বিষ কনুর বাংলাদেশে পাহাড়ীঞ্চলে জন্মানো ভেষজ বিরুৎ
এই প্রজাতি কন্দাল বীরুৎ। কন্দ দৃঢ়, মূলীয় অংশ মূলকাকার বক্রধাবকবৎ, গ্রীবা বেলনাকার। পাতার দৈর্ঘ্য ৫০-৯০ সেমি ও প্রস্থ ২-৩ সেমি। রৈখিক বা রৈখিক বল্লমাকার, অবতল, মসৃণ, স্থূলাগ্র।আরো পড়ুন
আলংকারিক বা বাহারি উদ্ভিদ মূলত সাজ-সজ্জার উদ্দেশে বাগান, বাসা-বাড়ি, বেল্কনিতে টবে বা মাটিতে চাষ করা হয়। শোভাময় গাছগুলোকে বাছায় করে নির্দিষ্ট স্থানে রোপন করে প্রজাতিভেদে যত্ন নিতে হবে। বিভিন্ন উদ্ভিদকে আলংকারিক করার জন্য বিশেষ যত্নের দরকার। যেমন ভালো ফুল পেতে চাইলে পানি সেচ, নিড়ানি দেওয়া, সার প্রয়োগ দিতে হবে। আবার বনসাই করতে চাইলে নিয়মিত ছাঁটাই করতে হবে।
অনেক আলংকারিক উদ্ভিদ কেবল শোভাবর্ধনের জন্যই জন্মে। তাদের পাতা ঝরে পড়ার আগে পর্যায়ক্রমে উজ্জ্বল কমলা, লাল এবং হলুদ হয়ে যায়; আবার হতে পারে চিরহরিৎ; যা সারাবছর সবুজ থাকে। এছাড়া আলংকারিক গাছগুলোকে সুন্দর সুন্দর ফুলের জন্য চাষ করা হয়। ফুলের বাগানকারী বিভিন্ন ঋতু অনুযায়ী গাছ নির্বাচন করে লাগাতে পারেন; যাতে গ্রীষ্ম থেকে বসন্ত পর্যন্ত বাগানটি ক্রমাগত ফুল উৎপাদনের মধ্যে থাকে। আলংকারিক উদ্ভিদের মধ্যে বাংলাদেশে চাষ করা যায় কলকে, স্বর্ণচাঁপা, রক্তকাঞ্চন, জুঁই, চামেলি, গন্ধরাজ, কৃষ্ণচূড়া ইত্যাদি।
এই প্রজাতি কন্দাল বীরুৎ। কন্দ দৃঢ়, মূলীয় অংশ মূলকাকার বক্রধাবকবৎ, গ্রীবা বেলনাকার। পাতার দৈর্ঘ্য ৫০-৯০ সেমি ও প্রস্থ ২-৩ সেমি। রৈখিক বা রৈখিক বল্লমাকার, অবতল, মসৃণ, স্থূলাগ্র।আরো পড়ুন
বৃহৎ শল্ককন্দ যুক্ত বহুবর্ষজীবী বীরুৎ। পত্র লম্বা, ১২ সেমি বা ততোধিক প্রশস্ত, প্রান্ত অখন্ড, পুষ্পবিন্যাস ১০-১৫ পুষ্প বিশিষ্ট আম্বেল। পুষ্প বৃহৎ, সাদা, রাত্রিতে সুগন্ধী।আরো পড়ুন
বর্ষজীবী কন্দাল বীরুৎ, কন্দ ডিম্বাকার বা গোলাকার, ১০-১৩ সেমি ব্যাস বিশিষ্ট, গৃবা আড়াআড়ি ৫-৭ সেমি। পত্র ৪৫-৯০ সেমি, রৈখিক, খাঁজযুক্ত, অর্ধঋজু, অখন্ড, স্থুলা, ভৌম পুষ্পদন্ড ৩০ সেমি বা ততোধিক লম্বা, চাপা, উর্ধ্বগ। আরো পড়ুন
বহুবর্ষজীবী বীরুৎ, মূলাকার কান্ড কন্দাল। পত্র রৈখিক, ৯০ x ১ সেমি, রস শিথিল। ভৌম পুষ্পদন্ড অতিশয় সরু, ২-কিনারা বিশিষ্ট, আম্বেল পদ্ধতিতে ৪-৬ টি পুষ্পযুক্ত, চমসা ৫ সেমি লম্বা। বল্লমাকার। পুষ্প ক্ষুদ্র বৃন্তক, উভলিঙ্গ, বহুপ্রতিসম। আরো পড়ুন
সুগন্ধিময় গুল, ঘন ক্ষুদ্র কোমল রোমাবৃত-ঘন দীর্ঘ কোমল রোমাবৃত বা কৌশিক-পশমতুল্য, লম্বা, কাণ্ড শাখা বিন্যাসিত। পত্র সবৃন্তক, পত্রবৃন্ত অনূর্ধর্ব ১.৫ সেমি লম্বা, কর্ণ সদৃশ অভিক্ষেপবিশিষ্ট বা পক্ষল, আরো পড়ুন
রোমশ বিহীন বহুবর্ষজীবী বীরুৎ, মূলাকার কান্ড লতানো। কান্ড ১.০-১.৫ মিটার উঁচু, ঋজু পত্রবহুল। পত্র ৩০-৬০ x ২-৪ সেমি, অসি ফলাকাকার, দ্বিসারী, প্রশস্ত রৈখিক, চকচকে।আরো পড়ুন
ঋজু, সরস বীরুৎ, মূল তন্তুময়। কান্ড ৩০-৬০ সেমি লম্বা, মসৃণ বা তরুণ অবস্থায় সূক্ষ্ম রোমশ। পত্র সরল, ১৫-২২ সেমি লম্বা, দীর্ঘা, মসৃণ বা উভয় পৃষ্ঠের শিরা সূক্ষ্ম রোম যুক্ত, বৃন্ত ৫-১২ সেমি লম্বা, উপপত্রিকা ভল্লাকার, মসৃণ, পর্ণমোচী। আরো পড়ুন
লম্বা, কান্ডজ বীরুৎ, মূলাকার কান্ড লতানো, পুরু বা কন্দাল নয়। কান্ড ভূশায়ী, সাধারণত খাটো, ৪ মিমি লম্বা, বাদামী রোমশ, রোম পাতলা, বিস্তৃত। আরো পড়ুন
বৃহৎ আরোহী, অর্ধরোমশ, জোড়া আকর্ষী। পত্র সরল, একান্তর, ৭.৫-১৫.০ x ৮-১২ সেমি, প্রশস্ত ডিম্বাকার বা অর্ধবর্তুলাকার, কাটা, উপরের পত্র অখন্ড, খন্ড সূক্ষ্মাগ্র থেকে দীর্ঘাগ্র, কখনও প্রশস্ত অপসারী,আরো পড়ুন
বন কাঞ্চন পর্ণমোচী বৃক্ষ। এই গাছটি ১৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। গাছের বাকল পুরু, রৈখিক-শঙ্কাকারে পতনশীল, শাখা-প্রশাখা রোমশ বা রোম বিহীন। পত্র সরল, একান্তর, সহপত্রী, উপপত্র ২ টি, ২-৩ মিমি লম্বা, রৈখিক, সূক্ষ্মাগ্র, আশুপাতী, ফলক ডিম্বাকার থেকে গোলাকার, ৪৮ সেমি প্রশস্ত, আরো পড়ুন