের পাতা আকারে ছোট। বসন্তের প্রারম্ভে গাছে নতুন পাতা গজায়।আরো পড়ুন

আচ বা ননী এশিয়ায় জন্মানো ভেষজ বৃক্ষ

মাঝারি ধরনের গাছ। কাণ্ড প্রায় সোজা। পাতা চওড়া ও ডিম্বাকৃতি, লম্বা ৫-৮ ইঞ্চি এবং চওড়ায় ৩-৪ ইঞ্চি, মুলা, বোঁটার দিকে সরু। পত্র উজ্জ্বল সবুজ, রোমহীন শাখা-প্রশাখা। প্রায় চতুষ্কোণ-বিশিষ্ট। ফুল সাদা, ইঞ্চিখানিক লম্বা, ৫টি পাপড়িবিশিষ্ট, অতিশয় সুগন্ধযুক্ত, দেখতেও সুন্দর। আরো পড়ুন

ননী বা আচফুল-এর নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণের বিবরণ

ননী বা আচফুল-এর (Morinda citrifolia) লোকপ্রচলিত যেসব ভেষজ প্রয়োগ গা-গ্রামে এখনও ব্যবহৃত হয়ে আসছে, সেগুলির গুণাগুণ বিচার নতুন করে করা প্রয়োজন। ঔষধ হিসাবে এর শিকড়, পাতা ও ফল ব্যবহৃত হয়। যে গুণাগুণগুলো সংগৃহীত হয়েছে তার কয়েকটি এখানে দেওয়া হলো।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!