সুন্দরবন অঞ্চলের নদী, খাল, গাং ও অন্যান্য প্রবাহমালা হচ্ছে প্রায় দুই শতাধিক

গঙ্গা আর ব্রহ্মপুত্র নদী বিধৌত সমভূমির গড়ে উঠার সাথেই জড়িয়ে আছে সুন্দরবনের উৎপত্তির কাহিনী। প্রাচীনকালে গঙ্গা নদীর মূল প্রবাহ সমুদ্রে পড়ত বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের ভাগীরথী নদী দিয়ে। যদিও সে সময়ও গঙ্গার শাখানদী পদ্মা দিয়ে মাঝারি ধারার একটি প্রবাহ মেঘনা নদীর সঙ্গমে বঙ্গোপসাগরে পড়ত। তবে পদ্মার সঙ্গে যোগ হয়েছিল ব্রহ্মপুত্রের।আরো পড়ুন

মাতলা নদী সুন্দরবন ও পশ্চিমবঙ্গের একটি নদী

পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ম্যানগ্রোভ বাংলাদেশের সুন্দরবনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য এর নদী, যা জালের মতো ঘিরে রেখেছে এই অরণ্যভূমিকে।[১] সুন্দরবন অঞ্চলের খাল গাং ও নদীমালা আছে প্রায় ১৭৭টি। আরো পড়ুন

বাদাবন বা প্যারাবন বা ম্যানগ্রোভ বন গ্রীষ্মমন্ডলীয় এবং উপ-ক্রান্তীয় বনাঞ্চল

প্যারাবন বা বাদাবন মূলত বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণাংশের বনাঞ্চলকে বলা হয়। এটি দক্ষিণ পশ্চিম অংশে সমুদ্রের কোল ঘেঁসে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটার বিস্তৃত। স্থানীয়রা একে বাদাবন বা বাদা বলে। এই অঞ্চল ঝড়ঝঞ্ঝা আর জলোচ্ছ্বাসকে প্রতিরোধ করে। এই অঞ্চলের গাছগুলো একটানা আরো পড়ুন

নাগর নদ এখন মরা খালের মতো প্রবাহিত হয়

নাগর নদ বা নাগর লোয়ার নদী বাংলাদেশের বগুড়া ও নাটোর জেলার একটি নদী। এটি আত্রাই উপজেলা এবং সিংড়া উপজেলার সীমানা চিহ্নিত করে প্রবাহিত হয়েছে। বগুড়া ও নাটোর জেলা মিলিয়ে এই নদীর দৈর্ঘ্য ৬৫ কিলোমিটার।আরো পড়ুন

বাঙলার নদীরা কেন মরে যায়?

আমাদের নদীগুলোর নাম খুব সুন্দর। জনগণের সৃজনশীলতা ও তাদের শক্তি বুঝতে গেলে এই নদীগুলোর নাম স্মরণ করা যেতে পারে। একটু অপরিচিত কয়েকটি নদীর নামগুলোর দিকে চোখ ফেরালে পাই সন্ধ্যা, সুগন্ধা, জয়ন্তী, দড়াটানা, ফটকি, দুধকুমার, শুক, পায়রা, চন্দনা, কমলা, পারুল, পাগলী, ময়ূরাক্ষী, জলাঙ্গী, কালিন্দীর ন্যায় কয়েকশত কাব্যিক নাম।আরো পড়ুন

হাকালুকি হাওর হচ্ছে এশিয়ার বৃহত্তম হাওর যেটি ক্রমাগত হয়ে পড়ছে সংকটাপন্ন

হাওর

হাকালুকি বা হাকালুকি হাওর বা হাকালুকি হাওড় (ইংরেজি: Hakaluki Haor) হচ্ছে এশিয়ার বৃহত্তম হাওর যেটি ক্রমাগত হয়ে পড়ছে সংকটাপন্ন। এই হাওর হাকালুকি গত এক দশক ধরেই অরক্ষিত। নানা কারণেই হুমকির মুখে হাওরের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র এবং সরকার ঘোষিত মৎস্য অভয়াশ্রম। মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা এবং সিলেট জেলার ফেঞ্চুগঞ্জ ও গোপালগঞ্জ উপজেলাজুড়ে আরো পড়ুন

বাংলাদেশের পাউবো নির্ধারিত ৪০৫টি নদনদীর নামের তালিকা

দক্ষিণ এশিয়ার অন্তর্গত বাংলাদেশ একটি ছোট নদীবহুল নদীমাতৃক দেশ। শাখা-প্রশাখাসহ প্রায় ১২০০-এর অধিক নদনদী আছে বাংলাদেশে। এসব নদনদীর সবগুলো সম্পর্কে যথেষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা পাউবো বাংলাদেশের নদনদীগুলো সম্পর্কে কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং নদীগুলোর নামকরণকে নিজেদের মতো করে সাজিয়েছে। আরো পড়ুন

পিয়াইন নদী বাংলাদেশ ও মেঘালয়ের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

পিয়াইন নদী বা পিয়াইন গাং (ইংরেজি: Piyain River) বাংলাদেশ ও ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ৫১ কিলোমিটার এবং মোট দৈর্ঘ্য ১৪৫ কিলোমিটার, প্রস্থ ১১৫ মিটার, প্রকৃতি সর্পিলাকার। আরো পড়ুন

পুনর্ভবা নদী বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী

পুনর্ভবা নদী (ইংরেজি: Punarbhaba River) বাংলাদেশ ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। এই নদীটি বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর ও মালদহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নদীটির বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ২২৩ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১০২ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। আরো পড়ুন

জুরি নদী বাংলাদেশ ও ত্রিপুরার আন্তঃসীমান্ত নদী

জুরি নদী বা জুড়ি নদী বা জুড়ী নদী (ইংরেজি: Juri River) বাংলাদেশ ও ত্রিপুরার আন্তঃসীমান্ত নদী। নদীটি বাংলাদেশের মৌলভীবাজার ও সিলেট জেলার এবং ভারতের ত্রিপুরার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী। আরো পড়ুন

error: Content is protected !!