বন শুলফা উপকারী গুল্ম

পশ্চিমবঙ্গ তথা ভারত, বাংলাদেশের নানা স্থানে আগাছা হিসেবে সাধারণতঃ চাষের জমিতে জন্মে। আবার সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৯০০০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত স্থান সমুহের রাস্তার ধারেও এটিকে হতে দেখা যায়। বর্ষজীবী গুল্ম। লম্বায় ১ ফুটের মতো। পাতা ঝিরঝিরে সরু, পুষ্পদণ্ডে একসঙ্গে ১৫–২৫টি ফুল থাকে এবং পর পর ফোটে, দেখতে গোলাপী আভাযুক্ত সাদা, ফুলের অগ্রভাগ হালকা বেগুনে। সাধারণতঃ শীতকালে … Read more

ছায়া গুল্ম-এর নানা গুণাগুণের বিবরণ

ছায়া মাটিতে সামান্য গড়িয়ে পড়ে বা শক্ত খাড়া কাণ্ডযুক্ত, অত্যন্ত রোমশ গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এটি সাধারণতঃ বর্ষজীবী, তবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে গাছ মরে যাবার পর মূলটা তাজা থাকতে থাকতে জল পেলে তা থেকেই গাছ বেরোয়। বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট এক থেকে দেড় ফুট লম্বা এই উদ্ভিদটি যখন ফুলে ভরে ওঠে, তখন সত্যিই অপূর্ব লাগে। ছোট বোঁটাযুক্ত প্রায় … Read more

মায়াফল গাছ-এর তেরটি ভেষজ গুণাগুণ

মায়াফল-গুলি ( Quercus infcctoria) ছিদ্রহীন হলেই ভাল, তা না পাওয়া গেলে ছিদ্রযুক্তগুলি নিতেই হবে । আবার মিশ্রিতও নেওয়া চলে। ওগুলিকে ভালভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে গুঁড়ো করার পর ছেঁকে নিয়ে দুইভাগে ভাগ করতে পারলে ভাল হয়। যেমন–মিহিচূর্ণকে একটি শুষ্ক পাত্রে রাখতে হবে এবং ছাঁকার পর মোটা সিটে অংশগুলিকে ফেলে না দিয়ে সেগুলিকেও সংরক্ষণ করা উচিত, কারণ … Read more

মায়াফল বৃক্ষ এশিয়ায় জন্মানো উপকারী প্রজাতি

মায়াফল বৃক্ষ দেখতে ঝোপালো ও ছোট। সাধারণত ১০ থেকে ১ ফুট উঁচু হয়। কাণ্ডের ছাল ধূসর। পাতা ৪-৬ সে.মি. লম্বা, শক্ত। পাতার নিচের দিকটা সামান্য রোম আছে, কিনারা অসমান কাটা কাটা। ফুল একলিঙ্গ বিশিষ্ট। ফল গোলাকা অথবা সিলিণ্ডার আকৃতির, হালকা হলুদ রঙের। Adleria gallae tinctoriae নামক এক প্রকার পতঙ্গের স্ত্রী পতঙ্গগুলি Quercus infcctoria গাছের কচি … Read more

বন চালতা গাছের ভেষজ গুণাগুণ

এশিয়া মহাদেশের উষ্ণ ও নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল সমূহে এই গণের (genus) গাছগুলি জন্মে, তন্মধ্যে গোটা কুড়ি গাছ ভারতে পাওয়া যায়। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম, মেঘালয়, সিকিম, দাক্ষিণাত্যের কোথাও কোথাও এই গাছটি অযত্নসম্ভূত হয়েই জন্মে। যদিও চালতা গাছের পাতা একক পত্র আর বন চালতার পাতা যৌগিক পত্র, তথাপি উপপত্রগুলির এক-একটি দেখতে অনেকটা চালতা পাতারই মতো। তার উপর … Read more

সিনামোমান গণের প্রজাতিগুলোর বৈশিষ্ট্য

Litsea গণের দু’টি প্রজাতি আমাদের কাছে অতি পরিচিত। সে দু’টি হলো—(১) Litsea glutinosa (Lour.) Robinson, (২) Litsea monopetala (Roxb.) Pers. এবং এ দু’টি গাছের বাংলা নাম যথাক্রমে কুকুর চিতা ও বড় কুকুর চিতা। উভয় গাছের ছালই মেদা লকড়ী নামে বাজারে পাওয়া গেলেও প্রথমটির ছালকেই সাধারণতঃ মেদা পকড়ী বলা হয়। এ ছালটি বড়ই পিচ্ছিল এবং নালুকার … Read more

নলিকা-এর নানাবিধ ভেষজ প্রয়োগ

বাজারে প্রাপ্ত মোটা আকারের সুগন্ধযুক্ত গোলাকৃতি বা নলিকাকৃতি নালুকা বা তেজপাতা (প্রজাতি) ঔষধার্থে ব্যবহার করতে পারলে উপকার অধিক হয়। যদিও এটাকে মসলা হিসাবে খাওয়া যায়। নলিকা-এর ভেষজ ব্যবহার ১. আগন্তুক শোথ: হঠাৎ সামান্য ধাক্কা লেগে ফুলে গেছে, যন্ত্রণা হচ্ছে, এক্ষেত্রে নালুকা জলে বেঁটে সামান্য গরম করে ঈষদুষ্ণ অবস্থায় ফোলার উপর লাগিয়ে দিন। ঘণ্টা দুই রাখার … Read more

বিহিদানা-এর সাতটি ভেষজ প্রয়োগ পদ্ধতি

বিহিদানা গাছটির বোটানিক্যাল নাম Cydonia oblonga Mill, পূর্বে এটির নাম ছিল c. vulgaris Pers. এবং Pyrus cydonia Linn., ফ্যামিলী Rosaceae. ভারতের অধিকাংশ স্থানে বিহিদানা নামেই পরিচিত। আরবে সফরজল নামেই প্রসিদ্ধ। বিহিদানা-এর ভেষজ ব্যবহার ১. অগ্নিমান্দ্য, অরুচি ও কোষ্ঠবদ্ধতায়: সাধারণতঃ প্রথম দু’টি অথবা তিনটি সমস্যা একত্রে আসে, পৃথক পৃথক ভাবে আসে কমই; এগুলি যে ভাবেই আসুক … Read more

বিহিদানা গাছ দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় জন্মে

বিহিদানা গাছ ককেশাস অঞ্চলের উষ্ণ-নাতিশীতোষ্ণ দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার আদি নিবাস। এটি একটি ছোট, পর্ণমোচী, ক্রমবর্ধমান গাছ।  কাশ্মীরে সাধারণত চাষ করা হয়। রোস্টিং, বেকিং বা স্টু হিসাবে খাওয়ার পরে সবচেয়ে ভাল। এছাড়াও জ্যাম, জেলি বা পুডিং হিসাবে ব্যবহৃত হয়। বিহিদানা গাছ-এর পরিচয় বিহিদানা মাঝারি ধরনের ও বহু শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট সবুজ পত্রাচ্ছাদিত এবং ফলবান বৃক্ষ। এর কচি ডালপালা … Read more

কুকুরচিতা বা মেন্দা সুগন্ধি ও ভেষজ বৃক্ষ

ভারতের প্রায় সর্বত্র, বিশেষতঃ উষ্ণপ্রধান অঞ্চলে মেদা লকড়ীর গাছ জন্মে। চির সবুজ পত্রাচ্ছাদিত গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ, সাধারণতঃ ২০। ২৫ ফুটের মতো উঁচু হয়, তবে কোনো কোনো স্থানের গাছ আরো লম্বা হতে দেখা যায়। পশ্চিম বাংলার কোথাও কোথাও ঝোপঝাড়যুক্ত বেশ লম্বা, আবার কোথাও-বা ছোট আকারের গাছ পরিলক্ষিত হয়। পাতার কোনটি লম্বাটে, কোনটি ডিম্বাকৃতি, ডালের দু’পাশে একটির … Read more

error: Content is protected !!