কাঠ বাদাম উষ্ণমণ্ডলীয় অঞ্চলের বহুগুণের আলংকারিক বৃক্ষ
কাঠ বাদাম মধ্যম থেকে বৃহৎ পর্ণমােচী বৃক্ষ, ২৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কাষ্ঠ বাদামী বা লালাভ, শাখাসমূহ আবর্ত, আনুভূমিকভাবে বিস্তৃত, তরুণ বিটপ লাল রােমশ, পরবর্তীতে রােমশবিহীন। আরো পড়ুন
জীবজগতের উদ্ভিদই সালোকসংশ্লেষনের মাধ্যমে শর্করা-জাতীয় খাদ্য তৈরি করতে পারে। ঠিকে থাকার জন্য নুন্যতম পরিবেশ পেলেই রুক্ষ প্রকৃতিকে সজীব করে তুলতে পারে উদ্ভিদ। সবুজ অরণ্যে নানা প্রজাতির উদ্ভিদের দেখা মেলে। বৃক্ষ, গুল্ম, বিরুৎ এই উদ্ভিদ জগতের অন্তর্গত। বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে প্রতিটিই স্বতন্ত্র। উদ্ভিদের মধ্যে সপুষ্পক ও অপুষ্পক উভয়ই আছে।
কাঠ বাদাম মধ্যম থেকে বৃহৎ পর্ণমােচী বৃক্ষ, ২৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু, কাষ্ঠ বাদামী বা লালাভ, শাখাসমূহ আবর্ত, আনুভূমিকভাবে বিস্তৃত, তরুণ বিটপ লাল রােমশ, পরবর্তীতে রােমশবিহীন। আরো পড়ুন
আদিনিবাস গায়ানা এবং অন্যত্র রোপন করা হয়েছে। বাংলাদেশে এই গাছ বাগানে লাগানো হয়। পুরনো জমিদার বাড়ির আঙিনায় সহজেই চোখে পড়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার উষ্ণাঞ্চল থেকে ১৮৮১ সালে নাগলিঙ্গম প্রথম সিংহল অর্থাৎ শ্রীলংকাতে আসে। সেই গাছে ১৮৯৪ সালে প্রথম ফুল ফোটে। সরকারী ও বেসরকারী বাগানে শোভাবর্ধক বৃক্ষ হিসেবে রোপন করা হয়।[৩] বাংলাদেশে বলধা গার্ডেন, রমনা পার্ক, টংগী, বরিশালের বিএম কলেজ, ময়মনসিংহের মহিলা শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ, গফরগাঁও সরকারি কলেজ, গাজীপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ সারাদেশে অনধিক ৫০টি গাছ রয়েছে। এই গাছ বাংলাদেশে বিপন্ন প্রজাতি, যদিও বহিরাগত। আর পড়ুন
মাখনা কাটাঁযুক্ত শালুকের মতো উদ্ভিদ যার শিকড় ও কন্দ পানির নিচে মাটিতে সন্নিবিষ্ট থাকে। পাতা প্রায় গোলাকার, পানির উপরে ভেসে থাকে। মাখনার কাটাঁযুক্ত পাতার উপরের রং সবুজ। আমাজন লিলির পর এটির পাতা দ্বিতীয় বৃহৎ। কাটাঁ আছে ডাটার সাথেও। এদের ফুল গোলাপি, আকারে শাপলার চেয়ে ছোট। আরো পড়ুন
নাগবল্লী আরোহী বা শায়িত গুল্ম। এই প্রজাতির বাকল বাদামী ও লেন্টিসেলযুক্ত। পাতা উপপত্রযুক্ত এবং বৃন্তক, উপপত্র ত্রিকোণাকার, দ্বিখন্ডিত, পত্রবৃন্ত দেড় সেমি পর্যন্ত লম্বা হয়। পত্রফলক আয়তাকার বা উপবৃত্তাকার- বল্লমাকার ও দৈর্ঘ্য ৬-১৫ এবং প্রস্থ ১.৩-৬.০ সেমি। শীর্ষ দীর্ঘাঘ, গোড়া কীলকাকার থেকে অর্ধসূক্ষ্মাগ্র, মসৃণ বা নিম্নভাগে শিরার উপর স্বল্প রোমান পার্শ্বীয় শিরা ৫-৬ জোড়া। সাইম শীর্ষক, ঘন, অণুরোমশ। আরো পড়ুন
ফুটি বা বাঙ্গি বা বাঙ্গী বা বাঙি, হচ্ছে শসা পরিবারের কিউকামিস গণের একটি লতা জাতীয় সপুষ্পক ফলের প্রজাতি। এরা বর্ষজীবী লতা, জমিতে লতিয়ে লতিয়েই বৃদ্ধি পায়। এর বৈজ্ঞানিক নাম Cucumis melo Linn, পরিবার Cucurbitaceae, উড়িষ্যা অঞ্চল বিশেষে এটিকে কাঁকুড়ি বলে বাংলায় এর আরেক জাতের ফুটি চাষ হয় একে গোমুক বা গুমুক বলে। এটির বৈজ্ঞানিক নাম Cucumis utilissimus যা মূলত একই প্রজাতি। এটি বর্ষায় চাষ হয়; কাঁচা খেতে তিতো, পাকলে ফুটির মতোই খেতে হয়। আরও পড়ুন
ফুটি বা বাঙ্গি বা বাঙ্গী বা বাঙি (বৈজ্ঞানিক নাম: Cucumis melo) হচ্ছে শসা পরিবারের একটি লতা জাতীয় উদ্ভিদ। ফল হিসেবে কাঁচাতে এটি সবজি হিসেবে খাওয়া যায়। এছাড়া পাকলে কেটেই এবং সরবত করেও খাওয়া যায়। এছাড়াও ভেষজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহার হয় এদের বীজ, মূল, পাতা। আরও পড়ুন
পরিচয়: আম বাংলাদেশের প্রধান ফল এবং আম গাছ হচ্ছে জাতীয় বৃক্ষ। আম বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফল। আমকে এদেশে ফলের রাজাও বলা হয়। আমের ইংরেজি নাম Mango. পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এ যাবৎ আমের ৪১টি প্রজাতির সন্ধান পাওয়া যায়। তবে অধিকাংশ চাষকৃত ভালো জাতই অ্যানাকার্ডিয়েসী পরিবারের Mangifera indica L. প্রজাতির অন্তর্গত। বাকিগুলোর অধিকাংশই বন্য প্রজাতি। ভেষজ গুণ … Read more
ভূমিকা: বন তেজপাতা, দাঁতরাঙ্গা, লুটকি (বৈজ্ঞানিক নাম: Melastoma malabathricum , ইংরেজি: Indian Rhododendron) মেলাস্টোমাসি পরিবারের, মেলাস্টোমা গণের একটি এক প্রকারের গুল্ম। মাঝারি আকারের এই ঝপালো গুল্মের আগায় গোলাপি-বেগুনি রঙের ফুলে ভরে যায়। সারা বছর এই গাছে ফুল ফোটে। বাগানের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য এই গাছ লাগানো যতে পারে।[১] বাংলাদেশে দাঁতরাঙাকে আগাছা বা অপ্রয়োজনীয় গাছ হিসেবে মনে করা … Read more
এটি ক্ষুপ বা গুল্ম জাতীয় গাছ, ৩ থেকে ৪ ফুট পর্যন্ত উচু হয়। এর পাতাগুলি দেখতে অনেকটা অশ্বতর প্রাণীর বা খচ্চরের কানের আকারের মতো হলেও ঝোপ-ঝাড় আরো পড়ুন
অশ্বগন্ধা হচ্ছে উইথানিয়া গণের একটি গুল্ম। এদের বৈজ্ঞানিক নাম Withania Somnifera. প্রাচীন কালে এই অশ্বগন্ধা প্রয়োগ হতো যেখানে রসবহ, রক্তবহ ও শুক্রবহ স্রোতের দোষ রয়েছে, আরো পড়ুন