ইলিশ বাংলাদেশের জনপ্রিয় ও জাতীয় মাছ

দেহ দৃঢ়ভাবে চাপা। পৃষ্ঠ এবং অংকীয় দেশ সমান উওল। উর্ধ্বচোয়াল মাঝখানে স্পৃষ্ট খাঁজযুক্ত, মুখ দৃঢ়ভাবে এ বন্ধ থাকা অবস্থায় নিম্নচোয়াল ভিতরে ঢুকে যায়। ম্যাক্সিলা চোখের মধ্য পশ্চাতের নিচ পর্যন্ত প্রসারিত। আরো পড়ুন

কাতলা দক্ষিণ এশিয়ার বিপদমুক্ত স্বাদুপানির মাছ

কাতলা-এর বর্ণনা: কাতলা মাছের দেহ খাটো এবং চাপা কিন্তু মাথা প্রশস্ত। মুখ প্রশস্ত । উপরের ঠোঁট পাতলা এবং তুন্ডের ন্যায় ত্বক দ্বারা আবৃত থাকে। নিচের ঠোঁট মধ্যম পুরু প্রশস্ত, পশ্চাৎ ওষ্ঠীয় খাজ নিরবচ্ছিন্ন। ঠোঁটের অভ্যন্তরে কোন তরুনাস্থি থাকে না। এদের স্পর্শী অনুপস্থিত। পৃষ্ঠদেশ অংকীয় দেশ অপেক্ষা অধিক উত্তল। ফুলকা বন্ধ বৃত্তাকার, পৃষ্ঠীয় পাখনার গোড়ায় দেহ … Read more

শোল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিপদমুক্ত জনপ্রিয় স্বাদুপানির মাছ

দেহ সম্মুখে প্রায় চোঙাকৃতির এবং পশ্চাতে কিছুটা চাপা। সম্মুখ নাসারন্ধ নালীর ন্যায় প্রসেসে পরিণত হয়। প্রাক-পায়ু অনুপস্থিত। মাথায় অনেক গর্ত থাকে। মাথা প্লেটের ন্যায় বড় বড় আঁইশ দ্বারা আবৃত। আরো পড়ুন

কাঞ্চন পুঁটি দক্ষিণ এশিয়ার জনপ্রিয় স্বাদুপানির মাছ

এই প্রজাতির মাছের দেহ Puntius গণের অন্যান্য প্রজাতির তুলনায় গভীর এবং চ্যাপ্টা। মুখ প্রান্তীয় , উর্ধ্বচোয়াল কিছুটা দীর্ঘতর। ঘাড়ের উপরের অংশ সামান্য অবতল। স্পর্শী অনুপস্থিত। আরো পড়ুন

তিত পুঁটি দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষুদ্রাকৃতির বর্ণময় স্বাদুপানির মাছ

তিত পুঁটি দেহ আয়তকার, মুখ ছোট ও প্রান্তীয় অবস্থানে থাকে। দেহের গভীরতা নিদিষ্ট দৈর্ঘ্যের এক তৃতীয়াংশের সমান। স্পর্শী অনুপস্থিত। পৃষ্ঠপাখনা শ্রোণীপাখনার গোড়া অপেক্ষা সামান্য পিছন থেকে শুরু হয় আরো পড়ুন

টেরি পুঁটি শান্ত প্রকৃতির অ্যাকুরিয়াম জনপ্রিয় মাছ

বাংলাদেশে অভ্যন্তরীন জলাশয়ের প্রায় সর্বত্রই এই প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়, তবে মে থেকে অক্টোবর মাসেই সর্বাধিক পরিমাণে ধরা পড়ে। পাকিস্তান এবং ভারতে এই মাছের বিস্তৃতি থাকে। আরো পড়ুন

বাংলাদেশের বিলুপ্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর তালিকা

বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিয়ত অনেক প্রাণি বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। দেশের ভেতরে দশ বছর আগেও যেসব প্রাণী দেখা যেত তা আর এখন দেখা যায় না। যেসব প্রাণি মাঝে মাঝে দেখা যায় সেগুলোর অনেকগুলোই পার্শবর্তী দেশ থেকে পথ ভুলে বাংলাদেশে আসে এবং এদেশের মানুষের হাতে মারা পড়ে। ফলে সেসব প্রাণি যে বাংলাদেশে আছে তা নিশ্চিত করে বলা যায় … Read more

জাভাদেশীয় গণ্ডার বাংলাদেশের বিলুপ্ত স্তন্যপায়ি

জাভাদেশীয় গণ্ডার-এর বর্ণনা: বাংলাদেশের স্তন্যপায়ীদের মধ্যে গণ্ডার ছিলো তিন প্রজাতির। এদের মধ্যে আমাদের আলোচ্য গণ্ডারের নাম জাভা গণ্ডার। মাথাসহ জাভা গণ্ডারের দৈর্ঘ্য ২ থেকে ৪ মিটার (৬.৫ থেকে১৩ ফুট) এবং এটি ১.৪-১.৭ মিটার (৪.৬-৫.৬ ফুট) উচ্চতায় পৌঁছতে পারে। ওজন ৯০০ থেকে ২৩০০ কেজি হয়। হালকা ধুসর বর্ণের শরীর হয় এবং নাকের সামনে থাকা শিংটির দৈর্ঘ্য … Read more

জাত পুঁটি দক্ষিণ এশিয়ার জনপ্রিয় সুস্বাদু মাছ

এদের দেহ মধ্যম ও চাপা, পৃষ্ঠদেশ উদীয় অংশের তুলনায় অধিক উত্তল। মাথা ছোট যা আদর্শ দৈর্ঘ্যের এক-চতুর্থাংশের সমান। মুখ ছোট আকৃতির ও প্রান্তীয়। উপরের চোয়াল কিছুটা দীর্ঘতর। কোনো স্পর্শী থাকে না। আরো পড়ুন

সুমাত্রার গণ্ডার পৃথিবীর মহাবিপন্ন গণ্ডার

সুমাত্রার গণ্ডার পৃথিবীর মহাবিপন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণী। এদের বৈজ্ঞানিক নাম (Dicerorhinus sumatrensis) এবং সাধারণ নাম হচ্ছে Sumatran rhinoceros. পৃথিবীতে যে তিন প্রজাতির গণ্ডার পাওয়া যায় তার ভেতর এটি সবচেয়ে ছোট এবং এটির বিলুপ্তির ঝুঁকিও সবচেয়ে বেশি। এই প্রজাতির গণ্ডার এখন শুধু ইন্দোনেশিয়াতে পাওয়া যায়। যদিও অতীতে এরা ভুটানের হিমালয় অঞ্চল, উত্তর-পূর্ব ভারত, চীনের উত্তরাঞ্চল, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, … Read more

error: Content is protected !!