আলংকারিক উদ্ভিদ
আলংকারিক বা বাহারি উদ্ভিদ মূলত সাজ-সজ্জার উদ্দেশে বাগান, বাসা-বাড়ি, বেল্কনিতে টবে বা মাটিতে চাষ করা হয়। শোভাময় গাছগুলোকে বাছায় করে নির্দিষ্ট স্থানে রোপন করে প্রজাতিভেদে যত্ন নিতে হবে। বিভিন্ন উদ্ভিদকে আলংকারিক করার জন্য বিশেষ যত্নের দরকার। যেমন ভালো ফুল পেতে চাইলে পানি সেচ, নিড়ানি দেওয়া, সার প্রয়োগ দিতে হবে। আবার বনসাই করতে চাইলে নিয়মিত ছাঁটাই করতে হবে।
অনেক আলংকারিক উদ্ভিদ কেবল শোভাবর্ধনের জন্যই জন্মে। তাদের পাতা ঝরে পড়ার আগে পর্যায়ক্রমে উজ্জ্বল কমলা, লাল এবং হলুদ হয়ে যায়; আবার হতে পারে চিরহরিৎ; যা সারাবছর সবুজ থাকে। এছাড়া আলংকারিক গাছগুলোকে সুন্দর সুন্দর ফুলের জন্য চাষ করা হয়। ফুলের বাগানকারী বিভিন্ন ঋতু অনুযায়ী গাছ নির্বাচন করে লাগাতে পারেন; যাতে গ্রীষ্ম থেকে বসন্ত পর্যন্ত বাগানটি ক্রমাগত ফুল উৎপাদনের মধ্যে থাকে। আলংকারিক উদ্ভিদের মধ্যে বাংলাদেশে চাষ করা যায় কলকে, স্বর্ণচাঁপা, রক্তকাঞ্চন, জুঁই, চামেলি, গন্ধরাজ, কৃষ্ণচূড়া ইত্যাদি।
মেহেদি বা মেহেন্দি পাতার ২০টি ঔষধি গুণাগুণ এবং ভেষজ উপকারিতা
মেহেদি বা মেহেন্দি গাছের বৈজ্ঞানিক নাম হচ্ছে Lawsonia inermis এবং এই গাছের পরিবারের নাম লিথ্রাসি (ইংরেজি: Lythraceae)। সর্বজন পরিচিত এই মেহেন্দি গাছটিকে সাধারণত বেড়ার ধারে লাগানো হয়। ঔষধার্থে ব্যবহার করা হয় এদের ফুল, ফল, পাতা ও মূল। আরো পড়ুন
বাংলাদেশে পুষ্পশিল্পের সম্ভাবনা প্রসঙ্গে
আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফুলের উৎপাদন ও বিপণন পর্যায়ক্রমে শিল্পপণ্য উৎপাদনের বৈশিষ্ট্য অর্জন করেছে যাকে এখন পুষ্পশিল্প (floriculture industry) বলে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। এ শিল্পের সর্বাধিক বিকাশ ঘটেছে নেদারল্যান্ড বা হল্যাণ্ডে। হল্যাণ্ড প্রতি বছর ফুল ও সংশ্লিষ্ট দ্রব্য রপ্তানী করে বাংলাদেশী টাকায় পনের হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে যা বিশ্বের মোট … Read more
আলংকারিক উদ্ভিদের ধারণা ও ব্যবহার বৈচিত্র্য প্রসঙ্গে
আলংকারিক উদ্ভিদ বা শোভাময় উদ্ভিদ (ইংরেজি: Ornamental plant) হচ্ছে সেসব গাছপালা যেগুলো বাগান এবং ভূদৃশ্যের নকশার পরিকল্পনা সাজানোর উদ্দেশ্যে জন্মানো হয়। আলংকারিক উদ্ভিদ সাধারণত টবের উদ্ভিদ, কাটা ফুল এবং নমুনা প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এসব উদ্ভিদের চাষকে বলা হয় পুষ্পবিদ্যা যা উদ্যানবিদ্যা বা উদ্যানতত্ত্বের (ইংরেজি: Horticulture) একটি প্রধান শাখা। আলংকারিক উদ্ভিদ শব্দটি এখন একই অর্থে … Read more
কদম এশিয়ার মধ্যম বা বৃহৎ আকৃতির সপুষ্পক নান্দনিক ভেষজ বৃক্ষ
কদম বা বুল কদম (বৈজ্ঞানিক নাম: Neolamarckia cadamba, ইংরেজি নাম: burflower tree, laran, Leichhardt pine) রুবিয়াসি পরিবারের এন্থোসেফালুস গণের একটি মধ্যম বা বৃহৎ-আকৃতির সপুষ্পক বৃক্ষ। এরা প্রায় ৪০ মিটার পর্যন্ত উঁচু হয়। আরো পড়ুন
পান্থপাদপ সারা দুনিয়ার সৌন্দর্য বর্ধনকারী আলংকারিক সপুষ্পক উদ্ভিদ
পান্থপাদপ (বৈজ্ঞানিক নাম: Ravenala madagascariensis) হচ্ছে স্ট্রেলিটজিয়াসি পরিবারে রাভেনালা গণের সপুষ্পক উদ্ভিদের একমাত্র প্রজাতি। এটিকে বাংলাদেশসহ সারা দুনিয়ায় আলংকারিক উদ্ভিদ হিসেবে বাগানে বা গৃহে চাষাবাদ করা হয় যা বাগানের শোভাবর্ধন করে। এটি আকারে পাম গাছের ন্যায়।
স্বর্গপাখি বা স্ট্রেলিটজিয়াসি সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি পরিবারের নাম
স্বর্গপাখি বা বার্ড-অব-প্যারাডাইস বা স্ট্রেলিটজিয়াসি (পরিবারের নামের ইংরেজি বানান: Strelitziaceae) সপুষ্পক উদ্ভিদের একটি পরিবারের নাম। এই পরিবার বা গোত্রের উদ্ভিদেরা হচ্ছে গ্রন্থিকন্দসহ বহুবর্ষজীবী মসৃণ বীরুৎ বা গুল্ম বা ছোট কলা গাছের ন্যায় বৃক্ষ। পত্র খাটো মূলীয় সীথসহ দ্বিসারি, লম্বা মধ্য পত্রবৃন্তযুক্ত এবং সুস্পষ্ট মধ্য শিরাসহ বিস্তৃত প্রান্তীয় সরল পত্রফলক, পত্রফলক কুঁড়িতে এক আরো পড়ুন
কেও বা কেঁউ গাছ: প্রকৃতিতে এক দৃষ্টিনন্দন ভেষজ ভাণ্ডার ও তার বহুমুখী ব্যবহার
কেও বা কেঁউ (বৈজ্ঞানিক নাম: Cheilocostus speciosus) মূলত একটি বহুবর্ষজীবী গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। চমৎকার এই গাছটি সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য অনেক এলাকায় চাষ করা হলেও কোথাও কোথাও এটি ‘আগ্রাসী প্রজাতি’ হিসেবেও পরিচিতি পেয়েছে। এর গঠন বেশ ঝোপালো; সরাসরি শিকড় থেকে অসংখ্য ডালপালা বেরিয়ে দ্রুত একটি ঘন ঝোপের সৃষ্টি করে। একটি পূর্ণবয়স্ক কেঁউ ঝোপ সাধারণত ৫-৬ ফুট পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে। এই … Read more
ইঞ্চি লতা বাংলাদেশের বহিরাগত আলংকারিক উদ্ভিদ
এটির পাতা কিছুটা মাংশল বা সরস। লতাটির তিন পাপড়ির ফুল হয়। ফুলের রং লাল। এই উদ্ভিদ ঝুলানো টবে রাখা যায়, ঝুলানো টবে রাখলে এদের পাতার নিচের দিকের সুন্দর মেরুণ বর্ণ দেখা যায়। আরো পড়ুন
মুচকুন্দচাঁপা দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার সুগন্ধি শোভাবর্ধনকারী ও ঔষধি বৃক্ষ
মুচকুন্দ দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ভারত থেকে বার্মা পর্যন্ত জন্মায়। ভারত এবং মহাদেশীয় এশিয়া। মুচকুন্দ চাঁপার আদিবাড়ি হিমালয়ের পাদদেশ, মিয়ানমার, আসাম ও বাংলাদেশে ইহা চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার বনে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জন্মে। ঢাকার বলধা বাগানে দুটি মুচকুন্দ চাঁপা গাছ রয়েছে। শিশু একাডেমীতেও দুটি মুচকন্দ চাঁপার গাছ আছে। একটি মুচকুন্দ চাঁপার গাছ আছে গফরগাঁও সরকারি কলেজের পুকুরের উত্তরপাড়ে। ইহা আবার বাগান এবং প্রধান প্রবেশ পথের বৃক্ষ হিসেবে রাস্তার কিনারায় আবাদ করা হয়। আরো পড়ুন