বকুল গাছের ভেষজ ও ঔষধি ব্যবহার

বকুল চিরহরিত বৃক্ষ, ৪০ থেকে ৫০ ফুন্ট পর্যন্ত উচু হয়। ছায়া তরু হিসেবে রাস্তার ধারেও যেমন লাগানো হয়, আবার মন্দির প্রাঙ্গণেও তাকে স্থান দেওয়া হয়, ছায়া ও ফুলের সুগন্ধ আছে বলে। আরো পড়ুন

শ্বেতদ্রোণ এশিয়ার ঔষধি শাক

পরিচিতি: শ্বেতদ্রোণ বিরুত জাতীয় সপুষ্পক উদ্ভিদ। এটি Lamiaceae পরিবারের লিউকাস গণের একটি উদ্ভিদ। এদের কচি পাতা ও কাণ্ড শাক হিসেবে রান্না করে খাওয়া যায়।  বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় এই শাকের বিভিন্ন নাম আছে। প্রাকৃতিক পরিবেশে এমনিতেই জন্মানো এই শাক চাষ করার কোনো ঘটনা জানা যায় না। আরো পড়ুন দ্রোণের ঔষধি গুণাগুণ বিবরণ: শ্বেতদ্রোণ বা দণ্ডকলস মাটি … Read more

আমড়া গাছ, ছাল, পাতা, ফলের ১২টি ঔষধি ব্যবহার

দেশি আমড়া গাছের ফল ও পাতার ছবি

এনাকার্ডিয়াসি পরিবারের স্পনডিয়াস গণের ফলগাছসমূহকে সাধারণত আমড়া বলা হয়। বাংলাদেশে তিন প্রজাতির এবং ভারতে চার প্রজাতির আমড়া গাছ জন্মায়। আরো পড়ুন

পাহাড়ি ভাঁট বা ঘেঁটু একটি ভেষজ দৃষ্টিনন্দন ফুল

পরিচিতি: পাহাড়ি ভাঁট বা ঘেঁটু গুল্ম জাতীয় দেশি বুনো সপুষ্পক উদ্ভিদ। ফুল গাছটি ভাঁট বলে পরিচিত হলেও স্থানভেদে এবং ভিন্ন ভিন্ন জনগোষ্ঠীতে এর ভিন্ন ভিন্ন নামও রয়েছে। অনেকে একে বনজুঁই বলেন। কোথাও বলা হয় ভাঁটি, কোথাও ঘণ্টকর্ণ। সংস্কৃতে একে বলে ঘণ্টা, ঘণ্টাকর্ণ, বাণবিড়। ভাট একটি বুনো ফুল, পথের ধারে জংলা যায়গায়, গায়ের মাঠের ধারে অযত্নে ফুটে … Read more

কাঠ বাদাম উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের বহুগুণের আলংকারিক বৃক্ষ

কাঠ বাদাম মধ্যম থেকে বৃহৎ পর্ণমােচী বৃক্ষ, ২৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কাষ্ঠ বাদামী বা লালাভ, শাখাসমূহ আবর্ত, আনুভূমিকভাবে বিস্তৃত, তরুণ বিটপ লাল রােমশ, পরবর্তীতে রােমশবিহীন। আরো পড়ুন

নাগলিঙ্গম ত্রিনিদাদ ও ক্রান্তীয় আমেরিকারসহ উষ্ণমণ্ডলীয়র আলংকারিক ফুল গাছ

নাগলিঙ্গম

আদিনিবাস গায়ানা এবং অন্যত্র রোপন করা হয়েছে। বাংলাদেশে এই গাছ বাগানে লাগানো হয়। পুরনো জমিদার বাড়ির আঙিনায় সহজেই চোখে পড়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার উষ্ণাঞ্চল থেকে ১৮৮১ সালে নাগলিঙ্গম প্রথম সিংহল অর্থাৎ শ্রীলংকাতে আসে। সেই গাছে ১৮৯৪ সালে প্রথম ফুল ফোটে। সরকারী ও বেসরকারী বাগানে শোভাবর্ধক বৃক্ষ হিসেবে রোপন করা হয়।[৩] বাংলাদেশে বলধা গার্ডেন, রমনা পার্ক, টংগী, বরিশালের বিএম কলেজ, ময়মনসিংহের মহিলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ, গফরগাঁও সরকারি কলেজ, গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ সারাদেশে অনধিক ৫০টি গাছ রয়েছে। এই গাছ বাংলাদেশে বিপন্ন প্রজাতি, যদিও বহিরাগত। আর পড়ুন

মাখনা কাঁটাযুক্ত মিঠা পানির শাপলা পরিবারের একটি জলজ উদ্ভিদ

মাখনার ফুল

মাখনা কাটাঁযুক্ত শালুকের মতো উদ্ভিদ যার শিকড় ও কন্দ পানির নিচে মাটিতে সন্নিবিষ্ট থাকে। পাতা প্রায় গোলাকার, পানির উপরে ভেসে থাকে। মাখনার কাটাঁযুক্ত পাতার উপরের রং সবুজ। আমাজন লিলির পর এটির পাতা দ্বিতীয় বৃহৎ। কাটাঁ আছে ডাটার সাথেও। এদের ফুল গোলাপি, আকারে শাপলার চেয়ে ছোট। আরো পড়ুন

নাগবল্লী দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ভেষজ গুণ সম্পন্ন ও টবে চাষযোগ্য আলংকারিক উদ্ভিদ

নাগবল্লী

নাগবল্লী আরোহী বা শায়িত গুল্ম। এই প্রজাতির বাকল বাদামী ও লেন্টিসেলযুক্ত। পাতা উপপত্রযুক্ত এবং বৃন্তক, উপপত্র ত্রিকোণাকার, দ্বিখন্ডিত, পত্রবৃন্ত দেড় সেমি পর্যন্ত লম্বা হয়। পত্রফলক আয়তাকার বা উপবৃত্তাকার- বল্লমাকার ও দৈর্ঘ্য ৬-১৫ এবং প্রস্থ ১.৩-৬.০ সেমি। শীর্ষ দীর্ঘাঘ, গোড়া কীলকাকার থেকে অর্ধসূক্ষ্মাগ্র, মসৃণ বা নিম্নভাগে শিরার উপর স্বল্প রোমান পার্শ্বীয় শিরা ৫-৬ জোড়া। সাইম শীর্ষক, ঘন, অণুরোমশ। আরো পড়ুন

ফুটি বা বাঙ্গি বা বাঙি হচ্ছে একটি আঁশযুক্ত ঔষধি সুস্বাদু ফল

ফুটি

ফুটি বা বাঙ্গি বা বাঙ্গী বা বাঙি, হচ্ছে শসা পরিবারের কিউকামিস গণের একটি লতা জাতীয় সপুষ্পক ফলের প্রজাতি। এরা বর্ষজীবী লতা, জমিতে লতিয়ে লতিয়েই বৃদ্ধি পায়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Cucumis melo Linn, পরিবার Cucurbitaceae, উড়িষ্যা অঞ্চল বিশেষে এটিকে কাঁকুড়ি বলে বাংলায় এর আরেক জাতের ফুটি চাষ হয় একে গোমুক বা গুমুক বলে। এটির বৈজ্ঞানিক নাম Cucumis utilissimus যা মূলত একই প্রজাতি। এটি বর্ষায় চাষ হয়; কাঁচা খেতে তিতো, পাকলে ফুটির মতোই খেতে হয়। আরও পড়ুন

ফুটি বা বাঙ্গি বা বাঙ্গী বা বাঙির কয়েকটি বহুমুখী ঔষধি গুনাগুণ

ফুটি

ফুটি বা বাঙ্গি বা বাঙ্গী বা বাঙি (বৈজ্ঞানিক নাম: Cucumis melo) হচ্ছে শসা পরিবারের একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। ফল হিসেবে কাঁচাতে এটি সবজি হিসেবে খাওয়া যায়। এছাড়া পাকলে কেটেই এবং সরবত করেও খাওয়া যায়। এছাড়াও ভেষজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয় এদের বীজ, মূল, পাতা। আরও পড়ুন

error: Content is protected !!