হলুদ আমরুল শাক ভেষজ গুণ সম্পন্ন বাংলার উদ্ভিদ

বাংলাদেশ ও ভারতের অনেক প্রদেশে এই হলুদ আমরুল শাক বা আমরুল জন্মে। মূলত ফুলের রঙ হলুদ হয়, তবে গাছটির একটি বাদামী জাত বা ভ্যারাইটি আছে। এটি দেখতে সরু ও লতানো। আরো পড়ুন

লজ্জাবতী গাছের ভেষজ উপকারিতা

লজ্জাবতী গুল্ম হলেও লতাটি মাটিতে গড়িয়ে গড়িয়ে বেড়ে ওঠে,এ লতার গায়ে অসম্ভব বাঁকা বাঁকা কাঁটা থাকে সেটা আবার নীচের দিকে হয়। সব থেকে মজার ব্যাপার হলো এই লতাগাছ যেখানে থাকে, আরো পড়ুন

শ্যাওড়া গাছের নয়টি ভেষজ গুণাগুণ এবং অন্যান্য উপকারিতা

শ্যাওড়া বা শেওড়া বা শাহাড়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Streblus asper) হচ্ছে মোরাসি পরিবারের স্ট্রেবলাস গণের একটি সপুষ্পক চিরসবুজ উদ্ভিদ। চলতি কথায় আমরা একে শাঁড়া গাছ বলে থাকি। এই গাছ আকারে ছোট ঝোপ জাতীয় ঘন পত্রপল্লব বিশিষ্ট চিরসবুজ গাছ। পাতা ডিম্বাকার, খসখসে ও গাঢ় সবুজ। এর ফল হলুদ। সারাদেশে এই গাছ দেখতে পাওয়া যায়। ভেষজ চিকিৎসায় গাছের ও মূলের ছাল, পাতা ঔষধ হিসাবে ব্যবহার করা হয়। আরো পড়ুন

বাগান সুরুযঘূর্ণি ফুল সুগন্ধি ও আলঙ্কারিক প্রজাতি

পরিচিতি: বাগান সুরুযঘূর্ণি হচ্ছে Heliotropium গণের একটি সপুষ্পক উদ্ভিদ। সাধারণত বাগানে লাগানো হয় বলে এদের এরকম নামকরণ করা হয়েছে। বৈজ্ঞানিক নাম Heliotropium arborescens, এরা Boraginaceae পরিবারের সদস্য। আদিবাস পেরুতে, বর্ষজীবী উদ্ভিদ। এই সপুষ্পক উদ্ভিদ ২৫০ থেকে ৩০০ প্রজাতির আছে বলে জানা যায়। ভিক্টোরিয়ান যুগ থেকে সুরুযঘূর্ণি ইংল্যান্ডে জনপ্রিয়। সুগন্ধি ফুল হিসেবে সুরুযঘূর্ণির তুলনা নাই। প্রজাপতি, … Read more

বকুল গাছের ভেষজ ও ঔষধি ব্যবহার

বকুল চিরহরিত বৃক্ষ, ৪০ থেকে ৫০ ফুন্ট পর্যন্ত উচু হয়। ছায়া তরু হিসেবে রাস্তার ধারেও যেমন লাগানো হয়, আবার মন্দির প্রাঙ্গণেও তাকে স্থান দেওয়া হয়, ছায়া ও ফুলের সুগন্ধ আছে বলে। আরো পড়ুন

শ্বেতদ্রোণ এশিয়ার ঔষধি শাক

পরিচিতি: শ্বেতদ্রোণ বিরুত জাতীয় সপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি Lamiaceae পরিবারের লিউকাস গণের একটি উদ্ভিদ। এদের কচি পাতা ও কাণ্ড শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায়।  বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় এই শাকের বিভিন্ন নাম আছে। প্রাকৃতিক পরিবেশে এমনিতেই জন্মানো এই শাক চাষ করার কোনো ঘটনা জানা যায় না। আরো পড়ুন দ্রোণের ঔষধি গুণাগুণ বিবরণ: শ্বেতদ্রোণ বা দণ্ডকলস মাটি … Read more

আমড়া গাছ, ছাল, পাতা, ফলের ১২টি ঔষধি ব্যবহার

এনাকার্ডিয়াসি পরিবারের স্পনডিয়াস গণের ফলগাছসমূহকে সাধারণত আমড়া বলা হয়। বাংলাদেশে তিন প্রজাতির এবং ভারতে চার প্রজাতির আমড়া গাছ জন্মায়। আরো পড়ুন

পাহাড়ি ভাঁট বা ঘেঁটু একটি ভেষজ দৃষ্টিনন্দন ফুল

পরিচিতি: পাহাড়ি ভাঁট বা ঘেঁটু গুল্ম জাতীয় দেশি বুনো সপুষ্পক উদ্ভিদ। ফুল গাছটি ভাঁট বলে পরিচিত হলেও স্থানভেদে এবং ভিন্ন ভিন্ন জনগোষ্ঠীতে এর ভিন্ন ভিন্ন নামও রয়েছে। অনেকে একে বনজুঁই বলেন। কোথাও বলা হয় ভাঁটি, কোথাও ঘণ্টকর্ণ। সংস্কৃতে একে বলে ঘণ্টা, ঘণ্টাকর্ণ, বাণবিড়। ভাট একটি বুনো ফুল, পথের ধারে জংলা যায়গায়, গায়ের মাঠের ধারে অযত্নে ফুটে … Read more

কাঠ বাদাম উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের বহুগুণের আলংকারিক বৃক্ষ

কাঠ বাদাম মধ্যম থেকে বৃহৎ পর্ণমােচী বৃক্ষ, ২৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কাষ্ঠ বাদামী বা লালাভ, শাখাসমূহ আবর্ত, আনুভূমিকভাবে বিস্তৃত, তরুণ বিটপ লাল রােমশ, পরবর্তীতে রােমশবিহীন। আরো পড়ুন

নাগলিঙ্গম ত্রিনিদাদ ও ক্রান্তীয় আমেরিকারসহ উষ্ণমণ্ডলীয়র আলংকারিক ফুল গাছ

নাগলিঙ্গম

আদিনিবাস গায়ানা এবং অন্যত্র রোপন করা হয়েছে। বাংলাদেশে এই গাছ বাগানে লাগানো হয়। পুরনো জমিদার বাড়ির আঙিনায় সহজেই চোখে পড়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার উষ্ণাঞ্চল থেকে ১৮৮১ সালে নাগলিঙ্গম প্রথম সিংহল অর্থাৎ শ্রীলংকাতে আসে। সেই গাছে ১৮৯৪ সালে প্রথম ফুল ফোটে। সরকারী ও বেসরকারী বাগানে শোভাবর্ধক বৃক্ষ হিসেবে রোপন করা হয়।[৩] বাংলাদেশে বলধা গার্ডেন, রমনা পার্ক, টংগী, বরিশালের বিএম কলেজ, ময়মনসিংহের মহিলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ, গফরগাঁও সরকারি কলেজ, গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ সারাদেশে অনধিক ৫০টি গাছ রয়েছে। এই গাছ বাংলাদেশে বিপন্ন প্রজাতি, যদিও বহিরাগত। আর পড়ুন

error: Content is protected !!