রাতের শেষ প্রহরের যোদ্ধা

(কমরেড এম. এ. মতিনকে) ছোট্ট মানুষটি বহুদিন আগে থেকে অতি ধীরে ধীরে/ নীলাকাশ ছাড়িয়ে উঠে গেছেন মহাশূন্যে/ ঘুরে ঘুরে দেখছেন কালোমেঘ ঝড় আর কৃষকের সুখভোগ,/ লাখো লাখো শিশুদের ভিড়ে/ বলবান দশ হাতের আঙুলে আঙুল গুনে বুঝে নেন/ মমতা মানুষ আর ফসলের ঘ্রাণ। পোড়ামাটি নীতির কখনো মৃত্যু হয় না জেনে/ রোগাটে শরীর নিয়ে যুদ্ধের ময়দানে/ নির্ভীক এক অদম্য সমরনায়ক, আরো পড়ুন

আলোকের দিন শুরু হলে মুক্তিকামী মানুষের মুক্তির গল্প লেখা হবে

দাস সমাজ

ঘুম থেকে জেগে একটি পাথরে হাত দিলে তৎক্ষণাৎ পাথর হয়ে যায় একটি ছুরির ফলা, শুরু হলো শিকার যুগের। শিকারি পশুর ছানা জন্ম হলে জন্ম হয় কৃষিজ ভূমি, নতুন ফসল ফলে নারীর আহ্বানে। পাথরের যুগ শেষ হলে গোত্রপিতার কলহে শুরু হয় নায়কী শোষণ, কোথায় হারিয়ে গেলো আমাদের মুক্ত হাতগুলো। আরো পড়ুন

জরুরি নির্দেশ

যুদ্ধ

জরুরি খবর আমরা রাত এগারটার আগেই জানলাম, এসেছে শক্তিধরের পুরোনো হুকুম, হাঁটবে না রাস্তায়, হাঁটা নিষেধ; তোমার প্রিয় পথটি জলপাই রঙের দখলে, তোমার প্রিয় হাতব্যাগটি ছিনিয়ে নিলো জলপাই রঙের ট্রাক, তোমার প্রিয় মাঠে এখন অস্ত্রধারি খেলোয়াড়েরা খেলা করে, প্রিয় লোকাল বাসটি ঠিক সময়ে ছাড়ে না, রাতের ট্রেনে আর কোনোদিন তোমাকে নিয়ে শহরে ফিরব না; আরো পড়ুন

মানুষ মানুষ আর মানুষ অথবা আধুনিক মানুষের ধারাবাহিক গল্প

ছোটো শহরের এক কোণে বাড়ি, ঝকঝকে শহরের ঘরে বিজলি আলো, শহরতলীর এক প্রান্তে মাঠে শিশুরা ফুটবল খেলছে, মাঠের পূব পাশে উদোম গায়ে এক লোক, তখন ওরকম দু’একজন গভীর মনোযোগী লোক পাওয়া যেত, বাচাল নেতাদের মতো কখনো বর্ণনা করে, কখনো বক্তৃতার ঢংয়ে বলে যাচ্ছে ধারাবাহিক গল্প গাথাগুলো, সময়টা ছিলো ২০০৫ সালের শীতকাল, আরো পড়ুন

error: Content is protected !!