ডেউয়া গাছ-এর পাঁচটি ভেষজ গুণাগুণ ও বিবিধ ব্যবহার

বৃহৎ পাতাঝরা বৃক্ষ ২০ মিটারের মতো উঁচু হতে পারে। ডেউয়া গাছ-এর গুড়ি বড়, সোজা এবং মাথার দিকে পল্লব ছড়ানো। বাকল ধূসর, খসখসে। ছোট ছোট গোলাকৃতি টুকরা ছাল ওঠে, যার ভিতর দিক লালচে। সমগ্র গাছেই শ্বেতকষ আছে।আরো পড়ুন

আগর পাহাড়ি অঞ্চলের চিরসবুজ ঔষধি বৃক্ষ

আগর

আগর (বৈজ্ঞানিক নাম: Aquilaria agallocha, ইংরেজি নাম: Agar) হচ্ছে থাইমেলাসিয়াস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত চিরসবুজ প্রজাতি। এই গাছ পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মে ও নানা ভেষজ গুণে ভরা। বৃহৎ চিরসবুজ বৃক্ষ। উচ্চতায় ৩০ মিটার পর্যন্ত লম্বা ও খাড়া। গুড়িবিশিষ্ট, বাকল সাদাভ, কচি অংশ রেশমের ন্যায়, লোমযুক্ত।আরো পড়ুন

আগর বা অগুরু গাছের ভেষজ গুণাগুণ ও বিবিধ ব্যবহার

আগর

অগুরু উষ্ণবীর্য, কুটরস, তিক্ত, ত্বকের উপকারী, তীক্ষ্ণ, পিত্তবর্ধক, লঘু, কর্ণ এবং চোখের রোগনাশক, শীতনিবারক এবং কফ বাতনাশক। চরক সংহিতার চিকিৎসাস্থানের ২১ অধ্যায়ে উল্লেখ রয়েছে হিক্কা রোগীকে মধুর সঙ্গে কৃষ্ণ আগর (কৃষ্ণাগুরু) চূর্ণ সেবন করানোর বিধান।আরো পড়ুন

রয়না বা পিতরাজ দক্ষিণ এশিয়ার চিরহরিৎ ঔষধি বৃক্ষ

পিতরাজ-বা-রয়না

রয়না বা পিতরাজ মাঝারি আকারের চিরহরিৎ বৃক্ষ, ২০ মিটার পর্যন্ত উচু, ঘন, ছড়ানো এবং ছাতার আকৃতির চুড়াবিশিষ্ট, বাকল লালচে-বাদামী, মধুময় গ্রন্থি সম্বলিত, ভেতরের বাকল লালচে, প্রায়শ:ই দুগ্ধবৎ তরুক্ষীরবিশিষ্ট। পল্লব বায়ুরন্ধবিশিষ্ট, প্রায় মসৃণ থেকে হলুদ বর্ণের সূক্ষ্ম রোম সম্বলিত।আরো পড়ুন

পিতরাজ বা রয়না-র কয়েকটি ভেষজ গুণ ও ব্যবহার

পিতরাজ-বা-রয়না

বাংলাদেশ জাতীয় আয়ুর্বেদিক ফমুলারি ১৯৯২-তে দুটি ওষুধে রোহিতক ব্যবহারের উল্লেখ রয়েছে রোহিতকারিষ্ট-তে রয়নার ছাল ব্যবহার করা হয় এবং ওষুধটি প্লীহা, যকৃৎ, উদর, অষ্ঠিলা, গ্রহণী, কামলা, শোথ ও অরুচি প্রশমক বলে উল্লেখিত। আরো পড়ুন

সোয়া বা সালফা হচ্ছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার ঔষধি বিরুৎ

সোয়া বা শুলফা

বসত বাড়ীর বাগানতে চাষ করা হয়। শীতকালে রবিশস্যের সাথে আগাছা হিসাবে জন্মায়। তবে ভারতের উষ্ণ ও নাতিশীতোষ্ণ এলাকায় এর ব্যাপক চাষ করা হয়। আশ্বিন-কার্তিক মাসে বীজ বপন করে ফাল্গুন-চৈত্রে পাকা ফল সংগ্রহ করা হয়।

সোয়া বা শুলফা বিরুৎ-এর ভেষজ গুণাগুণ ও ব্যবহারবিধি

সোয়া বা শুলফা

সোয়া বা শুলফা বিরুৎটি বর্ষজীবী। অরোমশ, সুগন্ধি ওষুধি প্রজাতিটি উচ্চতায় ১ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। শীতকালে রবিশস্যের সাথে আগাছা হিসাবে জন্মায়। তবে ভারতের উষ্ণ ও নাতিশীতোষ্ণ এলাকায় এর ব্যাপক চাষ করা হয়। আরো পড়ুন

শাচী বা কাঞ্চি শাক গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অঞ্চলের ভেষজ বিরুৎ

শাচী-শাক

ভেজা ধানী জমি, জলাভুমি, চা চাষের জমি এবং ডোবা থেকে শুষ্ক রাস্তার পাশের বাঁধ, উদ্যান বা বিক্ষিপ্ত ভূমি, নিম্নভূমি ইত্যাদি স্থানে জন্মে থাকে। এই শাকের কোন যত্নের প্রয়োজন নেই। এটা চাষাবাদের কোন শাক না। মাটি পেলেই অনায়াসে জন্মায় ও বেড়ে ওঠে।আরো পড়ুন

পাথরকুচি গাছের বহুবিধ ভেষজ ব্যবহার, গুণাগুণ ও উপকারিতা

পাথরকুচি গাছ

পাথরকুচি বা ( বৈজ্ঞানিক নাম: Bryophyllum pinnatum) হচ্ছে ক্রাসুলাসি পরিবারের ব্রায়োফাইলাম গণের একটি ঋজু, বহুবর্ষজীবী রসালো বিরুত। পাথরকুচি ছাড়াও এটি বিভিন্ন নামে পরিচিত; যেমন – পাষানভেদী, শিলাভেদ, অশ্মঘ্ন, কোপ্পাতা, শ্বেতা, গাত্রচুরি, কফপাতা ইত্যাদি। আরো পড়ুন

শাচী শাক-এর পাঁচটি ভেষজ গুণ ও ব্যবহারবিধি

শাচী-শাক

এই শাক আগাছার মতো হলেও; এটি শাক হিসাবে যেমন খাওয়া যায় তেমনি ঔষধ হিসাবেও ব্যবহৃত হয়। প্রয়োগের সঠিক নিয়ম জানা থাকলে আমরা বাড়িতে বসেই কিছু রোগের প্রাথমিক চিকিৎসা করতে পারব।আরো পড়ুন

error: Content is protected !!