সোনাতোলা বা রাঙ্গাজাত পাহাড়িঞ্চলে জন্মানো ভেষজ উদ্ভিদ

সোনাতোলা (বৈজ্ঞানিক নাম: Diploclisia glaucescens) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মে। ভারত, শ্রীলংকা, মায়ানমার, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া (সুমাত্রা এবং জাভা) এবং ফিলিপাইন। বাংলাদেশে ইহা বৃহত্তর চট্টগ্রাম ও পাবর্ত্য চট্টগ্রাম জেলায় পাওয়া যায়।আরো পড়ুন

পঞ্চপত্র দক্ষিণ এশিয়ায় জন্মানো শোভাবর্ধক ভেষজ প্রজাতি

পঞ্চপত্র (বৈজ্ঞানিক নাম: Doryopteris ludens) এক প্রকারের ভেষজ উদ্ভিদ। দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পাওয়া গেলেও বাংলাদেশে সর্বত্রে জন্মে। উত্তর ভারত, মায়ানমার, দক্ষিণ চীন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, এবং ফিলিপাইন (Smitinand and Larsen, 1989)। বাংলাদেশে, চট্টগ্রাম এবং ঢাকা জেলা থেকে এই প্রজাতি নথিভূক্ত হয়েছে।আরো পড়ুন

কালিলতা বা পান লতা পার্বত্য অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ লতা

পাহাড়ী বন, ম্যানগ্রোভ বন এবং কর্দমাক্ত সমুদ্র তীরবর্তী এলাকা। ফুল ও ফল ধারণ সময়কাল মার্চ-জুন। বীজ থেকে নতুন চারা জন্মে। মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা, চীন, উত্তর অস্ট্রেলিয়া এবং মাদাগাস্কার। বাংলাদেশে ইহা সুন্দরবন এবং চট্টগ্রামে বিস্তৃত।আরো পড়ুন

পাতাহীন ডেনড্রোবিয়াম বা ফাসিয়া মাছ অর্কিড জাতীয় প্রজাতি

পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা আদিবাসীরা বিকৃত মাথা বিশিষ্ট সদ্যজাত শিশুর চিকিৎসায় এই প্রজাতির পাতা ব্যবহার করে থাকে। প্রথমে তারা সঠিত ভাবে পাতার পেষ্ট তৈরি করে এবং তারপর মাথার অস্বাভাবিক বা বিকৃত অংশে ঐ পেষ্ট ব্যবহার করে। এই চিকিৎসা দীর্ঘদিন ধরে চালাতে হয় (Huda, 2000).আরো পড়ুন

দাদবারি পার্বত্য অঞ্চলে জন্মানো ভেষজ লতা

কাষ্ঠল আরোহী বা খাড়া গুল্ম, শাখাপ্রশাখা রোমহীন বা প্রথমে ধূসর-রোমশ। পত্রক অক্ষ ১২-১৫ সেমি লম্বা, পত্রক মধ্যম আকৃতির দৃঢ়, স্থূলাগ্র, রোমহীন বা প্রথমে নিম্নভাগে আংশিক রোমশ, উপরে সবুজ, নিম্নে প্রায় চকচকে।আরো পড়ুন

দুরালভা লতা-র নানাবিধ উপকারিতা ও প্রযোগ

এটিকে সংস্কৃতে দুর্লভা, দুরালভা, সমুদ্রান্ত, গিরিকর্ণিকা যবাস; বাংলায় দুরালভা, হিন্দীতে যবসা, যবাসা বলে। বর্তমানে এর বোটানিক্যাল নাম Alhagi pseudalhagi (Bieb.) Desv., পূর্বে নাম ছিল Alhagi camelorum ও Alhagi maurorum., পরিবার Leguminosae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ—সমগ্র গাছ ও ফুল।আরো পড়ুন

কাঁকরোল লতা-র বিভিন্ন ঔষধি গুণাগুণ

বর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ। পাতা অনেকটা গোলাকার, দুইদিক খসখসে, কিনারা খাঁজকাটা। লতা দেখতে অনেকটা পটোলের লতার মত, লতার গায়ে ৪। ৫টি শির ও গাঁট আকর্ষযুক্ত। গাঁট থেকে নতুন কাণ্ড ও ফুল বের হয়। আরো পড়ুন

শসা-র নানাবিধ ভেষজ গুণাগুণ ও উপকারিতা

শসা-এর বৈজ্ঞানিক নাম: Cucumis sativus. Fuifacit cucurbitaceae. ঔষধার্থে ব্যবহার্য অংশ— ফল, বীজ ও পত্র। এটি রসবহ ও মেদোবহ স্রোতে কাজ করে।আরো পড়ুন

দুধকলমি লতার দশটি ভেষজ উপকারিতা ও প্রয়োগ

ভূমি-প্রসারণী লতা, লতার কাণ্ডটি তিনটি শিরাবিশিষ্ট, তবে তার কোন কোন জায়গা গোলও দেখা যায়। এটি পশ্চিম বাংলার সর্বত্র জঙ্গলের ধারে অথবা পোড়া জায়গায় অথবা নদীর ধারে জন্মে। এছাড়া ভারতের সর্বত্র, এমন-কি তিন হাজার ফুট উচু পর্যন্ত স্থানেও এটি অযত্নসম্ভূত হয়েই জন্ম নেয়। লতা কাটলে বা ভাঙ্গলে দুধের মত বর্ণ-বিশিষ্ট চটচটে আঠা বেরোয়।আরো পড়ুন

ঝিঙ্গা বা ঝিংগা-র লতা, মূল, ফলের নানা ভেষজ গুণ

ফলের রস স্বাদে মধুর, শীতগুণ সম্পন্ন, পিত্ত প্রশমক, ক্রিমিনাশক, ক্ষধাবর্ধক ও বেদনানাশক। ঔষধ হিসাবে পাতা ব্যবহৃত হয় যা ক্ষুধাবর্ধক, পিত্ত প্রশমক, মূত্রকারক, প্লীহারোগে, রক্তস্রাবে ও কুষ্ঠ রোগে হিতকর। পাতার রস শিশুদের চোখে দিলে চোখের যন্ত্রণার উপশম হয়। ফল ক্রিমির উপদ্রবে হিতকর। পিত্তপ্রশমক, হাঁপানি ও কাসিতে ব্যবহৃত হয়। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!