ম্যাগনোলিয়াসি হচ্ছে সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি পরিবারের নাম
Magnoliaceae গোত্রটি ১২ টি গণ এবং ২২০টি প্রজাতিতে বিভক্ত। বাংলাদেশে এই গোত্রের ২টি গণভুক্ত ১১টি প্রজাতি পাওয়া যায়, যার মধ্যে আছে উদয়পদ্ম বা হিমচাঁপা। আরো পড়ুন
Magnoliaceae গোত্রটি ১২ টি গণ এবং ২২০টি প্রজাতিতে বিভক্ত। বাংলাদেশে এই গোত্রের ২টি গণভুক্ত ১১টি প্রজাতি পাওয়া যায়, যার মধ্যে আছে উদয়পদ্ম বা হিমচাঁপা। আরো পড়ুন
বর্ণনা: উদয় পদ্ম ছোট বা মাঝারি আকারের চিরহরিৎ বৃক্ষ। এই গাছ ঋজু বা সোজা, সরল শাখা হয় ও এদের বাকলের রং মসৃণ ধূসর। পাতা সরল, একান্তর, দীর্ঘায়ত থেকে বিডিম্বাকার আকৃতির। পাতার দৈর্ঘ্য ১২-২৫ সেমি ও প্রস্থ ৬-১০ সেমি, পুরু এবং চর্মবৎ, পাতার উপরের অংশ উজ্জ্বল এবং চকচকে হয়, নিচের অংশ তামাটে বাদামী, পাতার কুঁড়ি মরিচা বর্ণের ও রোমশ আবরণ দ্বারা বেষ্ঠিত যা পাতার ভাঁজে দৃশ্যমান হয়ে থাকে। আরো পড়ুন
মুচকুন্দ দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ভারত থেকে বার্মা পর্যন্ত জন্মায়। ভারত এবং মহাদেশীয় এশিয়া। মুচকুন্দ চাঁপার আদিবাড়ি হিমালয়ের পাদদেশ, মিয়ানমার, আসাম ও বাংলাদেশে ইহা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার বনে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জন্মে। ঢাকার বলধা বাগানে দুটি মুচকুন্দ চাঁপা গাছ রয়েছে। শিশু একাডেমীতেও দুটি মুচকন্দ চাঁপার গাছ আছে। একটি মুচকুন্দ চাঁপার গাছ আছে গফরগাঁও সরকারি কলেজের পুকুরের উত্তরপাড়ে। ইহা আবার বাগান এবং প্রধান প্রবেশ পথের বৃক্ষ হিসেবে রাস্তার কিনারায় আবাদ করা হয়। আরো পড়ুন
কনকচাঁপার আরেক নাম হচ্ছে রামধন চাঁপা। এটি আমাদের দেশীয় ফুল। বাংলাদেশে বসন্তে ফোটা বিভিন্ন রঙের ফুলের মধ্যে কনকচাঁপা প্রধান। বসন্তে ফোটার পরে গ্রীষ্মের শেষাবধি গাছে ফুল থাকে। আমাদের জানামতে ঢাকায় কেবল দুটা মাত্র কনকচাঁপা গাছ আছে। একটি রমনা পার্কে, অপরটি বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর বাগানে। রমনার উত্তরায়ণ গেট থেকে ঢুকে দক্ষিণ দিকে আসতে রমনার সবচেয়ে বড় … Read more